ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (Islamic Revolutionary Guard Corps–আইআরজিসি) জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ Strait of Hormuz দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব দেশ এই দুই দেশের মিত্র নয়, তাদের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল Kioumars Heidari শুক্রবার (৬ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম Tasnim News Agency–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান।
কী বলেছে আইআরজিসি
হায়দারি বলেন, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ হলেও বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কিছু দেশের জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী—
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজ
তাদের ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোর জাহাজ
এবং ওই জোটকে সমর্থনকারী দেশগুলোর জাহাজ
এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে না।
অন্যদিকে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সামরিক ও রাজনৈতিক মিত্র নয়, তাদের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মাঝখানে অবস্থিত হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের বড় একটি অংশ এই প্রণালী দিয়েই যায়। ফলে এই পথে কোনো নিষেধাজ্ঞা বা উত্তেজনা তৈরি হলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পারস্য উপসাগর ও আশপাশের অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো এবং বিভিন্ন পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (Islamic Revolutionary Guard Corps–আইআরজিসি) জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ Strait of Hormuz দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব দেশ এই দুই দেশের মিত্র নয়, তাদের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল Kioumars Heidari শুক্রবার (৬ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম Tasnim News Agency–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান।
কী বলেছে আইআরজিসি
হায়দারি বলেন, হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ হলেও বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে কিছু দেশের জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী—
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজ
তাদের ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোর জাহাজ
এবং ওই জোটকে সমর্থনকারী দেশগুলোর জাহাজ
এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে না।
অন্যদিকে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সামরিক ও রাজনৈতিক মিত্র নয়, তাদের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মাঝখানে অবস্থিত হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের বড় একটি অংশ এই প্রণালী দিয়েই যায়। ফলে এই পথে কোনো নিষেধাজ্ঞা বা উত্তেজনা তৈরি হলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পারস্য উপসাগর ও আশপাশের অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো এবং বিভিন্ন পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন