বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ! প্রেমিকের বাড়ির সামনে প্রবাসী নারীর অনশন
নাটোরের লালপুরে বিয়ের আশ্বাসে অর্থ ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ এক যুবকের বিরুদ্ধে। পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, প্রবাসে থাকাকালে ফেসবুকের মাধ্যমে ওই যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দেশে ফেরার পর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা, বিকাশসহ নানা মাধ্যমে তাঁর কাছ থেকে মোট ১২ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এ ছাড়া সোনার আংটি, কানের দুল, গলার হার, রুপার নুপুরসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রীও দেওয়ার দাবি করেছেন তিনি।
ওই নারীর অভিযোগ, দীর্ঘ পাঁচ বছর সম্পর্ক থাকার পর হঠাৎ করেই যুবক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ফোন নম্বর ব্লক করে দেওয়ায় নিরুপায় হয়ে তিনি প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, পাওনা অর্থের সুরাহা ও ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে সরবেন না।
ঘটনাটি নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুর এলাকার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবক বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ! প্রেমিকের বাড়ির সামনে প্রবাসী নারীর অনশন
নাটোরের লালপুরে বিয়ের আশ্বাসে অর্থ ও স্বর্ণালংকার নেওয়ার অভিযোগ এক যুবকের বিরুদ্ধে। পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, প্রবাসে থাকাকালে ফেসবুকের মাধ্যমে ওই যুবকের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দেশে ফেরার পর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা, বিকাশসহ নানা মাধ্যমে তাঁর কাছ থেকে মোট ১২ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এ ছাড়া সোনার আংটি, কানের দুল, গলার হার, রুপার নুপুরসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রীও দেওয়ার দাবি করেছেন তিনি।
ওই নারীর অভিযোগ, দীর্ঘ পাঁচ বছর সম্পর্ক থাকার পর হঠাৎ করেই যুবক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ফোন নম্বর ব্লক করে দেওয়ায় নিরুপায় হয়ে তিনি প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, পাওনা অর্থের সুরাহা ও ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে সরবেন না।
ঘটনাটি নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুর এলাকার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবক বা তাঁর পরিবারের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন