ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

ফকিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল হক বাবুল

ফকিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল হক বাবুল

জুলাইয়ের আগেও ভোট চু'রি ছিল, জুলাইয়ের পরেও ভোট চু'রি হয়েছে: নোয়াখালীতে হাসনাত আব্দুল্লাহ

জুলাইয়ের আগেও ভোট চু'রি ছিল, জুলাইয়ের পরেও ভোট চু'রি হয়েছে: নোয়াখালীতে হাসনাত আব্দুল্লাহ

কর্মী বাঁচলে দল বাঁচবে ত্যাগীদের সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে—আশরাফুর রহমান বাবু

কর্মী বাঁচলে দল বাঁচবে ত্যাগীদের সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে—আশরাফুর রহমান বাবু

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবুকে মতলবে ৯৪ ব্যাচের সংবর্ধনা

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবুকে মতলবে ৯৪ ব্যাচের সংবর্ধনা

নোয়াখালীতে ছাত্রদল নেতা গু'লিবি'দ্ধ

নোয়াখালীতে ছাত্রদল নেতা গু'লিবি'দ্ধ

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ সমাবেশ

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ সমাবেশ

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল   ‎

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াখালীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ‎

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন শোয়াইব খন্দকার

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন শোয়াইব খন্দকার

জামায়াতে ইসলামী জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন

চাঁদপুর-২ আসনে জামায়াত জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী, কে এই বিল্লাল হোসেন মিয়াজী?

চাঁদপুর-২ আসনে জামায়াত জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী, কে এই বিল্লাল হোসেন মিয়াজী?
ছবিতেঃ বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপি-র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী।


চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে ১০ দলীয় জামায়াতে ইসলামী জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী।

দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় এই নেতা ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে আজ জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক অবস্থানে পৌঁছেছেন।

মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর জন্ম ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি। তাঁর পিতা মরহুম মো. আনোয়ার হোসেন এবং মাতা মোসা. সায়েরা বেগম। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

ব্যক্তিগত জীবনে রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সফল ঠিকাদার এবং একজন গর্বিত পিতা। তাঁর একমাত্র সন্তান মোগোলাম ফারুক অভি ইষ্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন।

বিল্লাল হোসেন স্নাতক (বিএ) ডিগ্রিধারী। পেশাগত জীবনে প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার হিসেবে তিনি এলজিআরডি, গণপূর্ত অধিদপ্তর, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ঠিকাদার হিসেবে কাজ করে আসছেন। কর্মজীবনে সততা ও দক্ষতার মাধ্যমে তিনি এলাকায় একজন গ্রহণযোগ্য পেশাজীবী হিসেবেও পরিচিত।

তিনি ১৯৮৮ সালে শহীদ নজরুল সরকারি ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি তার। সেখান থেকেই শুরু হয় তার সংগঠক হিসেবে গড়ে ওঠার পথচলা।

পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী যুবদল, মতলব উত্তর উপজেলার ১৩ নম্বর ইসলামাবাদ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

একই সঙ্গে তিনি মতলব উত্তর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০০৭ সালে তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-তে যোগ দিয়ে রাজনীতির নতুন অধ্যায় শুরু করেন। পরের বছর ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসন থেকে এলডিপির প্রার্থী হিসেবে ‘ছাতা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাতীয় পর্যায়ে তার পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়। দলের প্রতি নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এলডিপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে তিনি দলের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। বর্তমানে দলের মহাসচিবের পদ শূন্য থাকায় তিনি এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে তিনি ২০ দলীয় জোট এবং বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। ঢাকার রাজপথে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তার সাহসী ভূমিকা দলীয় অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে বারবার। মানুষের ভোটাধিকার, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে তিনি একাধিকবার রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সহকর্মীদের মতে, বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এমন একজন নেতা যিনি মাঠে থাকেন, কর্মীদের পাশে থাকেন এবং সংকটে নেতৃত্ব দেন, এই তিন বৈশিষ্ট্যের বিরল সমন্বয় তার রাজনৈতিক পরিচয়কে আলাদা করেছে।

১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-২ আসনে তার চূড়ান্ত মনোনয়ন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা এবং এলাকায় ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা সব মিলিয়ে বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এই আসনে জোটের জন্য একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পছন্দ।

ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে শুরু করে আজ ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর রাজনৈতিক জীবন একটানা সংগ্রাম, আন্দোলন ও সাংগঠনিক নিষ্ঠার গল্প। সময়ের সঙ্গে নিজেকে বারবার প্রমাণ করে তিনি আজ শুধু একজন দলীয় নেতা নন, বরং চাঁদপুর-২ আসনের রাজনীতিতে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


চাঁদপুর-২ আসনে জামায়াত জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী, কে এই বিল্লাল হোসেন মিয়াজী?

প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image


চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) সংসদীয় আসনে ১০ দলীয় জামায়াতে ইসলামী জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী।


দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় এই নেতা ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে আজ জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক অবস্থানে পৌঁছেছেন।

মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর জন্ম ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি। তাঁর পিতা মরহুম মো. আনোয়ার হোসেন এবং মাতা মোসা. সায়েরা বেগম। তিনি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।


ব্যক্তিগত জীবনে রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সফল ঠিকাদার এবং একজন গর্বিত পিতা। তাঁর একমাত্র সন্তান মোগোলাম ফারুক অভি ইষ্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন।


বিল্লাল হোসেন স্নাতক (বিএ) ডিগ্রিধারী। পেশাগত জীবনে প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার হিসেবে তিনি এলজিআরডি, গণপূর্ত অধিদপ্তর, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ঠিকাদার হিসেবে কাজ করে আসছেন। কর্মজীবনে সততা ও দক্ষতার মাধ্যমে তিনি এলাকায় একজন গ্রহণযোগ্য পেশাজীবী হিসেবেও পরিচিত।


তিনি ১৯৮৮ সালে শহীদ নজরুল সরকারি ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি তার। সেখান থেকেই শুরু হয় তার সংগঠক হিসেবে গড়ে ওঠার পথচলা।

পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী যুবদল, মতলব উত্তর উপজেলার ১৩ নম্বর ইসলামাবাদ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।


একই সঙ্গে তিনি মতলব উত্তর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।


২০০৭ সালে তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-তে যোগ দিয়ে রাজনীতির নতুন অধ্যায় শুরু করেন। পরের বছর ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসন থেকে এলডিপির প্রার্থী হিসেবে ‘ছাতা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাতীয় পর্যায়ে তার পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়। দলের প্রতি নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এলডিপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে তিনি দলের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। বর্তমানে দলের মহাসচিবের পদ শূন্য থাকায় তিনি এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে তিনি ২০ দলীয় জোট এবং বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। ঢাকার রাজপথে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তার সাহসী ভূমিকা দলীয় অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে বারবার। মানুষের ভোটাধিকার, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে তিনি একাধিকবার রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সহকর্মীদের মতে, বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এমন একজন নেতা যিনি মাঠে থাকেন, কর্মীদের পাশে থাকেন এবং সংকটে নেতৃত্ব দেন, এই তিন বৈশিষ্ট্যের বিরল সমন্বয় তার রাজনৈতিক পরিচয়কে আলাদা করেছে।


১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-২ আসনে তার চূড়ান্ত মনোনয়ন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা এবং এলাকায় ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা সব মিলিয়ে বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এই আসনে জোটের জন্য একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পছন্দ।

ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে শুরু করে আজ ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর রাজনৈতিক জীবন একটানা সংগ্রাম, আন্দোলন ও সাংগঠনিক নিষ্ঠার গল্প। সময়ের সঙ্গে নিজেকে বারবার প্রমাণ করে তিনি আজ শুধু একজন দলীয় নেতা নন, বরং চাঁদপুর-২ আসনের রাজনীতিতে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল