নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি আবাসিক ভবনের চারটি ফ্ল্যাটে হয়েছে দুর্ধর্ষ চুরি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লুট হয়েছে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১০ লাখ টাকা।
সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ফকিরপুর এলাকার আলম মঞ্জিল ভবনের ঘটনাটি ঘটে।
ভবনের মালিক ও ভুক্তভোগী মাহমুদ হোসেন জানান, ঈদের ছুটিতে তার পরিবারসহ ভবনের আরও তিনটি পরিবার ছিলেন গ্রামের বাড়িতে। ফ্ল্যাটে ছিল শুধু ভাড়াটিয়া মানিকের পরিবার। দুপুর দেড়টার দিকে তারাও একটি দাওয়াতে গেলে ফাঁকা হয়ে যায় পুরো ভবন। এই সুযোগে ভবনের প্রধান ফটক ও কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চোরের দল।
তাদের ভাষ্য, এরপর চোরেরা চারটি ফ্ল্যাটের দরজার হ্যাজ বোল্ট কেটে কক্ষে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। প্রাথমিক হিসাবে খোয়া গেছে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ এবং ১০ লাখ টাকা।
বিকেল ৩টার দিকে দাওয়াত থেকে ফিরে প্রধান ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান ভাড়াটিয়ারা। পরে কোনোভাবে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি ফ্ল্যাটই দেখতে পান তছনছ অবস্থায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশ।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক এসআই রাশেদুল হক জানান, চুরির ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি আবাসিক ভবনের চারটি ফ্ল্যাটে হয়েছে দুর্ধর্ষ চুরি। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, লুট হয়েছে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১০ লাখ টাকা।
সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ফকিরপুর এলাকার আলম মঞ্জিল ভবনের ঘটনাটি ঘটে।
ভবনের মালিক ও ভুক্তভোগী মাহমুদ হোসেন জানান, ঈদের ছুটিতে তার পরিবারসহ ভবনের আরও তিনটি পরিবার ছিলেন গ্রামের বাড়িতে। ফ্ল্যাটে ছিল শুধু ভাড়াটিয়া মানিকের পরিবার। দুপুর দেড়টার দিকে তারাও একটি দাওয়াতে গেলে ফাঁকা হয়ে যায় পুরো ভবন। এই সুযোগে ভবনের প্রধান ফটক ও কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চোরের দল।
তাদের ভাষ্য, এরপর চোরেরা চারটি ফ্ল্যাটের দরজার হ্যাজ বোল্ট কেটে কক্ষে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। প্রাথমিক হিসাবে খোয়া গেছে প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণ এবং ১০ লাখ টাকা।
বিকেল ৩টার দিকে দাওয়াত থেকে ফিরে প্রধান ফটক ভেতর থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান ভাড়াটিয়ারা। পরে কোনোভাবে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি ফ্ল্যাটই দেখতে পান তছনছ অবস্থায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশ।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক এসআই রাশেদুল হক জানান, চুরির ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত শেষে নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা।

আপনার মতামত লিখুন