পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় একটি মাদ্রাসার পুরাতন ভবনের মালামাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের সভাপতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগটি উঠেছে উপজেলার ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর পশ্চিম কলারণ আজাহার আলী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি নূর মোহাম্মদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের পর পুরাতন আধাপাকা ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরে ওই ভবনের জানালার গ্রিল, লোহার দরজা, টিন, রডসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়মনীতি অনুসরণ না করে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের অবহিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার সভাপতি নূর মোহাম্মদ হাওলাদার। তিনি বলেন, “মাদ্রাসার প্রয়োজনেই কিছু পরিত্যক্ত মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিক্রি করা মালামালের টাকা মাদ্রাসার হিসাবেই জমা করা হবে এবং তা উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।”
এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আবুল বাশার বলেন, “মাদ্রাসার একটি পরিত্যক্ত আধাপাকা ভবনের ছাউনি টিনের ঘর, একটি রেন্ডি ও দুটি চম্বল গাছ বিক্রির জন্য প্রকাশ্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু ভবনের জানালার গ্রিল, দরজা, টিন ও লোহা আলাদাভাবে বিক্রির কোনো রেজুলেশন বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সভাপতি আমাদের কারও সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নিলাম ছাড়া এসব মালামাল গোপনে দুই-একজন শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজশ করে বিক্রি করেছেন।”
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, “মাদ্রাসার মালামাল বিক্রির বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগও দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “মালামাল বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের বিষয় শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দেখেন। তারা বিষয়টি অবহিত করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় একটি মাদ্রাসার পুরাতন ভবনের মালামাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের সভাপতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগটি উঠেছে উপজেলার ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর পশ্চিম কলারণ আজাহার আলী দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি নূর মোহাম্মদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণের পর পুরাতন আধাপাকা ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরে ওই ভবনের জানালার গ্রিল, লোহার দরজা, টিন, রডসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়মনীতি অনুসরণ না করে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যদের অবহিত করা হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার সভাপতি নূর মোহাম্মদ হাওলাদার। তিনি বলেন, “মাদ্রাসার প্রয়োজনেই কিছু পরিত্যক্ত মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। পরিচালনা কমিটির রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিক্রি করা মালামালের টাকা মাদ্রাসার হিসাবেই জমা করা হবে এবং তা উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।”
এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আবুল বাশার বলেন, “মাদ্রাসার একটি পরিত্যক্ত আধাপাকা ভবনের ছাউনি টিনের ঘর, একটি রেন্ডি ও দুটি চম্বল গাছ বিক্রির জন্য প্রকাশ্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু ভবনের জানালার গ্রিল, দরজা, টিন ও লোহা আলাদাভাবে বিক্রির কোনো রেজুলেশন বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সভাপতি আমাদের কারও সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নিলাম ছাড়া এসব মালামাল গোপনে দুই-একজন শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজশ করে বিক্রি করেছেন।”
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, “মাদ্রাসার মালামাল বিক্রির বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগও দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “মালামাল বিক্রির বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের বিষয় শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দেখেন। তারা বিষয়টি অবহিত করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন