গাছে পেরেক লাগালে ২০ হাজার, কাটলে ১ লাখ টাকা জরিমানা — নতুন অধ্যাদেশ
ঢাকা, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ — পরিবেশ ও বৃক্ষ সংরক্ষণকে শক্তিশালী করতে সরকার ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে। এই অধ্যাদেশে গাছের ক্ষতি রোধে ঐতিহাসিকভাবে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
???? গাছে পেরেক বা ধাতব বস্তু লাগানো/ক্ষতি:
এখন থেকে কোনো গাছে পেরেক ঠুকলে বা ধাতব বস্তু দিয়ে ক্ষতি করলে অপরাধ হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করা হবে। আইন লঙ্ঘন করলে আদালত এই জরিমানা আরোপ করতে পারবে।
???? গাছ কাটা বা কর্তন:
অধ্যাদেশে কর্তন নিষিদ্ধ গাছ বা বিপদাপন্ন বৃক্ষ কেটে ফেলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। বিচারক চাইলে ওই ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশও দিতে পারবেন।
???? অনুমতি সাপেক্ষে কর্তন:
যেসব গাছ আইনত কর্তনযোগ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত আছে সেগুলো কাটার জন্য আগাম অনুমতি নিতে হবে এবং অনুমতি ছাড়া কর্তন করলে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
এই নিয়ম পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে জনস্বার্থে গৃহীত হয়েছে। সরকারের দাবি, এই বিধান প্রয়োগে বৃক্ষহরণের হার কমবে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা পাবে। �

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
গাছে পেরেক লাগালে ২০ হাজার, কাটলে ১ লাখ টাকা জরিমানা — নতুন অধ্যাদেশ
ঢাকা, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ — পরিবেশ ও বৃক্ষ সংরক্ষণকে শক্তিশালী করতে সরকার ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে। এই অধ্যাদেশে গাছের ক্ষতি রোধে ঐতিহাসিকভাবে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
???? গাছে পেরেক বা ধাতব বস্তু লাগানো/ক্ষতি:
এখন থেকে কোনো গাছে পেরেক ঠুকলে বা ধাতব বস্তু দিয়ে ক্ষতি করলে অপরাধ হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করা হবে। আইন লঙ্ঘন করলে আদালত এই জরিমানা আরোপ করতে পারবে।
???? গাছ কাটা বা কর্তন:
অধ্যাদেশে কর্তন নিষিদ্ধ গাছ বা বিপদাপন্ন বৃক্ষ কেটে ফেলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। বিচারক চাইলে ওই ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়নের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশও দিতে পারবেন।
???? অনুমতি সাপেক্ষে কর্তন:
যেসব গাছ আইনত কর্তনযোগ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত আছে সেগুলো কাটার জন্য আগাম অনুমতি নিতে হবে এবং অনুমতি ছাড়া কর্তন করলে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
এই নিয়ম পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে জনস্বার্থে গৃহীত হয়েছে। সরকারের দাবি, এই বিধান প্রয়োগে বৃক্ষহরণের হার কমবে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা পাবে। �

আপনার মতামত লিখুন