ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এক উপসহকারী প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া ও মারধরের ঘটনায় ঠিকাদারসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে, যখন উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা তরিকুল ইসলাম একটি সড়ক নির্মাণকাজ পরিদর্শনে যান। সেখানে নিম্নমানের কাজের প্রমাণ পাওয়ার পর তিনি ঠিকাদারের কাছে ব্যাখ্যা চান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ঠিকাদার লোকমান হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং হাতে বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে তাড়া করেন। পরে তিনি ও তার সহযোগীরা প্রকৌশলীকে লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রাণভয়ে প্রকৌশলী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ঠিকাদারকে বাঁশ হাতে ধাওয়া করতে দেখা যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী প্রকৌশলী নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ঠিকাদার লোকমান হোসেন ও তার গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং সরকারি কাজের মান ও তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সড়ক নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এক উপসহকারী প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে তাড়া ও মারধরের ঘটনায় ঠিকাদারসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে, যখন উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা তরিকুল ইসলাম একটি সড়ক নির্মাণকাজ পরিদর্শনে যান। সেখানে নিম্নমানের কাজের প্রমাণ পাওয়ার পর তিনি ঠিকাদারের কাছে ব্যাখ্যা চান। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ঠিকাদার লোকমান হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং হাতে বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে তাড়া করেন। পরে তিনি ও তার সহযোগীরা প্রকৌশলীকে লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রাণভয়ে প্রকৌশলী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ঠিকাদারকে বাঁশ হাতে ধাওয়া করতে দেখা যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী প্রকৌশলী নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ঠিকাদার লোকমান হোসেন ও তার গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ ঠিকাদারের ব্যবস্থাপক ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং সরকারি কাজের মান ও তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন