পূজা উপলক্ষে ইলিশের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি,
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ছুটির দিনে রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের ঝাঁজ আবারও ভোক্তাদের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। পূজা উপলক্ষে ইলিশের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, জেলেদের হাত ঘুরে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ভারতে পাচার হচ্ছে। ফলে বড় আকারের ইলিশ বাজারে নেই বললেই চলে।
পাশাপাশি উত্তাপ ছড়িয়েছে পোল্ট্রি বাজারেও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ২০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ টাকায়। সোনালী মুরগি কিছুটা সস্তা হলেও কেজি প্রতি ৩১০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। যদিও ডিমের বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল— লাল ডিম ডজনপ্রতি ১৩০-১৩৫ টাকা, আর সাদা ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বৃষ্টির তেজ কমলেও সবজি এখনো নিম্ন ও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে। একাধিক সবজির দাম দেড়শ টাকার ওপরে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের তীব্র দামের কারণে বাজারে গিয়েই ক্রেতাদের চোখে পানি আসছে। বর্তমানে এটি ২০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো, গাজর, গোল বেগুনের মতো অন্যান্য সবজিও ৭০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে ঘুরপাক খাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আবাদ কম হওয়া এবং পাইকারি-খুচরা বাজারে দামের অমিল এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, এখন মাছের মৌসুম হলেও তার প্রভাব ক্রেতারা টের পাচ্ছেন না। দেশি নদী-খালের মাছ মিললেও দাম অস্বস্তিকরভাবে চড়া। চাষের মাছ কেজিপ্রতি ৪০০-৬০০ টাকায়, আর দেশি নদীর মাছ ৮০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পূজা উপলক্ষে ইলিশের দাম আরও উর্ধ্বমুখী— এক কেজি ওজনের ইলিশের জন্য দিতে হচ্ছে প্রায় ২৭০০-২৮০০ টাকা, আর মাঝারি আকারের ইলিশ কেজিপ্রতি ১৬০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, দেশের বাজারে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ার মূল কারণ সীমান্ত পথে পাচার।
ক্রেতারা বলছেন, মাছ-মাংসের দাম অনেক দিন ধরেই তাদের নাগালের বাইরে। আগে অন্তত সবজি খেয়ে সংসার চালানো যেত, এখন সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাজারে গেলেই সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা আরও বাড়ছে।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন