ইরান যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিয়েছে হরমুজ প্রণালি, চাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে নতুন মোড় এনে দিয়েছে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে তৈরি হওয়া সংকট। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার ফলে যুদ্ধের কৌশলগত ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে এবং এতে চাপের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম The Guardian-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সংঘাতের প্রথম দিকে সামরিক সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের কারণে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর দিকেই ছিল। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের ফলে সেই পরিস্থিতি এখন বদলাতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সংকট বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলেছে। বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল পরিবহন এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে হয়। ফলে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়া এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা Mohsen Rezaee রোববার এক বক্তব্যে বলেন, “যুদ্ধের শেষ আমাদের হাতেই।” তিনি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার এবং সাম্প্রতিক হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণও দাবি করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ে, তাহলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তাও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই এই সংকট দ্রুত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিয়েছে হরমুজ প্রণালি, চাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে নতুন মোড় এনে দিয়েছে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে তৈরি হওয়া সংকট। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার ফলে যুদ্ধের কৌশলগত ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে এবং এতে চাপের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম The Guardian-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সংঘাতের প্রথম দিকে সামরিক সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের কারণে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর দিকেই ছিল। তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের ফলে সেই পরিস্থিতি এখন বদলাতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে সংকট বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলেছে। বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল পরিবহন এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে হয়। ফলে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়া এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা Mohsen Rezaee রোববার এক বক্তব্যে বলেন, “যুদ্ধের শেষ আমাদের হাতেই।” তিনি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার এবং সাম্প্রতিক হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণও দাবি করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, যদি হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়ে, তাহলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তাও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই এই সংকট দ্রুত সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন