যশোরের মণিরামপুরে চরমপন্থী নেতা রানা প্রতাপ বৈরাগীকে গুলি করে হত্যা
যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় প্রকাশ্য বাজারে চরমপন্থী এক নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কপালিয়া বাজার এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ওই নেতা।
নিহত ব্যক্তির নাম রানা প্রতাপ বৈরাগী (৪৫)। তিনি কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন চরমপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ও এলাকাবাসী। হত্যাকাণ্ড
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে রানা প্রতাপ বৈরাগী কপালিয়া বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে মাথায় একাধিক গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
পরে খবর পেয়ে মণিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
???? পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
মণিরামপুর থানার পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, চরমপন্থী গ্রুপগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধ বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
প্রকাশ্য বাজারে গুলি করে হত্যার
ঘটনায় কপালিয়া বাজারসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই বাজারে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় কাজ করে।এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশ বলছে, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
যশোরের মণিরামপুরে চরমপন্থী নেতা রানা প্রতাপ বৈরাগীকে গুলি করে হত্যা
যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় প্রকাশ্য বাজারে চরমপন্থী এক নেতাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কপালিয়া বাজার এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ওই নেতা।
নিহত ব্যক্তির নাম রানা প্রতাপ বৈরাগী (৪৫)। তিনি কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের তুষার কান্তি বৈরাগীর ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন চরমপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ও এলাকাবাসী। হত্যাকাণ্ড
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে রানা প্রতাপ বৈরাগী কপালিয়া বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে মাথায় একাধিক গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
পরে খবর পেয়ে মণিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
???? পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
মণিরামপুর থানার পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, চরমপন্থী গ্রুপগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধ বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
প্রকাশ্য বাজারে গুলি করে হত্যার ঘটনায় কপালিয়া বাজারসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই বাজারে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় কাজ করে।
এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশ বলছে, হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন