রাজধানীতে ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু, পুলিশ হেফাজতে গৃহকর্তা
রাজধানীর বনানী এলাকায় বহুতল ভবন থেকে পড়ে এক কিশোরী গৃহকর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা ওই বাসায় ভাঙচুর চালায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহকর্তাকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে বনানীর একটি আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরীর নাম পিংকি (১৬)। তিনি ওই ভবনের তৃতীয় তলায় একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
ঘটনার সময় হঠাৎ করেই পিংকি ভবন থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পিংকির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয়দের একটি অংশ অভিযোগ করেন, এটি স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়; বরং তাকে হত্যা করা হতে পারে। এমন সন্দেহ থেকে ক্ষুব্ধ কয়েকজন স্থানীয় ওই বাসায় ভাঙচুর চালান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বাসার গৃহকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজন হলে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে—তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
রাজধানীতে ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু, পুলিশ হেফাজতে গৃহকর্তা
রাজধানীর বনানী এলাকায় বহুতল ভবন থেকে পড়ে এক কিশোরী গৃহকর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা ওই বাসায় ভাঙচুর চালায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহকর্তাকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে বনানীর একটি আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরীর নাম পিংকি (১৬)। তিনি ওই ভবনের তৃতীয় তলায় একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
ঘটনার সময় হঠাৎ করেই পিংকি ভবন থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পিংকির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয়দের একটি অংশ অভিযোগ করেন, এটি স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়; বরং তাকে হত্যা করা হতে পারে। এমন সন্দেহ থেকে ক্ষুব্ধ কয়েকজন স্থানীয় ওই বাসায় ভাঙচুর চালান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই বাসার গৃহকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজন হলে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে—তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন