ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আলটিমেটাম জামায়াত আমিরের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে না নেওয়া হলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
রোববার রাজধানীতে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভোটারদের মৌলিক অধিকার হরণ করার শামিল। তাঁর ভাষায়, “ভোটাররা যেন ভয়ভীতি ছাড়া ভোট দিতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত না করে বরং মোবাইল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে জনগণকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।”
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, অতীতে ভোট কারচুপি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটলেও তার দায় সাধারণ ভোটারদের ওপর চাপানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রে কী হচ্ছে, তা জানার একমাত্র উপায় হচ্ছে নাগরিকদের হাতে থাকা প্রযুক্তি। সেটিই কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি সত্যিই নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে চায়, তাহলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করা উচিত। অন্যথায় জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার যুক্তিতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আলটিমেটাম জামায়াত আমিরের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে না নেওয়া হলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
রোববার রাজধানীতে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভোটারদের মৌলিক অধিকার হরণ করার শামিল। তাঁর ভাষায়, “ভোটাররা যেন ভয়ভীতি ছাড়া ভোট দিতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত না করে বরং মোবাইল নিষেধাজ্ঞা দিয়ে জনগণকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।”
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, অতীতে ভোট কারচুপি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটলেও তার দায় সাধারণ ভোটারদের ওপর চাপানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রে কী হচ্ছে, তা জানার একমাত্র উপায় হচ্ছে নাগরিকদের হাতে থাকা প্রযুক্তি। সেটিই কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি সত্যিই নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে চায়, তাহলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করা উচিত। অন্যথায় জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার যুক্তিতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

আপনার মতামত লিখুন