ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মায়ের চোখের সামনেই মেয়ের ওপর নির্যা'তনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়ে মা'রা গেলেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

মায়ের চোখের সামনেই মেয়ের ওপর নির্যা'তনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়ে মা'রা গেলেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

টঙ্গীতে ৭ বছরের মাদরাসাছাত্রীকে যৌন হে'নস্তার অভিযোগ, আটক ভাইস প্রিন্সিপাল

টঙ্গীতে ৭ বছরের মাদরাসাছাত্রীকে যৌন হে'নস্তার অভিযোগ, আটক ভাইস প্রিন্সিপাল

বেনাপোল-শার্শায় গৃহবধূর মৃ'ত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য, শিক্ষক কবিরের বিরুদ্ধে প্রতা'রণার অভিযোগ

বেনাপোল-শার্শায় গৃহবধূর মৃ'ত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য, শিক্ষক কবিরের বিরুদ্ধে প্রতা'রণার অভিযোগ

২৪ দিন পর সখীপুরের শালবন থেকে নিখোঁজ কিশোর সবুজের দেহাবশেষ উদ্ধার

২৪ দিন পর সখীপুরের শালবন থেকে নিখোঁজ কিশোর সবুজের দেহাবশেষ উদ্ধার

সৌদি আরবে নজরুলের ফাঁ'সি, শোকে রাতেই ফুফুর মৃ'ত্যু! এক 'মৃত্যুদণ্ডে নিভে গেল দুটি প্রাণের গল্প

সৌদি আরবে নজরুলের ফাঁ'সি, শোকে রাতেই ফুফুর মৃ'ত্যু! এক 'মৃত্যুদণ্ডে নিভে গেল দুটি প্রাণের গল্প

মাত্র ৫০০ টাকার বাজি! জীবন্ত শালিক খাওয়ার অভিযোগে জামালপুরে অটোরিকশাচালক আটক

মাত্র ৫০০ টাকার বাজি! জীবন্ত শালিক খাওয়ার অভিযোগে জামালপুরে অটোরিকশাচালক আটক

ধানমন্ডিতে বৃদ্ধকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক আটক, দায়িত্বে অবহেলায় এএসআই প্রত্যাহার

ধানমন্ডিতে বৃদ্ধকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক আটক, দায়িত্বে অবহেলায় এএসআই প্রত্যাহার

গভীর রাতে ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন স্বামী, সকালে মিলল ক্ষ'তবি'ক্ষত মর'দেহ!

গভীর রাতে ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন স্বামী, সকালে মিলল ক্ষ'তবি'ক্ষত মর'দেহ!

৯ দিন আইসিইউতে লড়াই করে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

মায়ের চোখের সামনেই মেয়ের ওপর নির্যা'তনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়ে মা'রা গেলেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

মায়ের চোখের সামনেই মেয়ের ওপর নির্যা'তনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়ে মা'রা গেলেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

মায়ের চোখের সামনেই মেয়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়ে মারা গেলেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন

চট্টগ্রামে উপহারের লোভে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়াই করে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

নিজের মায়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে নির্মম হামলার শিকার হন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন। দীর্ঘ ৯ দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।

বিয়ের পর মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে বাবা-মায়েরা স্বপ্ন দেখেন, তাঁদের মেয়ে নতুন সংসারে সুখে থাকবে। কিন্তু সেই সংসারেই যদি উপহার কিংবা খাবারের পরিমাণ নিয়ে অপমান ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তাহলে সেই কষ্টের দায় নেবে কে?

অভিযোগ অনুযায়ী, চট্টগ্রামে সিফাতুনের শ্বশুরবাড়িতে তাঁর মা মেয়েকে নিজের হাতে তৈরি নাস্তা খাওয়াতে গিয়েছিলেন। কিন্তু নাস্তার পরিমাণ কম হওয়ার অভিযোগ তুলে সিফাতুনের মা রিজিয়া বেগমের হাতে নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে। মেয়ের সামনেই নিজের মায়ের ওপর এমন নির্যাতন সহ্য করতে পারেননি সিফাতুন।

তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েও মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান তিনি। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তাঁর ননদসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা তাঁর ওপর হামলা চালান। চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে মারধরসহ তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সিফাতুনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। টানা ৯ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর এই মৃত্যুতে পরিবার হারিয়েছে প্রিয় একজন মানুষকে, আর তাঁর মা হারিয়েছেন নিজের চোখের সামনে বড় করে তোলা আদরের মেয়েকে।

একটি নাস্তার পরিমাণ, কিছু উপহার কিংবা সংসারের ছোটখাটো বিষয়—কোনোটিই একজন মানুষের ওপর নির্যাতন চালানোর অজুহাত হতে পারে না। বিয়ে মানে কোনো মেয়েকে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে তার নিরাপত্তার দায় শেষ করে দেওয়া নয়। একজন নারীও সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রাখেন।

এখন প্রয়োজন সিফাতুনের মৃত্যুর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আর কত নারীর জীবন ঝরে গেলে সমাজ বুঝবে—মেয়ে কোনো বোঝা নয়, কোনো উপহারের বিনিময়ে কেনা মানুষও নয়?

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


মায়ের চোখের সামনেই মেয়ের ওপর নির্যা'তনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়ে মা'রা গেলেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মায়ের চোখের সামনেই মেয়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়ে মারা গেলেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন

চট্টগ্রামে উপহারের লোভে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ, ৯ দিন আইসিইউতে লড়াই করে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন!

নিজের মায়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে নির্মম হামলার শিকার হন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা সিফাতুন। দীর্ঘ ৯ দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।

বিয়ের পর মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে বাবা-মায়েরা স্বপ্ন দেখেন, তাঁদের মেয়ে নতুন সংসারে সুখে থাকবে। কিন্তু সেই সংসারেই যদি উপহার কিংবা খাবারের পরিমাণ নিয়ে অপমান ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তাহলে সেই কষ্টের দায় নেবে কে?

অভিযোগ অনুযায়ী, চট্টগ্রামে সিফাতুনের শ্বশুরবাড়িতে তাঁর মা মেয়েকে নিজের হাতে তৈরি নাস্তা খাওয়াতে গিয়েছিলেন। কিন্তু নাস্তার পরিমাণ কম হওয়ার অভিযোগ তুলে সিফাতুনের মা রিজিয়া বেগমের হাতে নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে। মেয়ের সামনেই নিজের মায়ের ওপর এমন নির্যাতন সহ্য করতে পারেননি সিফাতুন।

তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েও মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান তিনি। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তাঁর ননদসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা তাঁর ওপর হামলা চালান। চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে মারধরসহ তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সিফাতুনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। টানা ৯ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর এই মৃত্যুতে পরিবার হারিয়েছে প্রিয় একজন মানুষকে, আর তাঁর মা হারিয়েছেন নিজের চোখের সামনে বড় করে তোলা আদরের মেয়েকে।

একটি নাস্তার পরিমাণ, কিছু উপহার কিংবা সংসারের ছোটখাটো বিষয়—কোনোটিই একজন মানুষের ওপর নির্যাতন চালানোর অজুহাত হতে পারে না। বিয়ে মানে কোনো মেয়েকে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে তার নিরাপত্তার দায় শেষ করে দেওয়া নয়। একজন নারীও সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রাখেন।

এখন প্রয়োজন সিফাতুনের মৃত্যুর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আর কত নারীর জীবন ঝরে গেলে সমাজ বুঝবে—মেয়ে কোনো বোঝা নয়, কোনো উপহারের বিনিময়ে কেনা মানুষও নয়?



ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল