আসন্ন নির্বাচনের আগেও ও নির্বাচনের দিনে যদি কোনো সহিংসতা বা সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে, তার দায় আওয়ামী লীগকে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে” — এমনই একটি অবস্থানinte অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এমন খবর প্রকাশ হয়েছে ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করেছে যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও এবং নির্বাচনের দিন যদি কোনো সহিংসতা, ধ্বংসযজ্ঞ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটে, তার দায় আওয়ামী লীগের উপর চাপানো হবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যের কারণে “নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সহিংসতার আহ্বান” ইত্যাদি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে।
???? তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও অন্যান্য তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে:
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ সালে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছিল, যদিও দলের কার্যক্রম কিছু সময় স্থগিত রয়েছে — তবে নির্বাচন কমিশনই সিদ্ধান্ত নেবে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না।
আওয়ামী লীগ ও তার সমর্থকরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থানকে রাজনৈতিকভাবে সমালোচনা করছে এবং নির্বাচন “অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায্য নয়” বলে তীব্র বিরোধ জানিয়েছে।
✔️ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে যে যেকোনো সহিংসতাকে দায় আওয়ামী লীগকে দিতে পারে। �
✔️ এর সঙ্গে আরও অনেক রাজনৈতিক ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বিতর্ক চলছে—যেখানে দলটি নির্বাচন থেকে বাদ পড়েছে কিংবা অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন নির্বাচনের আগেও ও নির্বাচনের দিনে যদি কোনো সহিংসতা বা সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে, তার দায় আওয়ামী লীগকে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে” — এমনই একটি অবস্থানinte অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এমন খবর প্রকাশ হয়েছে ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করেছে যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও এবং নির্বাচনের দিন যদি কোনো সহিংসতা, ধ্বংসযজ্ঞ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটে, তার দায় আওয়ামী লীগের উপর চাপানো হবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যের কারণে “নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সহিংসতার আহ্বান” ইত্যাদি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে।
???? তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও অন্যান্য তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে:
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ সালে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছিল, যদিও দলের কার্যক্রম কিছু সময় স্থগিত রয়েছে — তবে নির্বাচন কমিশনই সিদ্ধান্ত নেবে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না।
আওয়ামী লীগ ও তার সমর্থকরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের এই অবস্থানকে রাজনৈতিকভাবে সমালোচনা করছে এবং নির্বাচন “অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায্য নয়” বলে তীব্র বিরোধ জানিয়েছে।
✔️ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে যে যেকোনো সহিংসতাকে দায় আওয়ামী লীগকে দিতে পারে। �
✔️ এর সঙ্গে আরও অনেক রাজনৈতিক ও নির্বাচন-সংক্রান্ত বিতর্ক চলছে—যেখানে দলটি নির্বাচন থেকে বাদ পড়েছে কিংবা অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন