ইচ্ছাশক্তির জয়! এক পায়ে লাফিয়ে স্কুলে যাওয়া ভাইরাল রাগিণী পেল নতুন সাইকেল
প্রতিবন্ধকতা নয়, অদম্য ইচ্ছাশক্তিই রাগিণীর সবচেয়ে বড় শক্তি। মাত্র ৬ মাস বয়সে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় একটি পা হারিয়েছিল ৭ বছরের ছোট্ট রাগিণী। কিন্তু শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা তার পড়াশোনার স্বপ্নকে থামাতে পারেনি।
প্রতিদিন এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে প্রায় ৪০০ মিটার ভাঙাচোরা রাস্তা পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেত সে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের বলিয়া জেলার মনিয়ার ব্লকের দিঘেদা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী রাগিণীর এই সংগ্রামের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
দিনমজুর বাবার পক্ষে মেয়ের জন্য একটি ট্রাইসাইকেল কিংবা কৃত্রিম পা কিনে দেওয়া সম্ভব ছিল না। তাই স্কুলে যাতায়াতের কষ্টের কথা জানিয়ে জেলাশাসকের (DM) কাছে একটি সাইকেলের জন্য আকুল আবেদন করেছিল ছোট্ট রাগিণী।
তার সেই আবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে বলিয়া জেলা প্রশাসনের। এরপর দ্রুত রাগিণীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় একটি নতুন ট্রাইসাইকেল।
শুধু তাই নয়, রাগিণী যাতে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারে, সে জন্য তাকে একটি কৃত্রিম পা দেওয়ার উদ্যোগও নিয়েছে প্রশাসন।
এখন নতুন সাইকেলে চড়ে হাসিমুখে স্কুলে যাচ্ছে রাগিণী। তার অদম্য সাহস ও পড়াশোনার প্রতি ভালোবাসা আবারও মনে করিয়ে দিল—ইচ্ছাশক্তি থাকলে শারীরিক সীমাবদ্ধতাও স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। ❤️

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইচ্ছাশক্তির জয়! এক পায়ে লাফিয়ে স্কুলে যাওয়া ভাইরাল রাগিণী পেল নতুন সাইকেল
প্রতিবন্ধকতা নয়, অদম্য ইচ্ছাশক্তিই রাগিণীর সবচেয়ে বড় শক্তি। মাত্র ৬ মাস বয়সে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় একটি পা হারিয়েছিল ৭ বছরের ছোট্ট রাগিণী। কিন্তু শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা তার পড়াশোনার স্বপ্নকে থামাতে পারেনি।
প্রতিদিন এক পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে প্রায় ৪০০ মিটার ভাঙাচোরা রাস্তা পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেত সে। ভারতের উত্তরপ্রদেশের বলিয়া জেলার মনিয়ার ব্লকের দিঘেদা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী রাগিণীর এই সংগ্রামের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
দিনমজুর বাবার পক্ষে মেয়ের জন্য একটি ট্রাইসাইকেল কিংবা কৃত্রিম পা কিনে দেওয়া সম্ভব ছিল না। তাই স্কুলে যাতায়াতের কষ্টের কথা জানিয়ে জেলাশাসকের (DM) কাছে একটি সাইকেলের জন্য আকুল আবেদন করেছিল ছোট্ট রাগিণী।
তার সেই আবেদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে বলিয়া জেলা প্রশাসনের। এরপর দ্রুত রাগিণীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় একটি নতুন ট্রাইসাইকেল।
শুধু তাই নয়, রাগিণী যাতে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারে, সে জন্য তাকে একটি কৃত্রিম পা দেওয়ার উদ্যোগও নিয়েছে প্রশাসন।
এখন নতুন সাইকেলে চড়ে হাসিমুখে স্কুলে যাচ্ছে রাগিণী। তার অদম্য সাহস ও পড়াশোনার প্রতি ভালোবাসা আবারও মনে করিয়ে দিল—ইচ্ছাশক্তি থাকলে শারীরিক সীমাবদ্ধতাও স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। ❤️

আপনার মতামত লিখুন