বুয়েট থেকে আন্তর্জাতিক গবেষণাঙ্গনে সাইদুর রহমান, গুগল স্কলারে ৯২ হাজারের বেশি সাইটেশন
ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে যাত্রা শুরু করে আন্তর্জাতিক গবেষণাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যানোম্যাটেরিয়াল, তাপ স্থানান্তর ও শক্তি প্রযুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের গবেষণায় তাঁর কাজ বিশ্বজুড়ে গবেষকদের নজর কেড়েছে।
বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইশড রিসার্চ প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। একই সঙ্গে ন্যানোম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজি বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান হিসেবেও কাজ করছেন।
১৯৯৭ সালে বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন সাইদুর রহমান। এরপর মালয়েশিয়ার মালয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০১ সালে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর এবং ২০০৮ সালে জ্বালানি বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করেন।
সৌরশক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যানোফ্লুইড, তাপ স্থানান্তর, শক্তি সাশ্রয় এবং উন্নত ন্যানোম্যাটেরিয়াল নিয়ে তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য গবেষণা। গ্রাফিন, কার্বন ন্যানোটিউব ও ম্যাক্সিনের মতো আধুনিক ন্যানোম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও তাপ স্থানান্তরের দক্ষতা বাড়ানো নিয়েও কাজ করছেন তিনি।
গবেষণার প্রভাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক সাইটেশন। বর্তমানে গুগল স্কলারে অধ্যাপক সাইদুর রহমানের মোট সাইটেশন ৯২ হাজার ৩১৮টি। তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যাও ৮০০ থেকে ৯০০টির বেশি বলে বিভিন্ন একাডেমিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সৌদি আরবের কিং ফাহদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলসের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রেও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
বাংলাদেশের সঙ্গেও তাঁর একাডেমিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে আয়োজিত একটি সেমিনারে অংশ নিয়ে গবেষণা, প্রকাশনা, উচ্চশিক্ষা ও একবিংশ শতাব্দীর প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন তিনি।
বুয়েটের একজন শিক্ষার্থী থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষক—অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের এই দীর্ঘ পথচলায় ৯২ হাজারের বেশি সাইটেশন তাঁর গবেষণার বৈশ্বিক প্রভাবের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বুয়েট থেকে আন্তর্জাতিক গবেষণাঙ্গনে সাইদুর রহমান, গুগল স্কলারে ৯২ হাজারের বেশি সাইটেশন
ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে যাত্রা শুরু করে আন্তর্জাতিক গবেষণাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যানোম্যাটেরিয়াল, তাপ স্থানান্তর ও শক্তি প্রযুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের গবেষণায় তাঁর কাজ বিশ্বজুড়ে গবেষকদের নজর কেড়েছে।
বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইশড রিসার্চ প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। একই সঙ্গে ন্যানোম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজি বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান হিসেবেও কাজ করছেন।
১৯৯৭ সালে বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন সাইদুর রহমান। এরপর মালয়েশিয়ার মালয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০১ সালে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর এবং ২০০৮ সালে জ্বালানি বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করেন।
সৌরশক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যানোফ্লুইড, তাপ স্থানান্তর, শক্তি সাশ্রয় এবং উন্নত ন্যানোম্যাটেরিয়াল নিয়ে তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য গবেষণা। গ্রাফিন, কার্বন ন্যানোটিউব ও ম্যাক্সিনের মতো আধুনিক ন্যানোম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও তাপ স্থানান্তরের দক্ষতা বাড়ানো নিয়েও কাজ করছেন তিনি।
গবেষণার প্রভাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক সাইটেশন। বর্তমানে গুগল স্কলারে অধ্যাপক সাইদুর রহমানের মোট সাইটেশন ৯২ হাজার ৩১৮টি। তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যাও ৮০০ থেকে ৯০০টির বেশি বলে বিভিন্ন একাডেমিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
মালয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সৌদি আরবের কিং ফাহদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলসের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্রেও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
বাংলাদেশের সঙ্গেও তাঁর একাডেমিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগে আয়োজিত একটি সেমিনারে অংশ নিয়ে গবেষণা, প্রকাশনা, উচ্চশিক্ষা ও একবিংশ শতাব্দীর প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন তিনি।
বুয়েটের একজন শিক্ষার্থী থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গবেষক—অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের এই দীর্ঘ পথচলায় ৯২ হাজারের বেশি সাইটেশন তাঁর গবেষণার বৈশ্বিক প্রভাবের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

আপনার মতামত লিখুন