ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

শার্শায় দেড় দশকে ১৬০ হত্যাকাণ্ড, অর্ধেকই আওয়ামী লীগ কর্মী

শার্শায় দেড় দশকে ১৬০ হত্যাকাণ্ড, অর্ধেকই আওয়ামী লীগ কর্মী
শার্শায় দেড় দশকে ১৬০ হত্যাকাণ্ড, অর্ধেকই আওয়ামী লীগ কর্মী যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলায় গত ১৫ বছরে নানা দ্বন্দ্ব ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ১৬০ জন। নিহতদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী এমনকি সাংবাদিকও রয়েছেন। তথ্যমতে, এই সময়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ৭৭ জন, বিএনপির ২৬ জন, সাংবাদিক ১ জন এবং পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মাদকসংশ্লিষ্ট ঘটনায় নারী-পুরুষ-শিশুসহ ৫৬ জন রয়েছেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আর খুনোখুনি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ, ঘাট-বাওড় দখল, গরুর খাটাল ও মাদক কারবারের আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগেরই বহু কর্মী-নেতা খুন হয়েছেন। পাল্টা প্রতিশোধের শিকার হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরাও। কনেদাহ গ্রাম এখন আতঙ্কের নাম। স্থানীয়দের দাবি, কেবল বিএনপি করার কারণেই গত ১৫ বছরে একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ নিহত হন বিএনপি কর্মী মুকুল। এর আগে তার বাবা আব্দুল আজিজ, চাচা নুর ইসলাম মেম্বার ও মুজাম গাজী খুন হন। ২০১৫ সালে দিনের আলোয় গুলি করে হত্যা করা হয় পুটখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেককে। তার ছেলে আহসান হাবিব লিটনের অভিযোগ—বাবার হত্যার বিচার এখনও মেলেনি। অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১০ মে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নিহত হন স্থানীয় নেতা মগর আলী। দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান তার নাতি ইয়াসিন। মগর আলীর স্ত্রী জানান, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ির সামনে মহড়া দিচ্ছে। এতে ভয়ে ছেলেরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তিনি একা ভিটেমাটিতে বসবাস করছেন যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলায় গত ১৫ বছরে নানা দ্বন্দ্ব ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ১৬০ জন। নিহতদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী এমনকি সাংবাদিকও রয়েছেন। তথ্যমতে, এই সময়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ৭৭ জন, বিএনপির ২৬ জন, সাংবাদিক ১ জন এবং পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মাদকসংশ্লিষ্ট ঘটনায় নারী-পুরুষ-শিশুসহ ৫৬ জন রয়েছেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আর খুনোখুনি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ, ঘাট-বাওড় দখল, গরুর খাটাল ও মাদক কারবারের আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগেরই বহু কর্মী-নেতা খুন হয়েছেন। পাল্টা প্রতিশোধের শিকার হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরাও। কনেদাহ গ্রাম এখন আতঙ্কের নাম। স্থানীয়দের দাবি, কেবল বিএনপি করার কারণেই গত ১৫ বছরে একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ নিহত হন বিএনপি কর্মী মুকুল। এর আগে তার বাবা আব্দুল আজিজ, চাচা নুর ইসলাম মেম্বার ও মুজাম গাজী খুন হন। ২০১৫ সালে দিনের আলোয় গুলি করে হত্যা করা হয় পুটখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেককে। তার ছেলে আহসান হাবিব লিটনের অভিযোগ—বাবার হত্যার বিচার এখনও মেলেনি। অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১০ মে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নিহত হন স্থানীয় নেতা মগর আলী। দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান তার নাতি ইয়াসিন। মগর আলীর স্ত্রী জানান, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ির সামনে মহড়া দিচ্ছে। এতে ভয়ে ছেলেরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তিনি একা ভিটেমাটিতে বসবাস করছেন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


শার্শায় দেড় দশকে ১৬০ হত্যাকাণ্ড, অর্ধেকই আওয়ামী লীগ কর্মী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
শার্শায় দেড় দশকে ১৬০ হত্যাকাণ্ড, অর্ধেকই আওয়ামী লীগ কর্মী যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলায় গত ১৫ বছরে নানা দ্বন্দ্ব ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ১৬০ জন। নিহতদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী এমনকি সাংবাদিকও রয়েছেন। তথ্যমতে, এই সময়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ৭৭ জন, বিএনপির ২৬ জন, সাংবাদিক ১ জন এবং পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মাদকসংশ্লিষ্ট ঘটনায় নারী-পুরুষ-শিশুসহ ৫৬ জন রয়েছেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আর খুনোখুনি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ, ঘাট-বাওড় দখল, গরুর খাটাল ও মাদক কারবারের আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগেরই বহু কর্মী-নেতা খুন হয়েছেন। পাল্টা প্রতিশোধের শিকার হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরাও। কনেদাহ গ্রাম এখন আতঙ্কের নাম। স্থানীয়দের দাবি, কেবল বিএনপি করার কারণেই গত ১৫ বছরে একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ নিহত হন বিএনপি কর্মী মুকুল। এর আগে তার বাবা আব্দুল আজিজ, চাচা নুর ইসলাম মেম্বার ও মুজাম গাজী খুন হন। ২০১৫ সালে দিনের আলোয় গুলি করে হত্যা করা হয় পুটখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেককে। তার ছেলে আহসান হাবিব লিটনের অভিযোগ—বাবার হত্যার বিচার এখনও মেলেনি। অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১০ মে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নিহত হন স্থানীয় নেতা মগর আলী। দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান তার নাতি ইয়াসিন। মগর আলীর স্ত্রী জানান, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ির সামনে মহড়া দিচ্ছে। এতে ভয়ে ছেলেরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তিনি একা ভিটেমাটিতে বসবাস করছেন যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলায় গত ১৫ বছরে নানা দ্বন্দ্ব ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ১৬০ জন। নিহতদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী এমনকি সাংবাদিকও রয়েছেন। তথ্যমতে, এই সময়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ৭৭ জন, বিএনপির ২৬ জন, সাংবাদিক ১ জন এবং পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও মাদকসংশ্লিষ্ট ঘটনায় নারী-পুরুষ-শিশুসহ ৫৬ জন রয়েছেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আর খুনোখুনি ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ, ঘাট-বাওড় দখল, গরুর খাটাল ও মাদক কারবারের আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগেরই বহু কর্মী-নেতা খুন হয়েছেন। পাল্টা প্রতিশোধের শিকার হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরাও। কনেদাহ গ্রাম এখন আতঙ্কের নাম। স্থানীয়দের দাবি, কেবল বিএনপি করার কারণেই গত ১৫ বছরে একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ নিহত হন বিএনপি কর্মী মুকুল। এর আগে তার বাবা আব্দুল আজিজ, চাচা নুর ইসলাম মেম্বার ও মুজাম গাজী খুন হন। ২০১৫ সালে দিনের আলোয় গুলি করে হত্যা করা হয় পুটখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেককে। তার ছেলে আহসান হাবিব লিটনের অভিযোগ—বাবার হত্যার বিচার এখনও মেলেনি। অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১০ মে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নিহত হন স্থানীয় নেতা মগর আলী। দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারান তার নাতি ইয়াসিন। মগর আলীর স্ত্রী জানান, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ির সামনে মহড়া দিচ্ছে। এতে ভয়ে ছেলেরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তিনি একা ভিটেমাটিতে বসবাস করছেন

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল