ইতালিতে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হওয়ার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে আসছে, যা পুরো ঘটনাকে আরও নাড়িয়ে দিয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার এক প্রবাসী পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলে জানা গেছে। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, অর্থনৈতিক বিষয়, পারিবারিক দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। সেই বিরোধই শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ রূপ নেয়।
বৃহস্পতিবার ইতালির লেইজ শহরে দু’ভাইয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে বড় ভাই হুমায়ূন ফকির ছোট ভাইয়ের ওপর আক্রমণ চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনাটি খুব দ্রুত ঘটে এবং আশপাশের মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছোট ভাই গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই ইতালি পুলিশ অভিযান চালিয়ে হুমায়ূন ফকিরকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল নাকি হঠাৎ উত্তেজনার বশে ঘটেছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, নিহতের পরিবার দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা এই নির্মম ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে এ ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, বিদেশে থেকেও পারিবারিক বিরোধ যদি এভাবে সহিংসতায় রূপ নেয়, তবে তা শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজের জন্যই উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ইতালিতে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হওয়ার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে আসছে, যা পুরো ঘটনাকে আরও নাড়িয়ে দিয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার এক প্রবাসী পরিবারের দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলে জানা গেছে। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, অর্থনৈতিক বিষয়, পারিবারিক দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। সেই বিরোধই শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ রূপ নেয়।
বৃহস্পতিবার ইতালির লেইজ শহরে দু’ভাইয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে বড় ভাই হুমায়ূন ফকির ছোট ভাইয়ের ওপর আক্রমণ চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনাটি খুব দ্রুত ঘটে এবং আশপাশের মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছোট ভাই গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই ইতালি পুলিশ অভিযান চালিয়ে হুমায়ূন ফকিরকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল নাকি হঠাৎ উত্তেজনার বশে ঘটেছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, নিহতের পরিবার দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা এই নির্মম ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। একই সঙ্গে প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে এ ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বলছেন, বিদেশে থেকেও পারিবারিক বিরোধ যদি এভাবে সহিংসতায় রূপ নেয়, তবে তা শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজের জন্যই উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।

আপনার মতামত লিখুন