কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পী, শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর বিরুদ্ধে আলোচিত শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক আধিপত্য, পূর্ববিরোধ ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার আগে কয়েক দফা বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করছে তদন্তকারী সংস্থা।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের জবানবন্দি ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে তাজুল ইসলাম বাপ্পীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে এসেছে বলে জানায় পুলিশ। তবে এখনো আদালতে অভিযোগ প্রমাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ বলছে, এই হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত এবং এতে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও সাক্ষ্য যাচাই শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
এদিকে তাজুল ইসলাম বাপ্পীর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তার ঘনিষ্ঠদের দাবি, রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই তাকে মামলায় জড়ানো হচ্ছে। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। হত্যার পর থেকেই নাগরিক সমাজ ও নিহতের পরিবার দ্রুত বিচার এবং প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা যাবে না। তবে অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পী, শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর বিরুদ্ধে আলোচিত শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক আধিপত্য, পূর্ববিরোধ ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার আগে কয়েক দফা বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করছে তদন্তকারী সংস্থা।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের জবানবন্দি ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে তাজুল ইসলাম বাপ্পীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে এসেছে বলে জানায় পুলিশ। তবে এখনো আদালতে অভিযোগ প্রমাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ বলছে, এই হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত এবং এতে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও সাক্ষ্য যাচাই শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
এদিকে তাজুল ইসলাম বাপ্পীর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তার ঘনিষ্ঠদের দাবি, রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই তাকে মামলায় জড়ানো হচ্ছে। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। হত্যার পর থেকেই নাগরিক সমাজ ও নিহতের পরিবার দ্রুত বিচার এবং প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা যাবে না। তবে অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন