নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম |
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর মোছা. আয়েশা খাতুন নামের দুই বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্দা শাহপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের দাবি, শিশুটিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে। নিহত আয়েশা ওই এলাকার আলমগীর হোসেনের মেয়ে।
ঘটনার বিবরণ ও পরিবারিক অভিযোগ:
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শিশু আয়েশা হঠাৎ নিখোঁজ হয়। দিনভর আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। পরবর্তীতে এশার নামাজের পর বাড়ির পাশের একটি স্থানে বাঁশের ওপর শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
নিহত শিশুর মা রাশেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, "পারিবারিক শত্রুতার জেরে আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দিনের বেলা একই জায়গায় একাধিকবার খুঁজেছি, তখন সেখানে কিছু ছিল না। রাতে পরিকল্পিতভাবে মরদেহটি সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।"
স্থানীয়দের ধারণা:
স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলা ওই স্থানে মরদেহ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, দিনের কোনো এক সময় শিশুটিকে অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ঘাতকরা মরদেহটি বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়।
পুলিশের বক্তব্য:
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম |
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর মোছা. আয়েশা খাতুন নামের দুই বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের মাচাবান্দা শাহপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের দাবি, শিশুটিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে। নিহত আয়েশা ওই এলাকার আলমগীর হোসেনের মেয়ে।
ঘটনার বিবরণ ও পরিবারিক অভিযোগ:
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শিশু আয়েশা হঠাৎ নিখোঁজ হয়। দিনভর আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। পরবর্তীতে এশার নামাজের পর বাড়ির পাশের একটি স্থানে বাঁশের ওপর শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
নিহত শিশুর মা রাশেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, "পারিবারিক শত্রুতার জেরে আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দিনের বেলা একই জায়গায় একাধিকবার খুঁজেছি, তখন সেখানে কিছু ছিল না। রাতে পরিকল্পিতভাবে মরদেহটি সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।"
স্থানীয়দের ধারণা:
স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলা ওই স্থানে মরদেহ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, দিনের কোনো এক সময় শিশুটিকে অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে ঘাতকরা মরদেহটি বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়।
পুলিশের বক্তব্য:
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন