তেহরান থেকে ঘোষণা এসেছে যে দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম সরবরাহ বা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে এই অবস্থান জানানো হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের মতে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর নজরদারির মধ্যেই সব কার্যক্রম চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কিছু অংশ গোপনে বিদেশে স্থানান্তর করতে পারে, যা সম্ভাব্যভাবে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে ইরান এই অভিযোগকে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যা দিয়েছে। তেহরানের দাবি, বারবার এমন অভিযোগ তুলে দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যার বাস্তব ভিত্তি নেই।
ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী ইরানের যে অধিকার রয়েছে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণার, তা কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। তারা আরও জানায়, ইউরেনিয়াম দেশের ভেতরেই সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা হস্তান্তরের প্রশ্নই ওঠে না।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের বক্তব্য নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আস্থাহীনতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
বর্তমান অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আবারও দুই পক্ষকে সংলাপে ফেরার আহ্বান জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য এই ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
তেহরান থেকে ঘোষণা এসেছে যে দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম সরবরাহ বা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে এই অবস্থান জানানো হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের মতে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর নজরদারির মধ্যেই সব কার্যক্রম চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কিছু অংশ গোপনে বিদেশে স্থানান্তর করতে পারে, যা সম্ভাব্যভাবে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে ইরান এই অভিযোগকে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যা দিয়েছে। তেহরানের দাবি, বারবার এমন অভিযোগ তুলে দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যার বাস্তব ভিত্তি নেই।
ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী ইরানের যে অধিকার রয়েছে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণার, তা কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। তারা আরও জানায়, ইউরেনিয়াম দেশের ভেতরেই সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা হস্তান্তরের প্রশ্নই ওঠে না।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের বক্তব্য নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আস্থাহীনতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
বর্তমান অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আবারও দুই পক্ষকে সংলাপে ফেরার আহ্বান জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য এই ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন