মাত্র ৫০০ টাকার বাজি! জীবন্ত শালিক খাওয়ার অভিযোগে জামালপুরে অটোরিকশাচালক আটক
জামালপুরের মাদারগঞ্জে মাত্র ৫০০ টাকার বাজি ধরে জীবন্ত শালিক পাখি খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ঘিরে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারগঞ্জ উপজেলার কোয়ালিগন্দি বাজারে সাদুল্লাহ (৫৭) নামের এক অটোরিকশাচালক ৫০০ টাকার বাজি ধরে একটি জীবন্ত শালিক পাখি খেয়ে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পাখিটির পা ও ডানা মুচড়ে ছিঁড়ে খাওয়ার মতো নিষ্ঠুর আচরণ করার দৃশ্যও ভিডিওতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিনোদন কিংবা বাজি জেতার জন্য একটি প্রাণীর প্রতি এমন নিষ্ঠুর আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।
এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে পুলিশ সাদুল্লাহকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা বলছেন, বন্যপ্রাণী ধরা, হত্যা বা নির্যাতনের ঘটনা আইনগত অপরাধের আওতায় পড়তে পারে। তাই সামান্য অর্থের বাজি জেতার জন্য কোনো প্রাণীর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা শুধু অমানবিকই নয়, আইনগতভাবেও গুরুতর বিষয়।
মাত্র ৫০০ টাকার জন্য একটি নিরীহ প্রাণীর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা—এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সচেতন মানুষ।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
মাত্র ৫০০ টাকার বাজি! জীবন্ত শালিক খাওয়ার অভিযোগে জামালপুরে অটোরিকশাচালক আটক
জামালপুরের মাদারগঞ্জে মাত্র ৫০০ টাকার বাজি ধরে জীবন্ত শালিক পাখি খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ঘিরে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারগঞ্জ উপজেলার কোয়ালিগন্দি বাজারে সাদুল্লাহ (৫৭) নামের এক অটোরিকশাচালক ৫০০ টাকার বাজি ধরে একটি জীবন্ত শালিক পাখি খেয়ে ফেলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পাখিটির পা ও ডানা মুচড়ে ছিঁড়ে খাওয়ার মতো নিষ্ঠুর আচরণ করার দৃশ্যও ভিডিওতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিনোদন কিংবা বাজি জেতার জন্য একটি প্রাণীর প্রতি এমন নিষ্ঠুর আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।
এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে পুলিশ সাদুল্লাহকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা বলছেন, বন্যপ্রাণী ধরা, হত্যা বা নির্যাতনের ঘটনা আইনগত অপরাধের আওতায় পড়তে পারে। তাই সামান্য অর্থের বাজি জেতার জন্য কোনো প্রাণীর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা শুধু অমানবিকই নয়, আইনগতভাবেও গুরুতর বিষয়।
মাত্র ৫০০ টাকার জন্য একটি নিরীহ প্রাণীর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা—এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সচেতন মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন