স্কুলব্যাগের বদলে সঙ্গে স্বর্ণালংকার ও টাকা! পালানোর সময় আটক স্কুলশিক্ষার্থীরা
স্কুলব্যাগের বদলে সঙ্গে স্বর্ণালংকার ও টাকা, পালানোর সময় আটক স্কুলশিক্ষার্থীরা!
নিজের ঘর থেকেই টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালানোর চেষ্টা, গন্তব্য খুলনা! স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের এমন ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুল ড্রেস পরা কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ভিডিওতে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী হীরামনি ও তার কয়েকজন সহপাঠীর কথা উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে খুলনার দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। সেখানে বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকার উদ্দেশ্য ছিল তাদের।
পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় তাদের আটক বা উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনাটির বিস্তারিত ও সংশ্লিষ্ট তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এই ঘটনা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে অভিভাবকদের। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, অনলাইনে কী দেখছে, কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে—এসব বিষয়ে খোঁজ রাখা জরুরি। শুধু শাসন নয়, সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং তার মনের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন হলো, কোমলমতি বয়সেই কেন সন্তানদের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে? এর পেছনের কারণ জানতে প্রয়োজন সঠিক অনুসন্ধান, পারিবারিক সচেতনতা ও শিশুদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ।
অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ—সন্তানকে সময় দিন, তার কথা শুনুন এবং ভালোবাসা ও সচেতনতার মাধ্যমে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করুন।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
স্কুলব্যাগের বদলে সঙ্গে স্বর্ণালংকার ও টাকা! পালানোর সময় আটক স্কুলশিক্ষার্থীরা
স্কুলব্যাগের বদলে সঙ্গে স্বর্ণালংকার ও টাকা, পালানোর সময় আটক স্কুলশিক্ষার্থীরা!
নিজের ঘর থেকেই টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালানোর চেষ্টা, গন্তব্য খুলনা! স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের এমন ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুল ড্রেস পরা কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ভিডিওতে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী হীরামনি ও তার কয়েকজন সহপাঠীর কথা উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে খুলনার দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। সেখানে বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকার উদ্দেশ্য ছিল তাদের।
পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় তাদের আটক বা উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনাটির বিস্তারিত ও সংশ্লিষ্ট তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এই ঘটনা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে অভিভাবকদের। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, অনলাইনে কী দেখছে, কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে—এসব বিষয়ে খোঁজ রাখা জরুরি। শুধু শাসন নয়, সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং তার মনের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন হলো, কোমলমতি বয়সেই কেন সন্তানদের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে? এর পেছনের কারণ জানতে প্রয়োজন সঠিক অনুসন্ধান, পারিবারিক সচেতনতা ও শিশুদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ।
অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ—সন্তানকে সময় দিন, তার কথা শুনুন এবং ভালোবাসা ও সচেতনতার মাধ্যমে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করুন।

আপনার মতামত লিখুন