ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে পৌর শিশু পার্ক শুভ উদ্বোধন

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে পৌর শিশু পার্ক শুভ উদ্বোধন

ধূমপানে নিষেধ করায় নোয়াখালীতে ‘হেলমেট বাহিনীর’ এলোপাতাড়ি গুলি, আহত ৬

ধূমপানে নিষেধ করায় নোয়াখালীতে ‘হেলমেট বাহিনীর’ এলোপাতাড়ি গুলি, আহত ৬

মাদকবি'রোধী চেতনায় মুখর কুড়িগ্রাম: জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মাদকবি'রোধী চেতনায় মুখর কুড়িগ্রাম: জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ও মা'দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মা'দকবিরোধী র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন ও মা'দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মা'দকবিরোধী র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নোয়াখালীতে পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘ'র্ষে ২ কিশোর নিহ'ত ‎

নোয়াখালীতে পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘ'র্ষে ২ কিশোর নিহ'ত ‎

পিরোজপুরে ডুবন্ত জাহাজ থেকে যুবকের অর্ধগলিত লা'শ উদ্ধার

পিরোজপুরে ডুবন্ত জাহাজ থেকে যুবকের অর্ধগলিত লা'শ উদ্ধার

কানাইঘাটে শতবর্ষী মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধ: মামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল, মুসল্লিদের ক্ষোভ

কানাইঘাটে শতবর্ষী মসজিদের জায়গা নিয়ে বিরোধ: মামলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল, মুসল্লিদের ক্ষোভ

জিয়ানগরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

জিয়ানগরে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক: ৮ মাসে ৩৬ দুর্ঘটনা, ঝরেছে ১৬ প্রাণ

খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক: ৮ মাসে ৩৬ দুর্ঘটনা, ঝরেছে ১৬ প্রাণ
খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক: ৮ মাসে ৩৬ দুর্ঘটনা, ঝরেছে ১৬ প্রাণ খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট থেকে চুকনগর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ এখন যেন এক ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদ। খানাখন্দে ভরা জরাজীর্ণ সড়ক, অনুমোদনহীন যানবাহনের দাপট আর বেপরোয়া গতির কারণে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে শুধু এ মহাসড়কেই ঘটেছে ৩৬টি সড়ক দুর্ঘটনা। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন ১৬ জন, আহত হয়েছেন অন্তত ৪৭ জন। সব মিলিয়ে হতাহত হয়েছেন ৬৩ জন মানুষ। গত বছরও এ সড়কে অর্ধশতাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৫ জন।   সম্প্রতি কৈয়া বাজার এলাকায় দ্রুতগামী পিকআপ ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেছে চারজনের। ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে নিয়মিতই যাতায়াত করে ভোমরা ও বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য যানবাহন। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাণিজ্যও।   স্থানীয়দের অভিযোগ নীয়দের মতে, অসংখ্য গর্তে ভরা মহাসড়ক, থ্রি-হুইলার ও ইজিবাইকের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, পৃথক লেনের অভাব এবং অতিরিক্ত গতি—সব মিলিয়েই দুর্ঘটনার হার বাড়ছে। ট্রাকচালক আজিজুল হক বলেন, > "রাস্তায় গর্তে পড়তে পড়তে গাড়ি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়। আগে খুলনা থেকে সাতক্ষীরা যেতে আড়াই ঘণ্টা লাগত, এখন চার ঘণ্টারও বেশি লাগে।" যাত্রী রওশন আরা জানান, > "বাসে উঠলেই ভয় হয়—নিরাপদে নামতে পারব কি না সন্দেহ। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনার খবর আসছে। জরুরি ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার ও ছোট গাড়ির জন্য আলাদা লেন করা দরকার।" থ্রি-হুইলার চালক হাফিজুর রহমান বলেন, > "সবজি পরিবহনের জন্য বিকল্প পথ নেই। কিন্তু আলাদা লেন ছাড়া দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব নয়।" কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা খুলনা হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া জানান, > "স্বল্প জনবল আর স্থানীয় চাপের কারণে থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনা কমাতে হলে আলাদা সার্ভিস লেন চালু করা জরুরি।" তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক জানান, > "বর্তমান নকশা অনুযায়ী সার্ভিস লেন সম্ভব নয়। আপাতত জরুরি মেরামতের কাজ চলছে, পাশাপাশি কংক্রিট সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।" ব্যয়-সাশ্রয় বনাম টেকসই উন্নয়ন   স্থানীয়রা বলছেন, মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সড়ক সংস্কার করা হয়েছিল। অথচ এত কম সময়ে পুনরায় দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে পড়ায় প্রশ্ন উঠেছে কাজের মান নিয়ে। তাদের দাবি—দ্রুত টেকসই সংস্কার, অবৈধ যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ এবং পৃথক লেন চালুর ব্যবস্থা ছাড়া এই "মরণফাঁদ" সড়ক থেকে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক: ৮ মাসে ৩৬ দুর্ঘটনা, ঝরেছে ১৬ প্রাণ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক: ৮ মাসে ৩৬ দুর্ঘটনা, ঝরেছে ১৬ প্রাণ খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট থেকে চুকনগর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার পথ এখন যেন এক ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদ। খানাখন্দে ভরা জরাজীর্ণ সড়ক, অনুমোদনহীন যানবাহনের দাপট আর বেপরোয়া গতির কারণে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে শুধু এ মহাসড়কেই ঘটেছে ৩৬টি সড়ক দুর্ঘটনা। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন ১৬ জন, আহত হয়েছেন অন্তত ৪৭ জন। সব মিলিয়ে হতাহত হয়েছেন ৬৩ জন মানুষ। গত বছরও এ সড়কে অর্ধশতাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৫ জন।   সম্প্রতি কৈয়া বাজার এলাকায় দ্রুতগামী পিকআপ ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেছে চারজনের। ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে নিয়মিতই যাতায়াত করে ভোমরা ও বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য যানবাহন। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাণিজ্যও।   স্থানীয়দের অভিযোগ নীয়দের মতে, অসংখ্য গর্তে ভরা মহাসড়ক, থ্রি-হুইলার ও ইজিবাইকের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, পৃথক লেনের অভাব এবং অতিরিক্ত গতি—সব মিলিয়েই দুর্ঘটনার হার বাড়ছে। ট্রাকচালক আজিজুল হক বলেন, > "রাস্তায় গর্তে পড়তে পড়তে গাড়ি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়। আগে খুলনা থেকে সাতক্ষীরা যেতে আড়াই ঘণ্টা লাগত, এখন চার ঘণ্টারও বেশি লাগে।" যাত্রী রওশন আরা জানান, > "বাসে উঠলেই ভয় হয়—নিরাপদে নামতে পারব কি না সন্দেহ। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনার খবর আসছে। জরুরি ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার ও ছোট গাড়ির জন্য আলাদা লেন করা দরকার।" থ্রি-হুইলার চালক হাফিজুর রহমান বলেন, > "সবজি পরিবহনের জন্য বিকল্প পথ নেই। কিন্তু আলাদা লেন ছাড়া দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব নয়।" কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা খুলনা হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া জানান, > "স্বল্প জনবল আর স্থানীয় চাপের কারণে থ্রি-হুইলার নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনা কমাতে হলে আলাদা সার্ভিস লেন চালু করা জরুরি।" তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক জানান, > "বর্তমান নকশা অনুযায়ী সার্ভিস লেন সম্ভব নয়। আপাতত জরুরি মেরামতের কাজ চলছে, পাশাপাশি কংক্রিট সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।" ব্যয়-সাশ্রয় বনাম টেকসই উন্নয়ন   স্থানীয়রা বলছেন, মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সড়ক সংস্কার করা হয়েছিল। অথচ এত কম সময়ে পুনরায় দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে পড়ায় প্রশ্ন উঠেছে কাজের মান নিয়ে। তাদের দাবি—দ্রুত টেকসই সংস্কার, অবৈধ যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ এবং পৃথক লেন চালুর ব্যবস্থা ছাড়া এই "মরণফাঁদ" সড়ক থেকে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল