২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হলেও বাংলাদেশ দল টুর্নামেন্টে নেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (BCB) নিরাপত্তা ও অন্যান্য উদ্বেগ তুলে ভারতের মাঠে খেলতে না যাওয়ার কথা জানায় — ICC সেই আবেদন নাকচ করে দেয়, এবং বাংলাদেশকে অংশগ্রহণের শর্ত পূরণ না করলে প্রতিস্থাপন হিসেবে স্কটল্যান্ডকে দলভুক্ত করে।
এরপর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) ও পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি বয়কট করার ঘোষণা দেয়। পাকিস্তান এটি করেছে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ও ICC-এর সিদ্ধান্তকে ‘অনিচ্ছাকৃত পক্ষপাত’ হিসেবে উল্লেখ করে।
আইসিসি বাংলাদেশকে কেন ডেকেছে?
1. স্টেকহোল্ডার হিসাবে বাংলাদেশকে আলোচনায় টেনে আনা
ICC এখন ক্রমাগত উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে। পাকিস্তান যখন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে — এটা বিশ্বকাপের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাচের ভবিষ্যতকে ঝুঁকিতে ফেলেছে এবং আয়-রাজস্বে বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। তাই বাংলাদেশকে আলোচনায় যোগ করার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিরসন ও সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ আলোচনার জন্য ICC BCB প্রধানকে লাহোরে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
কী হচ্ছে বৈঠকে?
ICC, PCB ও BCB বৈঠক
লাহোরে ICC-PCB-BCB তিন পক্ষের জরুরি বৈঠক বসছে।
এতে BCB সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল যোগ দিচ্ছেন যাতে বয়কট-সংকট ও উত্তেজনা মোকাবিলা করা যায়।
প্রধান লক্ষ্য: পাকিস্তানকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে রাজি করানো যাতে ভারত-পাক ম্যাচটি নিরাপদভাবেই অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বকাপের সম্মান ও আয়-উপজাত ক্ষতি এড়ানো যায়।
পেছনের কারণগুলো
পাকিস্তানের অবস্থান
পাকিস্তান সরকার ও PCB মনে করছে ICC বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছে, তাই প্রতিবাদ হিসেবে তারা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছে।
পাকিস্তানের দাবি, ICC-এর সিদ্ধান্ত “দ্বিমুখী” বা “দ্বিতীয়ীত্বপূর্ণ” — বড় বোর্ডগুলোর স্বার্থ রক্ষা করে ছোটদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
ICC-এর উদ্বেগ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বিশাল কমার্শিয়াল ও সমর্থক অংশগ্রহণ থাকে — এটা না হলে বিশ্বকাপ অর্থনৈতিক ও খেলার মানে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তাই ICC দ্রুত মধ্যস্থতা করছে এবং একটি সমঝোতা খুঁজে বের করতে চাইছে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হলেও বাংলাদেশ দল টুর্নামেন্টে নেই।
বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (BCB) নিরাপত্তা ও অন্যান্য উদ্বেগ তুলে ভারতের মাঠে খেলতে না যাওয়ার কথা জানায় — ICC সেই আবেদন নাকচ করে দেয়, এবং বাংলাদেশকে অংশগ্রহণের শর্ত পূরণ না করলে প্রতিস্থাপন হিসেবে স্কটল্যান্ডকে দলভুক্ত করে।
এরপর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) ও পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি বয়কট করার ঘোষণা দেয়। পাকিস্তান এটি করেছে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ও ICC-এর সিদ্ধান্তকে ‘অনিচ্ছাকৃত পক্ষপাত’ হিসেবে উল্লেখ করে।
আইসিসি বাংলাদেশকে কেন ডেকেছে?
1. স্টেকহোল্ডার হিসাবে বাংলাদেশকে আলোচনায় টেনে আনা
ICC এখন ক্রমাগত উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে। পাকিস্তান যখন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে — এটা বিশ্বকাপের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাচের ভবিষ্যতকে ঝুঁকিতে ফেলেছে এবং আয়-রাজস্বে বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। তাই বাংলাদেশকে আলোচনায় যোগ করার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিরসন ও সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ আলোচনার জন্য ICC BCB প্রধানকে লাহোরে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
কী হচ্ছে বৈঠকে?
ICC, PCB ও BCB বৈঠক
লাহোরে ICC-PCB-BCB তিন পক্ষের জরুরি বৈঠক বসছে।
এতে BCB সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল যোগ দিচ্ছেন যাতে বয়কট-সংকট ও উত্তেজনা মোকাবিলা করা যায়।
প্রধান লক্ষ্য: পাকিস্তানকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে রাজি করানো যাতে ভারত-পাক ম্যাচটি নিরাপদভাবেই অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বকাপের সম্মান ও আয়-উপজাত ক্ষতি এড়ানো যায়।
পেছনের কারণগুলো
পাকিস্তানের অবস্থান
পাকিস্তান সরকার ও PCB মনে করছে ICC বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছে, তাই প্রতিবাদ হিসেবে তারা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করেছে।
পাকিস্তানের দাবি, ICC-এর সিদ্ধান্ত “দ্বিমুখী” বা “দ্বিতীয়ীত্বপূর্ণ” — বড় বোর্ডগুলোর স্বার্থ রক্ষা করে ছোটদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
ICC-এর উদ্বেগ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে বিশাল কমার্শিয়াল ও সমর্থক অংশগ্রহণ থাকে — এটা না হলে বিশ্বকাপ অর্থনৈতিক ও খেলার মানে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তাই ICC দ্রুত মধ্যস্থতা করছে এবং একটি সমঝোতা খুঁজে বের করতে চাইছে।

আপনার মতামত লিখুন