সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে না বিএনপি: তারেক রহমান।
বিএনপি শাসনক্ষমতায় এলে কোনোভাবেই সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, একটি পেশাদার ও সংবিধানসম্মত বাহিনী হিসেবে সেনাবাহিনীকে সব সময় জনগণের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বেই রাখা হবে।
তারেক রহমান বলেন, “সেনাবাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হতে পারে না। বিএনপি বিশ্বাস করে, সেনাবাহিনী থাকবে রাজনীতির ঊর্ধ্বে।”
তিনি আরও জানান, বিএনপি ঐতিহাসিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহ্য ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) নাম পুনর্বহাল করতে চায়। তার ভাষায়, “বিডিআর নামটি মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের সীমান্ত রক্ষার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।”
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হলে তা গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের চর্চা থেকে বেরিয়ে আসার ওপর জোর দেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহ্য নিয়ে তারেক রহমানের এই বক্তব্য রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে না বিএনপি: তারেক রহমান।
বিএনপি শাসনক্ষমতায় এলে কোনোভাবেই সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, একটি পেশাদার ও সংবিধানসম্মত বাহিনী হিসেবে সেনাবাহিনীকে সব সময় জনগণের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বেই রাখা হবে।
তারেক রহমান বলেন, “সেনাবাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হতে পারে না। বিএনপি বিশ্বাস করে, সেনাবাহিনী থাকবে রাজনীতির ঊর্ধ্বে।”
তিনি আরও জানান, বিএনপি ঐতিহাসিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহ্য ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) নাম পুনর্বহাল করতে চায়। তার ভাষায়, “বিডিআর নামটি মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের সীমান্ত রক্ষার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।”
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হলে তা গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের চর্চা থেকে বেরিয়ে আসার ওপর জোর দেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহ্য নিয়ে তারেক রহমানের এই বক্তব্য রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন