ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বুধবার, ০১ অক্টোবর ২০২৫

সাগরে ভরা ভরা ইলিশ, আনন্দের মাঝেও দুশ্চিন্তায় জেলেরা

সাগরে ভরা ভরা ইলিশ, আনন্দের মাঝেও দুশ্চিন্তায় জেলেরা
সাগরে ভরা ভরা ইলিশ, আনন্দের মাঝেও দুশ্চিন্তায় জেলেরা গভীর সমুদ্রে উঠছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। মাছের ভালো ধরা পড়ায় জেলেদের চোখেমুখে খুশির ঝিলিক। কিন্তু সেই আনন্দের সাথেই জড়িয়ে আছে শঙ্কা। কারণ, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন দেশের সমুদ্র ও সব নদীতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা এই সময়ে মাছ আহরণ, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও ক্রয়-বিক্রয়ও বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ, জীবিকার একমাত্র ভরসা হারিয়ে পড়তে হবে জেলেদের বেকারত্বের মুখে। সরকারি সহায়তার ঘোষণা থাকলেও প্রকৃত জেলেরা অনেক সময় সেটি পান না—এমন অভিযোগও রয়েছে তাদের। জেলেদের দাবি জেলেরা বলছেন, সাগরে একসময় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন মোটামুটি ভালো মাছ ধরা পড়ছে, ধারদেনা শোধ করে সংসার চালানোর আশা জেগেছে। কিন্তু প্রজনন মৌসুমের কারণে বাধ্য হয়ে জাল গুটাতে হবে। এ সময় ভারতীয় জেলেরা যেন বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে এবং জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য যেন বন্ধ হয়—এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সরকারিভাবে সহায়তা মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশের সব নদ-নদীই ইলিশ প্রজনন মৌসুমের আওতায় এসেছে। পটুয়াখালী জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৮০ হাজার ২০ জন। এর মধ্যে ৬৫ হাজারের বেশি জেলে সরকার থেকে বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২২ দিনের জন্য ২৯ কেজি করে চাল পাবেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কঠোর তদারকির মাধ্যমে এ বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম সফল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জেলেদের কণ্ঠে তাই একসাথে আশা ও হতাশার সুর—মাছের প্রাচুর্যে খুশি হলেও সামনে আসছে অনিশ্চিত দিনগুলোর চিন্তা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


সাগরে ভরা ভরা ইলিশ, আনন্দের মাঝেও দুশ্চিন্তায় জেলেরা

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
সাগরে ভরা ভরা ইলিশ, আনন্দের মাঝেও দুশ্চিন্তায় জেলেরা গভীর সমুদ্রে উঠছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। মাছের ভালো ধরা পড়ায় জেলেদের চোখেমুখে খুশির ঝিলিক। কিন্তু সেই আনন্দের সাথেই জড়িয়ে আছে শঙ্কা। কারণ, ইলিশ প্রজনন মৌসুমে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন দেশের সমুদ্র ও সব নদীতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা এই সময়ে মাছ আহরণ, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও ক্রয়-বিক্রয়ও বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ, জীবিকার একমাত্র ভরসা হারিয়ে পড়তে হবে জেলেদের বেকারত্বের মুখে। সরকারি সহায়তার ঘোষণা থাকলেও প্রকৃত জেলেরা অনেক সময় সেটি পান না—এমন অভিযোগও রয়েছে তাদের। জেলেদের দাবি জেলেরা বলছেন, সাগরে একসময় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মাছ পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন মোটামুটি ভালো মাছ ধরা পড়ছে, ধারদেনা শোধ করে সংসার চালানোর আশা জেগেছে। কিন্তু প্রজনন মৌসুমের কারণে বাধ্য হয়ে জাল গুটাতে হবে। এ সময় ভারতীয় জেলেরা যেন বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে এবং জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য যেন বন্ধ হয়—এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সরকারিভাবে সহায়তা মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশের সব নদ-নদীই ইলিশ প্রজনন মৌসুমের আওতায় এসেছে। পটুয়াখালী জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৮০ হাজার ২০ জন। এর মধ্যে ৬৫ হাজারের বেশি জেলে সরকার থেকে বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২২ দিনের জন্য ২৯ কেজি করে চাল পাবেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কঠোর তদারকির মাধ্যমে এ বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ কার্যক্রম সফল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জেলেদের কণ্ঠে তাই একসাথে আশা ও হতাশার সুর—মাছের প্রাচুর্যে খুশি হলেও সামনে আসছে অনিশ্চিত দিনগুলোর চিন্তা।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল