গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় এক ভয়াবহ পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে আপন ছোট ভাই ও বাবাকে হত্যার অভিযোগে সাইফুর রহমান (সোহান) নামে এক যুবক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আদালতে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) বায়েজিদ নেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, একটি প্রেমঘটিত জটিলতাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ একপর্যায়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, ছোট ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়—প্রথমে তার হাতের রগ কেটে দেওয়া হয়, পরে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে এবং দায় এড়াতে অভিযুক্ত সাইফুর রহমান চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যার দায় নিজের বাবার ওপর চাপাতে প্রথমে ছোট ভাইয়ের মরদেহ রেললাইনে ফেলে রাখা হয়। এরপর বাবাকেও হত্যা করে ঘটনাকে আত্মহত্যা ও পারিবারিক ট্র্যাজেডি হিসেবে প্রচারের চেষ্টা চালানো হয়।
পরে পুরো বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করে এবং একপর্যায়ে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অভিযুক্ত এসব তথ্য স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।
এই ঘটনা স্থানীয় এলাকাসহ দেশজুড়ে চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা, নৈতিক অবক্ষয় এবং সহিংস মানসিকতার মিশ্রণ এমন নৃশংস অপরাধের জন্ম দিচ্ছে, যা সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ।
আইন অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। ইতোমধ্যে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় এক ভয়াবহ পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে আপন ছোট ভাই ও বাবাকে হত্যার অভিযোগে সাইফুর রহমান (সোহান) নামে এক যুবক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আদালতে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) বায়েজিদ নেওয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, একটি প্রেমঘটিত জটিলতাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধ একপর্যায়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, ছোট ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়—প্রথমে তার হাতের রগ কেটে দেওয়া হয়, পরে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে এবং দায় এড়াতে অভিযুক্ত সাইফুর রহমান চাঞ্চল্যকর পরিকল্পনা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যার দায় নিজের বাবার ওপর চাপাতে প্রথমে ছোট ভাইয়ের মরদেহ রেললাইনে ফেলে রাখা হয়। এরপর বাবাকেও হত্যা করে ঘটনাকে আত্মহত্যা ও পারিবারিক ট্র্যাজেডি হিসেবে প্রচারের চেষ্টা চালানো হয়।
পরে পুরো বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করে এবং একপর্যায়ে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অভিযুক্ত এসব তথ্য স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।
এই ঘটনা স্থানীয় এলাকাসহ দেশজুড়ে চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা, নৈতিক অবক্ষয় এবং সহিংস মানসিকতার মিশ্রণ এমন নৃশংস অপরাধের জন্ম দিচ্ছে, যা সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ।
আইন অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। ইতোমধ্যে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন