৫২ বছর মসজিদে সেবা, বার্ধক্যে আশ্রয় অন্যের বারান্দায়—মুয়াজ্জিন তসিমুদ্দিনের চোখে অপেক্ষার অশ্রু
৫২ বছর ধরে মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তসিমুদ্দিন প্রামাণিক। জীবনের দীর্ঘ সময় আল্লাহর ঘরের সেবায় কাটিয়েছেন তিনি। কঠোর পরিশ্রম করে একমাত্র সন্তানকে মানুষ করেছেন, কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাবি করছেন, সেই সন্তানের কাছ থেকেই পাচ্ছেন অবহেলা আর উপেক্ষা।
বৃদ্ধ তসিমুদ্দিনের অভিযোগ, ছেলে তাঁর খোঁজখবর নেয় না, নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থাও করে না। বাধ্য হয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের বারান্দায়। সীমিত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মানবিকতার টানে তাঁকে আশ্রয় ও যত্ন দিচ্ছে সেই পরিবার।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তসিমুদ্দিনের জীবন ছিল সংগ্রামে ভরা। দুর্ভিক্ষে সন্তান হারানোর বেদনা, বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম এবং মসজিদে দীর্ঘদিন সেবার পর আজ বার্ধক্যে তিনি একাকী দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর একটাই প্রত্যাশা—একদিন হয়তো ছেলে এসে বলবে, “চলুন বাবা, আপনাকে বাড়ি নিয়ে যাই।”
তসিমুদ্দিন প্রামাণিকের এই ঘটনা শুধু একজন বৃদ্ধের ব্যক্তিগত কষ্টের গল্প নয়; এটি আমাদের সমাজে বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসে। জীবনের শেষ বেলায় তাঁদের পাশে দাঁড়ানো শুধু পারিবারিক নয়, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্বও বটে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
৫২ বছর মসজিদে সেবা, বার্ধক্যে আশ্রয় অন্যের বারান্দায়—মুয়াজ্জিন তসিমুদ্দিনের চোখে অপেক্ষার অশ্রু
৫২ বছর ধরে মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তসিমুদ্দিন প্রামাণিক। জীবনের দীর্ঘ সময় আল্লাহর ঘরের সেবায় কাটিয়েছেন তিনি। কঠোর পরিশ্রম করে একমাত্র সন্তানকে মানুষ করেছেন, কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাবি করছেন, সেই সন্তানের কাছ থেকেই পাচ্ছেন অবহেলা আর উপেক্ষা।
বৃদ্ধ তসিমুদ্দিনের অভিযোগ, ছেলে তাঁর খোঁজখবর নেয় না, নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থাও করে না। বাধ্য হয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের বারান্দায়। সীমিত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মানবিকতার টানে তাঁকে আশ্রয় ও যত্ন দিচ্ছে সেই পরিবার।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তসিমুদ্দিনের জীবন ছিল সংগ্রামে ভরা। দুর্ভিক্ষে সন্তান হারানোর বেদনা, বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম এবং মসজিদে দীর্ঘদিন সেবার পর আজ বার্ধক্যে তিনি একাকী দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর একটাই প্রত্যাশা—একদিন হয়তো ছেলে এসে বলবে, “চলুন বাবা, আপনাকে বাড়ি নিয়ে যাই।”
তসিমুদ্দিন প্রামাণিকের এই ঘটনা শুধু একজন বৃদ্ধের ব্যক্তিগত কষ্টের গল্প নয়; এটি আমাদের সমাজে বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব, ভালোবাসা ও মানবিকতার প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসে। জীবনের শেষ বেলায় তাঁদের পাশে দাঁড়ানো শুধু পারিবারিক নয়, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্বও বটে।

আপনার মতামত লিখুন