রাতভর ই'রানের হা'মলা'য়না
'স্তানাবুদ ই'সরা'ইল। অ'স্ত্র
ভান্ডারাতভর ইরানের হামলায় নাস্তানাবুদ ইসরাইল, শেষের পথে নেতানিয়াহুর অস্ত্র ভান্ডার
নেতা খামেনির কঠোর নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে একের পর এক হামলা চালিয়ে তাদের নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে ইরান। এমনকি তাদের দামি আকাশ প্রতিরক্ষাও গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। যার ফলে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তছনছ হচ্ছে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর। এছাড়াও আগাম সতর্ক ব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ায় সাইরেন বাজার আগেই আঘাত হানছে ইরানি মিসাইল।
ইরানের পরিকল্পনা আর শক্তির কাছে মাথা নত করার অবস্থা তৈরি হলেও এখনো নিজেদের অহংকার বজায় রেখেছে ইহুদিরা। যদিও তারা তাদের ক্ষয়ক্ষতি ও নিহতের আসল সংখ্যা জানতে দিচ্ছে না, তবে বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের গোপনীয়তা দিন দিন প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। এবার ইসরায়েলের এমন দুর্বলতা ফাঁস করলেন মার্কিন কর্মকর্তারা, যা রীতিমতো চমকে ওঠার মতোই। আমেরিকার মতো এবার তাদেরও ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী প্রতিরোধী মিসাইলের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
আর এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ওয়াশিংটন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সেমাফোর মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে আসছে। আর তাতে তারা আতঙ্কিত হয়ে ইতোমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে যেন তাদের প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ সরবরাহ করা হয়। মূলত ইসরায়েল গত বছর যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়, তখনও তারা ইন্টারসেপ্টরের সঙ্কটে ছিল।
আর এবারের যুদ্ধে ধারণাতীতভাবে ইরান লাগাতারভাবে ব্যাপক হামলা চালানোয় তাদের দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত কার্যত শূন্যের কোঠায় গিয়ে ঠেকেছে। আর তাতে প্রবল চাপের মধ্যে রয়েছে ইহুদিরা। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা তাদের আশ্বাস দিয়েই বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারসেপ্টরের কোনো সংকট নেই। আর তারা ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর কম থাকার কারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন।
ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তিই হলো ইন্টারসেপ্টর। স্বল্পপাল্লার হামলার জন্য আয়রন ডোম কার্যকর হলেও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে তারা দামি ইন্টারসেপ্টরগুলোর ওপর নির্ভর করে। বর্তমানে ইরান যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়াতে ক্লাস্টার মিউনিশন বা গুচ্ছ বোমা সংযুক্ত করছে, তাতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে বহুগুণে। প্রতিটি ছোট ছোট লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে একাধিক ইন্টারসেপ্টর খরচ হওয়ায় মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।র

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
রাতভর ই'রানের হা'মলা'য়না
'স্তানাবুদ ই'সরা'ইল। অ'স্ত্র
ভান্ডারাতভর ইরানের হামলায় নাস্তানাবুদ ইসরাইল, শেষের পথে নেতানিয়াহুর অস্ত্র ভান্ডার
নেতা খামেনির কঠোর নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে একের পর এক হামলা চালিয়ে তাদের নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে ইরান। এমনকি তাদের দামি আকাশ প্রতিরক্ষাও গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। যার ফলে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তছনছ হচ্ছে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর। এছাড়াও আগাম সতর্ক ব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ায় সাইরেন বাজার আগেই আঘাত হানছে ইরানি মিসাইল।
ইরানের পরিকল্পনা আর শক্তির কাছে মাথা নত করার অবস্থা তৈরি হলেও এখনো নিজেদের অহংকার বজায় রেখেছে ইহুদিরা। যদিও তারা তাদের ক্ষয়ক্ষতি ও নিহতের আসল সংখ্যা জানতে দিচ্ছে না, তবে বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের গোপনীয়তা দিন দিন প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। এবার ইসরায়েলের এমন দুর্বলতা ফাঁস করলেন মার্কিন কর্মকর্তারা, যা রীতিমতো চমকে ওঠার মতোই। আমেরিকার মতো এবার তাদেরও ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী প্রতিরোধী মিসাইলের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
আর এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ওয়াশিংটন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সেমাফোর মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তি ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে আসছে। আর তাতে তারা আতঙ্কিত হয়ে ইতোমধ্যেই আমেরিকাকে জানিয়েছে যেন তাদের প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ সরবরাহ করা হয়। মূলত ইসরায়েল গত বছর যখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়, তখনও তারা ইন্টারসেপ্টরের সঙ্কটে ছিল।
আর এবারের যুদ্ধে ধারণাতীতভাবে ইরান লাগাতারভাবে ব্যাপক হামলা চালানোয় তাদের দূরপাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত কার্যত শূন্যের কোঠায় গিয়ে ঠেকেছে। আর তাতে প্রবল চাপের মধ্যে রয়েছে ইহুদিরা। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা তাদের আশ্বাস দিয়েই বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারসেপ্টরের কোনো সংকট নেই। আর তারা ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর কম থাকার কারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন।
ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তিই হলো ইন্টারসেপ্টর। স্বল্পপাল্লার হামলার জন্য আয়রন ডোম কার্যকর হলেও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে তারা দামি ইন্টারসেপ্টরগুলোর ওপর নির্ভর করে। বর্তমানে ইরান যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়াতে ক্লাস্টার মিউনিশন বা গুচ্ছ বোমা সংযুক্ত করছে, তাতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে বহুগুণে। প্রতিটি ছোট ছোট লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে একাধিক ইন্টারসেপ্টর খরচ হওয়ায় মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।র

আপনার মতামত লিখুন