ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

তেলের দাম ১০০ ডলারের বেশি হয়ে যেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে তেলের দাম নিয়ে রাশিয়ার সতর্কবার্তা

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে তেলের দাম নিয়ে রাশিয়ার সতর্কবার্তা
ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দামের সম্ভাব্য ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেছেন, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের বেশি হয়ে যেতে পারে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-এর বিদেশি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি এবং Russian Direct Investment Fund (আরডিআইএফ)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দিমিত্রিয়েভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ এক পোস্টে এই সতর্কবার্তা দেন।

তিনি জানান, এশিয়ার বাজারে সরবরাহ হওয়া তেলের দাম ইতোমধ্যে দ্রুত বাড়ছে। তার ভাষায়, “এশিয়ায় সরবরাহকৃত তেলের দাম ইতোমধ্যেই প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে। মুরবান ক্রুডের দাম ৯৬ ডলারে পৌঁছেছে। খুব শিগগিরই তেলের দাম ১০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে।”

বর্তমান উত্তেজনার মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরান-এর বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে। এতে তেহরানসহ ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলা চালানো হয়।

ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ইরানের কথিত ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকির কারণেই এই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।

এদিকে সংঘাতের জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক তেলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ চলাচল করে। ফলে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে, তাহলে শুধু তেলের দামই নয়—বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে তেলের দাম নিয়ে রাশিয়ার সতর্কবার্তা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দামের সম্ভাব্য ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেছেন, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের বেশি হয়ে যেতে পারে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-এর বিদেশি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি এবং Russian Direct Investment Fund (আরডিআইএফ)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দিমিত্রিয়েভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ এক পোস্টে এই সতর্কবার্তা দেন।

তিনি জানান, এশিয়ার বাজারে সরবরাহ হওয়া তেলের দাম ইতোমধ্যে দ্রুত বাড়ছে। তার ভাষায়, “এশিয়ায় সরবরাহকৃত তেলের দাম ইতোমধ্যেই প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে। মুরবান ক্রুডের দাম ৯৬ ডলারে পৌঁছেছে। খুব শিগগিরই তেলের দাম ১০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে।”

বর্তমান উত্তেজনার মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরান-এর বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে। এতে তেহরানসহ ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলা চালানো হয়।

ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ইরানের কথিত ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকির কারণেই এই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।

এদিকে সংঘাতের জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক তেলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ চলাচল করে। ফলে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে, তাহলে শুধু তেলের দামই নয়—বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল