কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া—এই তিন দেশ থেকে একদিনেই ৩৪ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে এসেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) পৃথক ফ্লাইটে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। দীর্ঘ সময় পর স্বজনদের কাছে প্রিয়জনদের নিথর দেহ ফিরে আসায় বিমানবন্দর এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বিভিন্ন সংকট ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এসব মরদেহ সংশ্লিষ্ট দেশে আটকে ছিল। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা, আবার কোথাও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার পর একসঙ্গে এতগুলো মরদেহ দেশে ফেরায় পরিবারগুলোর কষ্ট আরও গভীর হয়ে ওঠে।
বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণের সময় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং মৃত প্রবাসীদের স্বজনরা। কফিন গ্রহণের মুহূর্তে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনের শেষ দেখা পাওয়ার মুহূর্ত হলেও সেটি ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
এই ঘটনায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো মরদেহগুলো দ্রুত স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেয়। পাশাপাশি দাফন ও পরিবহন প্রক্রিয়াতেও সহায়তা করা হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের মৃত্যুর এই ঘটনা আবারও বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের ঝুঁকি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুদ্ধ বা সংকটপূর্ণ অঞ্চলে কর্মরতদের বিষয়ে আরও সতর্কতা ও কূটনৈতিক তৎপরতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া—এই তিন দেশ থেকে একদিনেই ৩৪ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে এসেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) পৃথক ফ্লাইটে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। দীর্ঘ সময় পর স্বজনদের কাছে প্রিয়জনদের নিথর দেহ ফিরে আসায় বিমানবন্দর এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বিভিন্ন সংকট ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এসব মরদেহ সংশ্লিষ্ট দেশে আটকে ছিল। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা, আবার কোথাও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার পর একসঙ্গে এতগুলো মরদেহ দেশে ফেরায় পরিবারগুলোর কষ্ট আরও গভীর হয়ে ওঠে।
বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণের সময় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং মৃত প্রবাসীদের স্বজনরা। কফিন গ্রহণের মুহূর্তে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনের শেষ দেখা পাওয়ার মুহূর্ত হলেও সেটি ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
এই ঘটনায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো মরদেহগুলো দ্রুত স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেয়। পাশাপাশি দাফন ও পরিবহন প্রক্রিয়াতেও সহায়তা করা হয়।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের মৃত্যুর এই ঘটনা আবারও বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের ঝুঁকি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুদ্ধ বা সংকটপূর্ণ অঞ্চলে কর্মরতদের বিষয়ে আরও সতর্কতা ও কূটনৈতিক তৎপরতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন