চুয়াডাঙ্গায় জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে শুধু কৃষকরাই নন, গৃহিণীরাও এখন লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন—একটি বাস্তবতা, যা গ্রামীণ জীবনের চাপ ও সংগ্রামকে স্পষ্ট করে তুলে ধরছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেচ মৌসুম চলমান থাকায় ডিজেলচালিত পাম্প চালাতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ লাইন। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা মাঠে ব্যস্ত থাকায় অনেক জায়গায় নারীরাই এগিয়ে এসে তেল সংগ্রহের দায়িত্ব নিচ্ছেন।
এই দৃশ্য শুধু সংকটের চিত্রই নয়, বরং গ্রামীণ নারীদের ভূমিকার পরিবর্তনও দেখাচ্ছে। সংসার সামলানোর পাশাপাশি তারা এখন কৃষিকাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছেন। তবে এতে বাড়ছে তাদের শারীরিক কষ্ট ও মানসিক চাপ।
কৃষকেরা বলছেন, সময়মতো সেচ না দিতে পারলে ফসলের ক্ষতি হবে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলবে খাদ্য উৎপাদনে। তাই দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে, স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, চুয়াডাঙ্গার এই চিত্র বর্তমান জ্বালানি সংকটের একটি বাস্তব প্রতিফলন—যেখানে জীবিকার তাগিদে গৃহিণীরাও নেমে পড়েছেন সংগ্রামের মাঠে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য জ্বালানি তেলের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে শুধু কৃষকরাই নন, গৃহিণীরাও এখন লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন—একটি বাস্তবতা, যা গ্রামীণ জীবনের চাপ ও সংগ্রামকে স্পষ্ট করে তুলে ধরছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেচ মৌসুম চলমান থাকায় ডিজেলচালিত পাম্প চালাতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ লাইন। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা মাঠে ব্যস্ত থাকায় অনেক জায়গায় নারীরাই এগিয়ে এসে তেল সংগ্রহের দায়িত্ব নিচ্ছেন।
এই দৃশ্য শুধু সংকটের চিত্রই নয়, বরং গ্রামীণ নারীদের ভূমিকার পরিবর্তনও দেখাচ্ছে। সংসার সামলানোর পাশাপাশি তারা এখন কৃষিকাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছেন। তবে এতে বাড়ছে তাদের শারীরিক কষ্ট ও মানসিক চাপ।
কৃষকেরা বলছেন, সময়মতো সেচ না দিতে পারলে ফসলের ক্ষতি হবে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলবে খাদ্য উৎপাদনে। তাই দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে, স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, চুয়াডাঙ্গার এই চিত্র বর্তমান জ্বালানি সংকটের একটি বাস্তব প্রতিফলন—যেখানে জীবিকার তাগিদে গৃহিণীরাও নেমে পড়েছেন সংগ্রামের মাঠে।

আপনার মতামত লিখুন