মায়ের মুখে খাবার তুলে দিতে গাছের ছাল ছাড়ান অন্ধ মোখলেস
ছেলে বড় হয়েছে, নিজের মতো করে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দরজায় দাঁড়িয়ে পেছন থেকে ছেলের দিকে তাকিয়ে থাকেন মা। ছেলেটি ঠিকমতো পথ চলছে তো? কোথাও পড়ে যাচ্ছে না তো? কোনো দুর্ঘটনা ঘটছে না তো—এমন দুশ্চিন্তা যেন মায়ের চোখে সবসময়ই লেগে থাকে।
কারণ, ছেলে মোখলেস চোখে দেখতে পান না।
জীবনযুদ্ধে অসহায়ত্বকে সঙ্গী করেও থেমে নেই মোখলেস। মায়ের মুখে দুবেলা খাবার তুলে দিতে তিনি গাছের ছাল ছাড়িয়ে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেন। নিজের চোখে পৃথিবী দেখতে না পেলেও মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্নে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।
মায়ের প্রতি সন্তানের এই ভালোবাসা যেমন হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তেমনি ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে মায়ের দুশ্চিন্তাও মনে করিয়ে দেয়—সন্তান যত বড়ই হোক, মায়ের চোখে সে সবসময়ই ছোট।
অন্ধ মোখলেসের জীবনসংগ্রাম আর মায়ের মমতার এই গল্প যেন আমাদের সমাজের অসংখ্য অসহায় মানুষের বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। একটু সহমর্মিতা, সহযোগিতা আর মানবিক হাত বাড়িয়ে দিলেই হয়তো বদলে যেতে পারে মোখলেসের মতো মানুষের জীবন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
মায়ের মুখে খাবার তুলে দিতে গাছের ছাল ছাড়ান অন্ধ মোখলেস
ছেলে বড় হয়েছে, নিজের মতো করে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দরজায় দাঁড়িয়ে পেছন থেকে ছেলের দিকে তাকিয়ে থাকেন মা। ছেলেটি ঠিকমতো পথ চলছে তো? কোথাও পড়ে যাচ্ছে না তো? কোনো দুর্ঘটনা ঘটছে না তো—এমন দুশ্চিন্তা যেন মায়ের চোখে সবসময়ই লেগে থাকে।
কারণ, ছেলে মোখলেস চোখে দেখতে পান না।
জীবনযুদ্ধে অসহায়ত্বকে সঙ্গী করেও থেমে নেই মোখলেস। মায়ের মুখে দুবেলা খাবার তুলে দিতে তিনি গাছের ছাল ছাড়িয়ে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেন। নিজের চোখে পৃথিবী দেখতে না পেলেও মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্নে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।
মায়ের প্রতি সন্তানের এই ভালোবাসা যেমন হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তেমনি ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে মায়ের দুশ্চিন্তাও মনে করিয়ে দেয়—সন্তান যত বড়ই হোক, মায়ের চোখে সে সবসময়ই ছোট।
অন্ধ মোখলেসের জীবনসংগ্রাম আর মায়ের মমতার এই গল্প যেন আমাদের সমাজের অসংখ্য অসহায় মানুষের বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। একটু সহমর্মিতা, সহযোগিতা আর মানবিক হাত বাড়িয়ে দিলেই হয়তো বদলে যেতে পারে মোখলেসের মতো মানুষের জীবন।

আপনার মতামত লিখুন