—টাকার অভাবে বন্ধ চিকিৎসা, হৃদরোগে আক্রান্ত আড়াই বছরের তাওসিফ
“বাবা, আমাকে বাঁচাও”—টাকার অভাবে বন্ধ আড়াই বছরের তাওসিফের চিকিৎসা
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত আড়াই বছরের শিশু তাওসিফ। যে বয়সে মায়ের কোলে বসে হাসি-খেলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই গুরুতর হৃদরোগ নিয়ে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ছোট্ট শিশুটি। অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা এখন বন্ধ হওয়ার পথে।
তাওসিফ গোপালপুরের বাসিন্দা ভ্যানচালক মুকুল মিয়া ও আসমা বেগম দম্পতির একমাত্র সন্তান। দরিদ্র পরিবারের এই শিশুটির হৃদয়ে ছিদ্র রয়েছে বলে জানা গেছে। তাকে সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৭ লাখ টাকা।
কিন্তু ভ্যান চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালানো বাবা মুকুল মিয়ার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। সন্তানের চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে পরিবারের সঞ্চিত অর্থ ও সামর্থ্যের প্রায় সবটুকুই ব্যয় হয়ে গেছে। নিজেদের কোনো জমিজমাও নেই। অন্যের বাড়িতে বসবাস করা পরিবারটির দিন কাটছে চরম কষ্টে; কখনো কখনো না খেয়েও থাকতে হচ্ছে তাদের।
অর্থের অভাবে বর্তমানে তাওসিফের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। একমাত্র সন্তানকে সুস্থ করে ঘরে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন দেখছেন অসহায় বাবা-মা। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা না হলে সেই স্বপ্ন ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
তাওসিফের পরিবারের পক্ষে ৭ লাখ টাকা হয়তো বিশাল একটি অঙ্ক। তবে সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ ও মানবিক হৃদয়ের মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় এই অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হতে পারে।
একজনের ১০০ টাকা, আরেকজনের ৫০০ কিংবা ১ হাজার টাকা—ছোট ছোট সহযোগিতাই হয়ে উঠতে পারে তাওসিফের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার বড় অবলম্বন।
ছোট্ট তাওসিফকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তার অসহায় বাবা-মা। আপনার একটি সহযোগিতা কিংবা এই খবরটি একটি শেয়ার পৌঁছে দিতে পারে এমন কারও কাছে, যিনি তাওসিফের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন।
মানবিকতার জায়গা থেকে ছোট্ট তাওসিফের পাশে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
—টাকার অভাবে বন্ধ চিকিৎসা, হৃদরোগে আক্রান্ত আড়াই বছরের তাওসিফ
“বাবা, আমাকে বাঁচাও”—টাকার অভাবে বন্ধ আড়াই বছরের তাওসিফের চিকিৎসা
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত আড়াই বছরের শিশু তাওসিফ। যে বয়সে মায়ের কোলে বসে হাসি-খেলায় মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই গুরুতর হৃদরোগ নিয়ে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ছোট্ট শিশুটি। অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা এখন বন্ধ হওয়ার পথে।
তাওসিফ গোপালপুরের বাসিন্দা ভ্যানচালক মুকুল মিয়া ও আসমা বেগম দম্পতির একমাত্র সন্তান। দরিদ্র পরিবারের এই শিশুটির হৃদয়ে ছিদ্র রয়েছে বলে জানা গেছে। তাকে সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৭ লাখ টাকা।
কিন্তু ভ্যান চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালানো বাবা মুকুল মিয়ার পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। সন্তানের চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে পরিবারের সঞ্চিত অর্থ ও সামর্থ্যের প্রায় সবটুকুই ব্যয় হয়ে গেছে। নিজেদের কোনো জমিজমাও নেই। অন্যের বাড়িতে বসবাস করা পরিবারটির দিন কাটছে চরম কষ্টে; কখনো কখনো না খেয়েও থাকতে হচ্ছে তাদের।
অর্থের অভাবে বর্তমানে তাওসিফের চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। একমাত্র সন্তানকে সুস্থ করে ঘরে ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন দেখছেন অসহায় বাবা-মা। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা না হলে সেই স্বপ্ন ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
তাওসিফের পরিবারের পক্ষে ৭ লাখ টাকা হয়তো বিশাল একটি অঙ্ক। তবে সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ ও মানবিক হৃদয়ের মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় এই অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হতে পারে।
একজনের ১০০ টাকা, আরেকজনের ৫০০ কিংবা ১ হাজার টাকা—ছোট ছোট সহযোগিতাই হয়ে উঠতে পারে তাওসিফের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার বড় অবলম্বন।
ছোট্ট তাওসিফকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তার অসহায় বাবা-মা। আপনার একটি সহযোগিতা কিংবা এই খবরটি একটি শেয়ার পৌঁছে দিতে পারে এমন কারও কাছে, যিনি তাওসিফের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন।
মানবিকতার জায়গা থেকে ছোট্ট তাওসিফের পাশে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন