ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

জাইমা রহমান পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, দেশ প্রেম ও তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণায় নতুন সুচনা।

জাইমা রহমান পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, দেশ প্রেম ও তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণায় নতুন সুচনা।

একমাত্র জীবিত সিফাতকে বুকে জড়িয়ে নিলেন নানা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন নাতির জন্য

একমাত্র জীবিত সিফাতকে বুকে জড়িয়ে নিলেন নানা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন নাতির জন্য

হাতিয়ায় তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা

হাতিয়ায় তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা

পটুয়াখালী পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন করার দাবি জানালেন পটুয়াখালী ১ আসেনর

পটুয়াখালী পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন করার দাবি জানালেন পটুয়াখালী ১ আসেনর

এক হাতে প্রতিব'ন্ধী হাজি, অন্য হাতে ভিড় সামলালেন পুলিশ; মক্কায় মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত

এক হাতে প্রতিব'ন্ধী হাজি, অন্য হাতে ভিড় সামলালেন পুলিশ; মক্কায় মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত

নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে অভিযান, অসা'মাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে ১৪ তরুণ-তরুণী গ্রে'প্তার ‎

নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে অভিযান, অসা'মাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে ১৪ তরুণ-তরুণী গ্রে'প্তার ‎

ক্যান্টনমেন্ট থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রানা সোহেল ক্যান্টনমেন্ট থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ক্যান্টনমেন্ট থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রানা সোহেল ক্যান্টনমেন্ট থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

পবিত্র কাবা ধোয়ার কাজে ব্যবহৃত হয় যে ৮ সরঞ্জাম

পবিত্র কাবা ধোয়ার কাজে ব্যবহৃত হয় যে ৮ সরঞ্জাম

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর অবস্থানও তিনি নেননি বলে দাবি করা হয়।

সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
ছবি সংগৃহীত

সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে ভাষণ দেওয়া থেকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

সোমবার (২ মার্চ) দেওয়া ওই চিঠিতে আইনজীবী অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রপতি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে যে উদ্যোগ বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ প্রত্যাশিত ছিল, তা দেখা যায়নি। এছাড়া বিগত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর অবস্থানও তিনি নেননি বলে দাবি করা হয়।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে খাটো করেছেন এবং ঘটনাবলি “ভুলভাবে উপস্থাপন” করেছেন। আইনজীবীর দাবি, এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী নেওয়া শপথ ভঙ্গ করেছেন। ফলে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের নৈতিক ও আইনি অধিকার হারিয়েছেন—এমন বক্তব্যও চিঠিতে তুলে ধরা হয়।

আইনজীবী তার চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানান, সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক পদক্ষেপ নিতে। তার মতে, জুলাই অভ্যুত্থানের “স্পিরিট” সমুন্নত রাখতে এ সিদ্ধান্ত জরুরি।

তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি কার্যালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ একটি প্রচলিত সাংবিধানিক রীতি। ফলে একজন আইনজীবীর এ ধরনের আহ্বান রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির ভূমিকা, সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহিতা—এই তিনটি বিষয় এখন আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নির্ভর করবে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান ও সম্ভাব্য সাংবিধানিক পদক্ষেপের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬


সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬

featured Image

সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে ভাষণ দেওয়া থেকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

সোমবার (২ মার্চ) দেওয়া ওই চিঠিতে আইনজীবী অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রপতি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংকটকালীন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে যে উদ্যোগ বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ প্রত্যাশিত ছিল, তা দেখা যায়নি। এছাড়া বিগত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর অবস্থানও তিনি নেননি বলে দাবি করা হয়।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে খাটো করেছেন এবং ঘটনাবলি “ভুলভাবে উপস্থাপন” করেছেন। আইনজীবীর দাবি, এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী নেওয়া শপথ ভঙ্গ করেছেন। ফলে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের নৈতিক ও আইনি অধিকার হারিয়েছেন—এমন বক্তব্যও চিঠিতে তুলে ধরা হয়।

আইনজীবী তার চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানান, সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক পদক্ষেপ নিতে। তার মতে, জুলাই অভ্যুত্থানের “স্পিরিট” সমুন্নত রাখতে এ সিদ্ধান্ত জরুরি।

তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি কার্যালয় কিংবা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ একটি প্রচলিত সাংবিধানিক রীতি। ফলে একজন আইনজীবীর এ ধরনের আহ্বান রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির ভূমিকা, সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহিতা—এই তিনটি বিষয় এখন আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নির্ভর করবে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান ও সম্ভাব্য সাংবিধানিক পদক্ষেপের ওপর।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল