বিটিভির বিতর্ক মঞ্চ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণাজগতে, অনন্য পথচলায় রেবেকা শাফি
নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) বিতর্ক প্রতিযোগিতায় যুক্তির ধার ও দৃঢ় বক্তব্য দিয়ে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন এক কিশোরী। সেই কিশোরীই আজ যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের গবেষণাজগতে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। তিনি রেবেকা শাফি। পদার্থবিজ্ঞান থেকে ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণা, এরপর মানুষের মস্তিষ্ক ও জিনের রহস্য অনুসন্ধান—তাঁর শিক্ষাজীবন ও গবেষণার যাত্রা অনুপ্রেরণার এক অসাধারণ উদাহরণ।
বাংলাদেশে জন্ম ও বেড়ে ওঠা রেবেকা শাফি নিজের পরিচিতিতে উল্লেখ করেছেন, তিনি একই সময়ে বাংলাদেশের এসএসসি ও এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ও লেভেল ও এ লেভেল সম্পন্ন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা ক্যালটেকে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানে ৪.০০-এর মধ্যে ৪.০০ জিপিএ অর্জন করে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন তিনি।
এরপর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি অর্জন করেন রেবেকা। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ব্ল্যাক হোলের ঘূর্ণনসহ মহাবিশ্বের নানা জটিল প্রশ্ন। তবে মহাকাশের রহস্য অনুসন্ধানেই থেমে থাকেনি তাঁর গবেষণার পথচলা।
পরবর্তী সময়ে তিনি গবেষণার ক্ষেত্র পরিবর্তন করে মানুষের মস্তিষ্ক ও জিনের রহস্য অনুসন্ধানে মনোযোগ দেন। পদার্থবিজ্ঞান থেকে জীববিজ্ঞানের জটিল গবেষণায় তাঁর এই অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে, জ্ঞানচর্চার প্রতি গভীর আগ্রহ ও অধ্যবসায় মানুষকে নতুন নতুন দিগন্তের সন্ধান দিতে পারে।
রেবেকা শাফির এই পথচলা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার গল্প—যেখানে মেধা, যুক্তিবোধ, অধ্যবসায় ও জানার অদম্য আগ্রহ একজন মানুষকে পৌঁছে দিতে পারে বিশ্বমানের গবেষণার পরিসরে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বিটিভির বিতর্ক মঞ্চ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণাজগতে, অনন্য পথচলায় রেবেকা শাফি
নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) বিতর্ক প্রতিযোগিতায় যুক্তির ধার ও দৃঢ় বক্তব্য দিয়ে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন এক কিশোরী। সেই কিশোরীই আজ যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের গবেষণাজগতে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। তিনি রেবেকা শাফি। পদার্থবিজ্ঞান থেকে ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণা, এরপর মানুষের মস্তিষ্ক ও জিনের রহস্য অনুসন্ধান—তাঁর শিক্ষাজীবন ও গবেষণার যাত্রা অনুপ্রেরণার এক অসাধারণ উদাহরণ।
বাংলাদেশে জন্ম ও বেড়ে ওঠা রেবেকা শাফি নিজের পরিচিতিতে উল্লেখ করেছেন, তিনি একই সময়ে বাংলাদেশের এসএসসি ও এইচএসসি এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের ও লেভেল ও এ লেভেল সম্পন্ন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা ক্যালটেকে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানে ৪.০০-এর মধ্যে ৪.০০ জিপিএ অর্জন করে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন তিনি।
এরপর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি অর্জন করেন রেবেকা। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ব্ল্যাক হোলের ঘূর্ণনসহ মহাবিশ্বের নানা জটিল প্রশ্ন। তবে মহাকাশের রহস্য অনুসন্ধানেই থেমে থাকেনি তাঁর গবেষণার পথচলা।
পরবর্তী সময়ে তিনি গবেষণার ক্ষেত্র পরিবর্তন করে মানুষের মস্তিষ্ক ও জিনের রহস্য অনুসন্ধানে মনোযোগ দেন। পদার্থবিজ্ঞান থেকে জীববিজ্ঞানের জটিল গবেষণায় তাঁর এই অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে, জ্ঞানচর্চার প্রতি গভীর আগ্রহ ও অধ্যবসায় মানুষকে নতুন নতুন দিগন্তের সন্ধান দিতে পারে।
রেবেকা শাফির এই পথচলা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার গল্প—যেখানে মেধা, যুক্তিবোধ, অধ্যবসায় ও জানার অদম্য আগ্রহ একজন মানুষকে পৌঁছে দিতে পারে বিশ্বমানের গবেষণার পরিসরে।

আপনার মতামত লিখুন