মাদ্রাসায় থাকতে না চেয়ে ছয়তলার কার্নিশে ১০ বছরের শিশু, ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার ফায়ার সার্ভিসের
ফেনীতে মাদ্রাসায় থাকতে না চেয়ে ছয়তলার সরু কার্নিশে গিয়ে বসে পড়ে ১০ বছরের শিশু ইয়াসমিন আক্তার মিলি। শনিবার সকালে শহরের একটি মাদ্রাসার ভবনে এ ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঝুঁকি নিয়ে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।
জানা গেছে, ইয়াসমিন আক্তার মিলি মাদ্রাসায় থাকতে চাইত না। আরবি বিষয়ে দুর্বল হওয়ায় তাকে জোর করে শহরের মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। শনিবার সকালে হঠাৎ সে ভবনের ছাদে উঠে যায়। সেখান থেকে ছয়তলার সরু কার্নিশে গিয়ে বসে পড়ে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। শিশুটিকে উদ্ধারে তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালান। একপর্যায়ে ঝুঁকি নিয়ে শিশুটিকে কার্নিশ থেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি আবারও সামনে এনেছে শিশুদের মানসিক চাপ ও তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি। অনেক সময় অভিভাবকরা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন। কিন্তু কোনো শিশু কোনো জায়গায় যেতে বা থাকতে না চাইলে তার কারণটি আগে বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।
শিশুর ভয়, অস্বস্তি কিংবা মানসিক চাপকে অবহেলা না করে তার সঙ্গে কথা বলা এবং সমস্যার সমাধান খোঁজা প্রয়োজন। কারণ একটি শিশুর আচরণে হঠাৎ বড় ধরনের পরিবর্তনের পেছনে চাপ, ভয়, একাকীত্ব বা অন্য কোনো অস্বস্তি থাকতে পারে।
ইয়াসমিনকে শেষ পর্যন্ত নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ঘটনাটি অভিভাবকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার পাশাপাশি তার বর্তমান মানসিক অবস্থার প্রতিও নজর দিতে হবে।
সন্তান কী চায়, কেন চায়—সেটি জানতে তার কথা মন দিয়ে শোনা এবং বোঝার চেষ্টা করাই হতে পারে অনেক বড় বিপদ ঠেকানোর প্রথম পদক্ষেপ।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
মাদ্রাসায় থাকতে না চেয়ে ছয়তলার কার্নিশে ১০ বছরের শিশু, ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার ফায়ার সার্ভিসের
ফেনীতে মাদ্রাসায় থাকতে না চেয়ে ছয়তলার সরু কার্নিশে গিয়ে বসে পড়ে ১০ বছরের শিশু ইয়াসমিন আক্তার মিলি। শনিবার সকালে শহরের একটি মাদ্রাসার ভবনে এ ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঝুঁকি নিয়ে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।
জানা গেছে, ইয়াসমিন আক্তার মিলি মাদ্রাসায় থাকতে চাইত না। আরবি বিষয়ে দুর্বল হওয়ায় তাকে জোর করে শহরের মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। শনিবার সকালে হঠাৎ সে ভবনের ছাদে উঠে যায়। সেখান থেকে ছয়তলার সরু কার্নিশে গিয়ে বসে পড়ে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। শিশুটিকে উদ্ধারে তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালান। একপর্যায়ে ঝুঁকি নিয়ে শিশুটিকে কার্নিশ থেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি আবারও সামনে এনেছে শিশুদের মানসিক চাপ ও তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি। অনেক সময় অভিভাবকরা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন। কিন্তু কোনো শিশু কোনো জায়গায় যেতে বা থাকতে না চাইলে তার কারণটি আগে বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।
শিশুর ভয়, অস্বস্তি কিংবা মানসিক চাপকে অবহেলা না করে তার সঙ্গে কথা বলা এবং সমস্যার সমাধান খোঁজা প্রয়োজন। কারণ একটি শিশুর আচরণে হঠাৎ বড় ধরনের পরিবর্তনের পেছনে চাপ, ভয়, একাকীত্ব বা অন্য কোনো অস্বস্তি থাকতে পারে।
ইয়াসমিনকে শেষ পর্যন্ত নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ঘটনাটি অভিভাবকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার পাশাপাশি তার বর্তমান মানসিক অবস্থার প্রতিও নজর দিতে হবে।
সন্তান কী চায়, কেন চায়—সেটি জানতে তার কথা মন দিয়ে শোনা এবং বোঝার চেষ্টা করাই হতে পারে অনেক বড় বিপদ ঠেকানোর প্রথম পদক্ষেপ।

আপনার মতামত লিখুন