কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই শেষ হলো ১৮ বছরের ফয়সালের জীবন, বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল তরুণ প্রাণ
পড়াশোনা আর নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার বয়সেই সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল কুমিল্লার ১৮ বছর বয়সী তরুণ ফয়সালকে। প্রবাসে থাকা বাবা নিয়মিত টাকা পাঠাতে না পারায় কাপড়ের দোকানে কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি। কিন্তু পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এই তরুণ।
গত ১২ অক্টোবর কুমিল্লার দেবিদ্বারে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ফয়সালের।
যে বয়সে তাঁর পড়াশোনা, স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সেই বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছিল তাঁকে। তাঁর এই অকালমৃত্যুতে পরিবার হারাল তাদের প্রিয় সন্তানকে, আর থেমে গেল একটি সম্ভাবনাময় জীবনের পথচলা।
সড়কে বেপরোয়া গতি, চালকের অসতর্কতা এবং যানবাহনের ফিটনেসসংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি দীর্ঘদিনের। আর কত প্রাণ ঝরে গেলে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এ প্রশ্ন থেকেই যায়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন সচেতন মানুষ। ফয়সালের মতো আর কোনো তরুণ যেন অকালে প্রাণ না হারায়, নিরাপদ হোক প্রতিটি মানুষের পথচলা।
শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। মহান আল্লাহ তাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করুন। আমিন। ????

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই শেষ হলো ১৮ বছরের ফয়সালের জীবন, বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল তরুণ প্রাণ
পড়াশোনা আর নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার বয়সেই সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল কুমিল্লার ১৮ বছর বয়সী তরুণ ফয়সালকে। প্রবাসে থাকা বাবা নিয়মিত টাকা পাঠাতে না পারায় কাপড়ের দোকানে কাজ করে সংসার চালাতেন তিনি। কিন্তু পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এই তরুণ।
গত ১২ অক্টোবর কুমিল্লার দেবিদ্বারে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ফয়সালের।
যে বয়সে তাঁর পড়াশোনা, স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সেই বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছিল তাঁকে। তাঁর এই অকালমৃত্যুতে পরিবার হারাল তাদের প্রিয় সন্তানকে, আর থেমে গেল একটি সম্ভাবনাময় জীবনের পথচলা।
সড়কে বেপরোয়া গতি, চালকের অসতর্কতা এবং যানবাহনের ফিটনেসসংক্রান্ত অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি দীর্ঘদিনের। আর কত প্রাণ ঝরে গেলে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এ প্রশ্ন থেকেই যায়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন সচেতন মানুষ। ফয়সালের মতো আর কোনো তরুণ যেন অকালে প্রাণ না হারায়, নিরাপদ হোক প্রতিটি মানুষের পথচলা।
শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। মহান আল্লাহ তাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করুন। আমিন। ????

আপনার মতামত লিখুন