এক পরিবারের চার ভাই, সবারই ঠিকানা বুয়েট—রাঙ্গুনিয়ার এই পরিবারের অনন্য গল্প
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নের ছাইনীপাড়া গ্রামের এক পরিবারের চার ভাইয়ের শিক্ষাজীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়—বুয়েটের নাম। বড় ভাই হাসান মনির থেকে শুরু করে মেজো ভাই হাসান মুরাদ, সেজো ভাই হাসান মাসুম এবং ছোট ভাই হাসান মামুন—চার ভাইই বুয়েটে পড়েছেন বা পড়ছেন।
২০০৯ সালে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় ৫৭তম হয়ে ভর্তি হন বড় ভাই হাসান মনির। এরপর ২০১৩ সালে ৭৪তম হয়ে ভর্তি হন হাসান মুরাদ। ২০১৮ সালে ৮০তম হয়ে বুয়েটে সুযোগ পান হাসান মাসুম। সর্বশেষ ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৩২৪তম হয়ে বুয়েটে ভর্তি হন ছোট ভাই হাসান মামুন।
চার ভাইয়ের বেড়ে ওঠা একই পরিবেশে। তাঁদের বাবা আমিনুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং মা আলেয়া বেগম গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের পড়াশোনায় বাবা-মায়ের ছিল বিশেষ নজর। গণিতসহ মৌলিক বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝার ওপর গুরুত্ব দিতেন তাঁরা।
বড় ভাই বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর ছোট ভাইদের জন্যও তৈরি হয় নতুন এক সুযোগ। ভর্তি প্রস্তুতি, পড়াশোনা ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে বড় ভাইয়েরা একে অন্যকে সহযোগিতা করেছেন। তবে পরিবার থেকে বুয়েটে পড়ার কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। বাবা-মায়ের ইচ্ছা ছিল সন্তানরা চিকিৎসক হোক। তাঁদের বড় বোন আয়েশা সুলতানা চিকিৎসক হয়েছেন।
শেষ পর্যন্ত চার ভাইয়ের পথ হয়েছে প্রকৌশলের দিকে। ২০০৯ সালে বড় ভাইয়ের হাত ধরে শুরু হওয়া বুয়েটযাত্রা প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে এই পরিবারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
চার ভাইয়ের এই গল্প শুধু একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার নয়; বরং এক ভাইয়ের অভিজ্ঞতা আরেক ভাইকে পথ দেখিয়েছে, আর সেই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের একটি পরিবার গড়ে তুলেছে অনন্য এক শিক্ষার গল্প।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এক পরিবারের চার ভাই, সবারই ঠিকানা বুয়েট—রাঙ্গুনিয়ার এই পরিবারের অনন্য গল্প
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নের ছাইনীপাড়া গ্রামের এক পরিবারের চার ভাইয়ের শিক্ষাজীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়—বুয়েটের নাম। বড় ভাই হাসান মনির থেকে শুরু করে মেজো ভাই হাসান মুরাদ, সেজো ভাই হাসান মাসুম এবং ছোট ভাই হাসান মামুন—চার ভাইই বুয়েটে পড়েছেন বা পড়ছেন।
২০০৯ সালে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় ৫৭তম হয়ে ভর্তি হন বড় ভাই হাসান মনির। এরপর ২০১৩ সালে ৭৪তম হয়ে ভর্তি হন হাসান মুরাদ। ২০১৮ সালে ৮০তম হয়ে বুয়েটে সুযোগ পান হাসান মাসুম। সর্বশেষ ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৩২৪তম হয়ে বুয়েটে ভর্তি হন ছোট ভাই হাসান মামুন।
চার ভাইয়ের বেড়ে ওঠা একই পরিবেশে। তাঁদের বাবা আমিনুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং মা আলেয়া বেগম গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের পড়াশোনায় বাবা-মায়ের ছিল বিশেষ নজর। গণিতসহ মৌলিক বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝার ওপর গুরুত্ব দিতেন তাঁরা।
বড় ভাই বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর ছোট ভাইদের জন্যও তৈরি হয় নতুন এক সুযোগ। ভর্তি প্রস্তুতি, পড়াশোনা ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে বড় ভাইয়েরা একে অন্যকে সহযোগিতা করেছেন। তবে পরিবার থেকে বুয়েটে পড়ার কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। বাবা-মায়ের ইচ্ছা ছিল সন্তানরা চিকিৎসক হোক। তাঁদের বড় বোন আয়েশা সুলতানা চিকিৎসক হয়েছেন।
শেষ পর্যন্ত চার ভাইয়ের পথ হয়েছে প্রকৌশলের দিকে। ২০০৯ সালে বড় ভাইয়ের হাত ধরে শুরু হওয়া বুয়েটযাত্রা প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে এই পরিবারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
চার ভাইয়ের এই গল্প শুধু একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার নয়; বরং এক ভাইয়ের অভিজ্ঞতা আরেক ভাইকে পথ দেখিয়েছে, আর সেই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রামের একটি পরিবার গড়ে তুলেছে অনন্য এক শিক্ষার গল্প।

আপনার মতামত লিখুন