স্বামীকে বিদেশে পাঠাতে ১২ লাখ টাকা খরচ, এখন অন্যের বাড়িতে আশ্রয় অসহায় স্ত্রীর!
স্বামীকে বিদেশে পাঠিয়ে সুখের সংসার গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এক নারী। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে নিজের জীবনের ১০ বছরের কষ্টার্জিত সঞ্চয় ১২ লাখ টাকা তুলে দিয়েছিলেন এক দালালের হাতে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আজ সেই স্বামীই বিদেশে দালালদের হাতে জিম্মি, আর দেশে নিঃস্ব হয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটছে স্ত্রীর।
জানা যায়, ওই নারী টানা ১০ বছর প্রবাসে থেকে কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ সঞ্চয় করেন। তাঁর আশা ছিল, স্বামীকেও বিদেশে পাঠাতে পারলে পরিবারের আর্থিক সংকট দূর হবে এবং দুজন মিলে সুন্দর একটি সংসার গড়ে তুলতে পারবেন। সেই আশায় নিজের জমানো সব টাকা দিয়ে স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিনি।
তবে বিদেশে যাওয়ার পর পরিস্থিতি তাঁর প্রত্যাশার বিপরীত হয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। নারীর দাবি, কুমিল্লার এক দালালের মাধ্যমে স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর পর তিনি জানতে পারেন, তাঁর স্বামী সেখানে দালালদের হাতে জিম্মি রয়েছেন। স্বামীকে মুক্ত করতে এখন আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, নিজের ১০ বছরের উপার্জনের পুরো অর্থ ব্যয় করে ফেলায় নতুন করে টাকা জোগাড় করার সামর্থ্য নেই ওই নারীর। স্বামীকে মুক্ত করার চিন্তার পাশাপাশি নিজের থাকার জায়গা নিয়েও চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, নিজের বাপের বাড়ি কিংবা নিজস্ব ঘরে আশ্রয় না পেয়ে বর্তমানে অন্যের বাড়িতে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।
যে নারী পরিবারের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার আশায় নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে বছরের পর বছর প্রবাসে পরিশ্রম করেছেন, আজ তাঁর এমন অসহায় অবস্থার খবর সত্যিই হৃদয়বিদারক।
এ ঘটনায় দালালের মাধ্যমে বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণার অভিযোগ, আর্থিক নিরাপত্তা এবং প্রবাসীদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ঘটনার বিস্তারিত, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
আপনার মতামত কী? একজন নারী পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়তে নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার পর এমন পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব কার? মন্তব্যে আপনার মতামত জানান

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
স্বামীকে বিদেশে পাঠাতে ১২ লাখ টাকা খরচ, এখন অন্যের বাড়িতে আশ্রয় অসহায় স্ত্রীর!
স্বামীকে বিদেশে পাঠিয়ে সুখের সংসার গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এক নারী। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে নিজের জীবনের ১০ বছরের কষ্টার্জিত সঞ্চয় ১২ লাখ টাকা তুলে দিয়েছিলেন এক দালালের হাতে। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আজ সেই স্বামীই বিদেশে দালালদের হাতে জিম্মি, আর দেশে নিঃস্ব হয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটছে স্ত্রীর।
জানা যায়, ওই নারী টানা ১০ বছর প্রবাসে থেকে কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ সঞ্চয় করেন। তাঁর আশা ছিল, স্বামীকেও বিদেশে পাঠাতে পারলে পরিবারের আর্থিক সংকট দূর হবে এবং দুজন মিলে সুন্দর একটি সংসার গড়ে তুলতে পারবেন। সেই আশায় নিজের জমানো সব টাকা দিয়ে স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিনি।
তবে বিদেশে যাওয়ার পর পরিস্থিতি তাঁর প্রত্যাশার বিপরীত হয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। নারীর দাবি, কুমিল্লার এক দালালের মাধ্যমে স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর পর তিনি জানতে পারেন, তাঁর স্বামী সেখানে দালালদের হাতে জিম্মি রয়েছেন। স্বামীকে মুক্ত করতে এখন আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, নিজের ১০ বছরের উপার্জনের পুরো অর্থ ব্যয় করে ফেলায় নতুন করে টাকা জোগাড় করার সামর্থ্য নেই ওই নারীর। স্বামীকে মুক্ত করার চিন্তার পাশাপাশি নিজের থাকার জায়গা নিয়েও চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, নিজের বাপের বাড়ি কিংবা নিজস্ব ঘরে আশ্রয় না পেয়ে বর্তমানে অন্যের বাড়িতে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।
যে নারী পরিবারের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার আশায় নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে বছরের পর বছর প্রবাসে পরিশ্রম করেছেন, আজ তাঁর এমন অসহায় অবস্থার খবর সত্যিই হৃদয়বিদারক।
এ ঘটনায় দালালের মাধ্যমে বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণার অভিযোগ, আর্থিক নিরাপত্তা এবং প্রবাসীদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ঘটনার বিস্তারিত, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
আপনার মতামত কী? একজন নারী পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়তে নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার পর এমন পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব কার? মন্তব্যে আপনার মতামত জানান

আপনার মতামত লিখুন