১০০ টাকা ঘুষে মাত্র ১২০ টাকার গ্যাস, ধুঁকছে সিএনজি স্টেশন
দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালকরা। রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত গ্যাস। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত গ্যাস নিতে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ ঘুষ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সিএনজি অটোরিকশাচালক নুরুল ইসলাম জানান, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের আনা-নেওয়ার কাজ করেন। দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে অফিসের সময়সূচি রক্ষা করতে পাম্পের এক কর্মচারীকে ১০০ টাকা ঘুষ দিয়ে লাইনের সামনে যাওয়ার সুযোগ পান। তবে এত কিছুর পরও তিনি মাত্র ১২০ টাকার গ্যাস নিতে সক্ষম হন।
জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও গ্যাস মিলছে না, আবার কোথাও দিনের দীর্ঘ সময় বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
রাজধানীর মহাখালী, তেজগাঁও, মিরপুর, খিলক্ষেত, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে রাত থেকেই দীর্ঘ যানজটের মতো লাইন দেখা যাচ্ছে। গ্যাসের চাপ কমে গেলেই সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে চালকদের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্টেশন মালিকরাও। একই সঙ্গে গ্যাস সংকটের প্রভাবে গণপরিবহনের ভাড়াও বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
১০০ টাকা ঘুষে মাত্র ১২০ টাকার গ্যাস, ধুঁকছে সিএনজি স্টেশন
দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালকরা। রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না পর্যাপ্ত গ্যাস। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত গ্যাস নিতে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ ঘুষ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সিএনজি অটোরিকশাচালক নুরুল ইসলাম জানান, তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের আনা-নেওয়ার কাজ করেন। দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করেও গ্যাস না পেয়ে অফিসের সময়সূচি রক্ষা করতে পাম্পের এক কর্মচারীকে ১০০ টাকা ঘুষ দিয়ে লাইনের সামনে যাওয়ার সুযোগ পান। তবে এত কিছুর পরও তিনি মাত্র ১২০ টাকার গ্যাস নিতে সক্ষম হন।
জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই কক্সবাজারের মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও গ্যাস মিলছে না, আবার কোথাও দিনের দীর্ঘ সময় বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
রাজধানীর মহাখালী, তেজগাঁও, মিরপুর, খিলক্ষেত, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে রাত থেকেই দীর্ঘ যানজটের মতো লাইন দেখা যাচ্ছে। গ্যাসের চাপ কমে গেলেই সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে চালকদের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্টেশন মালিকরাও। একই সঙ্গে গ্যাস সংকটের প্রভাবে গণপরিবহনের ভাড়াও বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন