ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে সম্ভাব্য নীতিনির্ধারণী প্রস্তুতি রাখা হবে।

ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করছে জামায়াতে ইসলামী

ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করছে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন একটি আলোচনা তৈরি করেছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা শ্যাডো কেবিনেট গঠনের উদ্যোগকে ঘিরে। দলটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে সামনে রেখে তারা একটি বিকল্প নীতি-পরামর্শক কাঠামো তৈরি করছে, যেখানে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে সম্ভাব্য নীতিনির্ধারণী প্রস্তুতি রাখা হবে।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী, এই ছায়া মন্ত্রিসভায় থাকবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্য, দলের সিনিয়র নেতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্রনীতি, কৃষি ও প্রশাসনসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোকে ভিত্তি করে আলাদা আলাদা টিম কাজ করবে। মূল উদ্দেশ্য হলো সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী ধরনের নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, তার একটি পূর্বপ্রস্তুত কাঠামো তৈরি রাখা।

দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়াটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং আরও এক থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। তার মতে, ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন হলে তা দলের নীতি প্রণয়ন, জনমুখী পরিকল্পনা তৈরি এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক প্রস্তুতিকে আরও সুসংগঠিত করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এই ধরনের ‘শ্যাডো কেবিনেট’ ধারণা তুলনামূলকভাবে নতুন এবং এটি মূলত সংসদীয় গণতন্ত্রে বিকল্প নীতিনির্ধারণী চর্চা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে বিরোধী দলগুলো সরকারের নীতির সমালোচনা করার পাশাপাশি বিকল্প প্রস্তাবও তুলে ধরতে পারে। তবে বাংলাদেশে এর কার্যকারিতা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা সময়ের ওপর নির্ভর করবে বলে তারা মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, জামায়াতে ইসলামীর এই উদ্যোগ দেশের রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই ছায়া মন্ত্রিসভা কেবল দলীয় কৌশল হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি ভবিষ্যতে বাস্তব নীতিনির্ধারণী ভূমিকায় প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করছে জামায়াতে ইসলামী

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন একটি আলোচনা তৈরি করেছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা শ্যাডো কেবিনেট গঠনের উদ্যোগকে ঘিরে। দলটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে সামনে রেখে তারা একটি বিকল্প নীতি-পরামর্শক কাঠামো তৈরি করছে, যেখানে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে সম্ভাব্য নীতিনির্ধারণী প্রস্তুতি রাখা হবে।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী, এই ছায়া মন্ত্রিসভায় থাকবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্য, দলের সিনিয়র নেতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্রনীতি, কৃষি ও প্রশাসনসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোকে ভিত্তি করে আলাদা আলাদা টিম কাজ করবে। মূল উদ্দেশ্য হলো সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী ধরনের নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, তার একটি পূর্বপ্রস্তুত কাঠামো তৈরি রাখা।

দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়াটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং আরও এক থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। তার মতে, ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন হলে তা দলের নীতি প্রণয়ন, জনমুখী পরিকল্পনা তৈরি এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক প্রস্তুতিকে আরও সুসংগঠিত করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এই ধরনের ‘শ্যাডো কেবিনেট’ ধারণা তুলনামূলকভাবে নতুন এবং এটি মূলত সংসদীয় গণতন্ত্রে বিকল্প নীতিনির্ধারণী চর্চা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে বিরোধী দলগুলো সরকারের নীতির সমালোচনা করার পাশাপাশি বিকল্প প্রস্তাবও তুলে ধরতে পারে। তবে বাংলাদেশে এর কার্যকারিতা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা সময়ের ওপর নির্ভর করবে বলে তারা মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, জামায়াতে ইসলামীর এই উদ্যোগ দেশের রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই ছায়া মন্ত্রিসভা কেবল দলীয় কৌশল হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি ভবিষ্যতে বাস্তব নীতিনির্ধারণী ভূমিকায় প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল