ধানমন্ডিতে বৃদ্ধকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক আটক, দায়িত্বে অবহেলায় এএসআই প্রত্যাহার
রাজধানীর ধানমন্ডিতে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক প্রবীণ ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত খালিদ হাসানকে আটক করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ধানমন্ডি থানার এএসআই আবদুল হাইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সম্প্রতি ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়কে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজনের উপস্থিতিতে ওই ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছে। এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিও দেখা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৪৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলেন তরুণী ও তাঁর স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তরুণীর এক স্বজন ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন।
তবে মারধরের সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি এবং তাঁদের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীলতা নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়।
এরপর বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির মীনা বাজার এলাকা থেকে ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত খালিদ হাসানকে (৩৫) আটক করা হয়। আটকের পর তাঁকে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, জননিরাপত্তা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে ধানমন্ডি থানার এএসআই আবদুল হাইকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। শ্লীলতাহানির অভিযোগের যথাযথ তদন্তের পাশাপাশি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং ঘটনাস্থলে পুলিশের ভূমিকা—দুই বিষয়েই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ধানমন্ডিতে বৃদ্ধকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক আটক, দায়িত্বে অবহেলায় এএসআই প্রত্যাহার
রাজধানীর ধানমন্ডিতে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এক প্রবীণ ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত খালিদ হাসানকে আটক করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ধানমন্ডি থানার এএসআই আবদুল হাইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সম্প্রতি ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়কে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজনের উপস্থিতিতে ওই ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছে। এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিও দেখা যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৪৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলেন তরুণী ও তাঁর স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তরুণীর এক স্বজন ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন।
তবে মারধরের সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি এবং তাঁদের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বশীলতা নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়।
এরপর বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির মীনা বাজার এলাকা থেকে ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত খালিদ হাসানকে (৩৫) আটক করা হয়। আটকের পর তাঁকে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, জননিরাপত্তা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে ধানমন্ডি থানার এএসআই আবদুল হাইকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। শ্লীলতাহানির অভিযোগের যথাযথ তদন্তের পাশাপাশি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং ঘটনাস্থলে পুলিশের ভূমিকা—দুই বিষয়েই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন