ডি এস কে টিভি চ্যানেল

আর্কাইভ দেখুন

যবিপ্রবিতে উপাচার্যের মতবিনিময় সভায় হট্টগোল: ছাত্ররাজনীতি নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্‌বিতণ্ডা

যবিপ্রবিতে উপাচার্যের মতবিনিময় সভায় হট্টগোল: ছাত্ররাজনীতি নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্‌বিতণ্ডা

যবিপ্রবিতে উপাচার্যের মতবিনিময় সভায় হট্টগোল: ছাত্ররাজনীতি নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্‌বিতণ্ডানিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) নবনিযুক্ত উপাচার্যের সাথে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভায় ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের ইস্যুকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা, বাগ্‌বিতণ্ডা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সভা শেষ না করেই সভাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।ঘটনার বিবরণ: শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শরীফ হোসেন গ্যালারিতে নতুন উপাচার্যের সাথে শিক্ষার্থীদের পূর্বনির্ধারিত এক মতবিনিময় সভা শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভার একপর্যায়ে ছাত্রদলপন্থি এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যের সময় দীর্ঘায়িত হওয়াকে কেন্দ্র করে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বক্তব্যের সময় ছাত্রদলপন্থি শিক্ষার্থীরা পাল্টা আপত্তি জানিয়ে ‘ভুয়া’, ‘গুপ্ত’ বলে স্লোগান দিতে থাকলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।রাজনীতি নিয়ে বিরোধ: জানা যায়, ছাত্রদলপন্থি শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি পুনরায় চালুর পক্ষে অবস্থান নিলেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি বৃহৎ অংশ এর তীব্র বিরোধিতা করে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি, রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধই থাকতে হবে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা চরমে পৌঁছালে উপাচার্য সভা স্থগিত করে সভাস্থল ত্যাগ করেন।পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও অবস্থান: ঘটনার পর ছাত্রদলপন্থি শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসময় তারা ‘ভিসি স্যারের অপমান, সইবো না’, ‘ক্যাম্পাসে মববাজি চলবে না’—এমন নানা স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, মতবিনিময় সভায় উপাচার্যকে জিম্মি করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং তাদের বক্তব্যে বাধা দিয়ে ‘মব কালচার’ সৃষ্টির পাঁয়তারা করা হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে এর বিচার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।অন্যদিকে, সাধারণ শিক্ষার্থীরাও প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিলে ক্যাম্পাস এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করতে থাকে।উপাচার্যের বক্তব্য: সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর সাংবাদিকদের বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী এই ক্যাম্পাসে সকল প্রকার দলীয় রাজনীতি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক ব্যানার বা প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কোনো সুযোগ এখানে নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। সকল প্রকার বিশৃঙ্খল আচরণ ও মববাজি দ্রুত নির্মূলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”উল্লেখ্য, এর আগে যবিপ্রবি’র ১০৩তম রিজেন্ট বোর্ডের সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য সকল ধরনের দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল।


বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনার থানায় অবস্থান

বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনার থানায় অবস্থান

ছবি আছে২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঠিক কয়েকদিন আগ মুহূর্তে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার নামের এক মেধাবী শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে অবস্থান নিয়েছেন জিয়ানগর থানায়।শনিবার (১৮এপ্রিল) পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ১নং চাড়াখালী গ্রামের আলম হাওলাদারের মেয়ে জিয়ানগর সরকারী সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেতে  জিয়ানগর থানায় দুই দফায় হাজির হয়ে বিয়ে ঠেকাতে প্রাণ পন চেষ্টা করে যাচ্ছে। তহমিনার স্কুল সহপাঠি সূত্রে জানা যায়, তাহমিনা আক্তার একজন মেধাবী শিক্ষার্থী, সে লেখাপড়ায় খুব ভালো। সে নিয়মিত ক্লাস করা সহ স্কুলে যাওয়া-আসা করে। আমরা চাই আমাদের বান্ধী লেখা পড়া করুক। শিক্ষিত হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক।  ও বাল্য বিবাহের শিকার হোক সেটা আমরা কেউ চাইনা।স্থানীয় সূত্র জানা যায়, চাড়াখালী গ্রামের বড় ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা আলম হাওলাদার একজন কৃষক শ্রেণীর মানুষ। অর্থনৈতিকভাবে তার অবস্থা তেমন একটা ভালো না। তবে তার মেয়েটা লেখাপড়ায় ভালো। প্রতিবেশী তাজুল ইসলাম জানান, শুনেছি অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে নাকি তার মেয়েটাকে সে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। তবে আমরাও চাই বাল্যবিবাহ হয়ে কোন মেয়ের জীবন যেন ধ্বংস না হয়। বাল্যবিবাহের বিষয়ে তাহমিনা জানান,  আমার বাবা ভাই ভাবি মিলে আমাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। আমি এই মুহূর্তে বিয়ে করতে চাচ্ছি না। আর কয়েকদিন পরে আমার এসএসসি পরীক্ষা আমি পরীক্ষা দিতে চাই। আমি লেখাপড়া করে নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে চাই। এই বয়সে আমার বিয়ে হয়ে গেলে আমার জীবনটা ধ্বংস হয়ে যাবে।  আমার বিয়ে ঠেকাতে আমি এই দুইবার থানায় এসেছি। সবার কাছে অনুরোধ আমার বিয়েটা আপনারা ঠেকান। এ বিষয়ে তহমিনার বাবা আলম হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার মেয়ের বয়স ১৮ বছর তিন মাস হয়েছে। আমরা তহমিনার জন্য সব সময় ভালো ছেলের খোঁজ পাই না। এইবার একটা ভালো বিয়ের প্রস্তাব এসেছে বিধায় আমরা রাজি হয়েছি। এবং এখানে বিয়ের কথা ঠিক করেছি। তাহমিনা বাল্য বিয়েতে রাজি না তারপরও তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে এ বিষয়ে তার কাছে  জানতে চাইলে আলম হাওলাদার জানান, আমরা চাই ওকে বিয়ে দিয়ে সংসারী করে জীবনটা দাঁড় করাতে। আর তাহামিনা চাচ্ছে লেখাপড়া করে চাকরি করতে। একটা অবিবাহিত মেয়ে চাকরি করলে মানুষজন কি বলবে।এ বিষয়ে তাহমিনার স্কুল শিক্ষক নাকির হোসেন জানান, তাহমিনাকে আমরা বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছি। আমরা এই বিবাহ যে কোন মূল্যে ঠেকাবো। কোন শিক্ষার্থীকেই আমরা ঝড়ে পড়তে দিবো না।জিয়ানগর থানা'র দ্বায়িত্বরত এস আই সাইদুর রহমান জানান, মেয়েটা কে আমরা বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করব। ওর অভিভাব কে ডাকা হয়েছে। বাল্যবিবাহ দিবে না এই শর্তে লিখিত আকারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখে মেয়েটাকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।


 নাগেশ্বরীতে ছাত্রকে বলাৎকার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুকের বি'রুদ্ধে মা'মলা, পলা'তক

নাগেশ্বরীতে ছাত্রকে বলাৎকার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুকের বি'রুদ্ধে মা'মলা, পলা'তক

নাগেশ্বরীতে ছাত্রকে বলাৎকার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা, পলাতকনিজস্ব প্রতিবেদক, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ওমর ফারুক (৪০) উপজেলার আনছারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং ‘তালেপের হাট সৃষ্টি পাবলিক মডেল স্কুল’-এর পরিচালক। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।মামলার বিবরণ ও লোমহর্ষক ঘটনামামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ রাত ৯টার দিকে শিক্ষক ওমর ফারুক নাগেশ্বরী পৌরসভার টিএনটি মোড়স্থ তার নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে সঙ্গে নিয়ে যান। পথিমধ্যে ছাত্রটিকে পান-সিগারেট খাওয়ার প্রস্তাব দিলে সে তা প্রত্যাখ্যান করে। রাত পৌনে ১১টার দিকে ছাত্রটিকে নিয়ে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান না থাকার সুযোগে গভীর রাতে ওই ছাত্রের ওপর যৌন নিপীড়ন শুরু করেন তিনি।ছাত্রটি অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হলে তাকে মারধর এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হলে ছাত্রটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতভর পাশবিক নির্যাতনের পর ভোর ৫টার দিকে ছাত্রটিকে গোসল করিয়ে আবারও স্কুলের আবাসিকে রেখে সটকে পড়েন শিক্ষক ওমর ফারুক।ভুক্তভোগীর আকুতি ও বর্তমান অবস্থাভুক্তভোগী ছাত্রটি সৃষ্টি পাবলিক মডেল স্কুলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং সন্তোষপুর ইউনিয়নের ধনী গাগলা এলাকার বাসিন্দা। নির্যাতনের পর সে কৌশলে তার বাবাকে অসুস্থতার কথা জানিয়ে বাড়িতে চলে যায় এবং পরিবারের কাছে বিস্তারিত খুলে বলে। বর্তমানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তবে সে প্রচণ্ড আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।স্কুল ও এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়াএই ঘটনার পর থেকে ‘সৃষ্টি পাবলিক মডেল স্কুল’ শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক ওমর ফারুক এর আগেও এ ধরণের একাধিক অনৈতিক ঘটনা ঘটিয়েছেন। স্থানীয় শিক্ষক নুর ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "একজন শিক্ষকের এমন আচরণে আমরা লজ্জিত। এমন শিক্ষককে কঠিন শাস্তি না দিলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয় ঘটবে।"মামলা তুলে নিতে হুমকিভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে ওমর ফারুকের অনুসারীরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এবং মামলা তুলে নিতে তাদের প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে আসছে। ফলে বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।প্রশাসনের বক্তব্যউপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান জানান: "অভিযোগ পাওয়ার পর সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দিয়ে তদন্ত করানো হয়েছে। বর্তমানে বৃত্তি পরীক্ষা চলমান থাকায় রিপোর্টটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো সম্ভব হয়নি। পরীক্ষা শেষ হলেই দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।"নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান বলেন: "এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"


নোয়াখালীতে ১৪০০ লিটার ডিজেলসহ গ্রে'ফতার ৪

নোয়াখালীতে ১৪০০ লিটার ডিজেলসহ গ্রে'ফতার ৪

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ করা ১৪০০ লিটার ডিজেলসহ চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় একটি ভাউচার গাড়িও জব্দ করা হয়।শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মহিনউদ্দিন। এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতাররা হলেন— রাশেদ (৩৮), ভাউচার গাড়ির চালক নাছির উদ্দিন (৪৭), শিহাব উদ্দিন (২২) ও মাকসুদ (৩২)। তারা সবাই সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ডিবির ওসির সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলার খলিফার হাট এলাকায় অবস্থানকালে গোপন তথ্য পায় চর মটুয়া ইউনিয়নের উদয় সাধুর হাট দক্ষিণ বাজারে অবস্থিত আব্দুল মালেক অয়েল স্টোরে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ডিজেল মজুদ করা হয়েছে।পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে সেখানে অভিযান চালানো হয়।অভিযানে অবৈধভাবে ডিজেল মজুদ ও বিক্রির অভিযোগে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪০০ লিটার ডিজেল ও একটি লাল রঙের ভাউচার গাড়ি জব্দ করা হয়।জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মহিনউদ্দিন জানান, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।


কোম্পানীগঞ্জে মাটি ভর্তি ট্রাক্টর আ'টক, চালক আদালতে প্রেরণ

কোম্পানীগঞ্জে মাটি ভর্তি ট্রাক্টর আ'টক, চালক আদালতে প্রেরণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি বহনের সময় একটি ট্রাক্টরসহ চালককে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) অভিযান চালিয়ে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইয়াকুব আলী চৌকিদার বাড়ি এলাকা থেকে মাটি ভর্তি ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়। এ সময় ট্রাক্টরের চালক আবু নাসের (৪০), পিতা-আবদুল মান্নানকে আটক করা হয়।কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নুরুল হাকিম জানান, আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে পরিবেশ রক্ষা ও কৃষিজমি সংরক্ষণ সম্ভব হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


নোয়াখালী সদরে প্রাইভেট কারের ধা'ক্কায় পথচারী নারী নি'হত।

নোয়াখালী সদরে প্রাইভেট কারের ধা'ক্কায় পথচারী নারী নি'হত।

নোয়াখালী সদর উপজেলায় প্রাইভেট কারের ধাক্কায় নাজমা বেগম (৪০) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছেন।শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের অলিপুর এলাকার সোনাপুর–কবিরহাট সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাজমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করতেন।কয়েক দিন আগে তিনি স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্থানীয় বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলে অলিপুর এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার তাকে চাপা দেয়।ঘটনার পর গাড়িটি দ্রুত পালিয়ে যায়।পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় নাজমা বেগমকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


কুড়িগ্রামে বিজিবির বড় সাফল্য: অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ২ চোরাকারবারি আটক

কুড়িগ্রামে বিজিবির বড় সাফল্য: অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ২ চোরাকারবারি আটক

কুড়িগ্রামে বিজিবির বড় সাফল্য: অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ২ চোরাকারবারি আটকনিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দিয়াডাঙ্গা সীমান্তসহ জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কুড়িগ্রাম-২২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।অভিযান ও জব্দকৃত মালামাল:বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে, জ্বালানি তেল, একটি মোটরসাইকেল এবং বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। জব্দকৃত এসব পণ্যের সিজার মূল্য ধরা হয়েছে মোট ৫৬ লক্ষ ৮ হাজার ৫০০ টাকা।আটককৃতদের পরিচয়:অভিযান চলাকালে সীমান্ত এলাকা থেকে আটক হওয়া দুই চোরাকারবারি হলেন— ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে মোঃ আনোয়ার (২৯) এবং একই ইউনিয়নের উত্তর ছাট পোপালপুর গ্রামের মোঘল হোসেনের ছেলে মোঃ রিপন (২৮)।বিজিবির বক্তব্য:কুড়িগ্রাম-২২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক, পিএসসি জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সবসময় তৎপর রয়েছে। তিনি বলেন, “মাদক ও চোরাচালান রোধে সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের এবং জব্দকৃত মালামাল কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।তারিখ: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬স্থান: কুড়িগ্রাম।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য: ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন সাবেক কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলাম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য: ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন সাবেক কাউন্সিলর আশরাফুল ইসলাম

**নিজস্ব প্রতিবেদক, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম)**কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আশরাফুল ইসলাম ইসরাইল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করে এবং নিজের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করে একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।বিবৃতিতে তিনি যে মূল বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন:* **ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধ:** তিনি স্পষ্টভাবে জানান, "আমি একজন গর্বিত মুসলিম। আল্লাহ এক, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর শেষ নবী এবং আল-কুরআন মুসলমানদের প্রকৃত জীবন বিধান—আমি মনে-প্রাণে তা বিশ্বাস করি। প্রতিটি মুসলমানের জন্য নবীজির দেখানো পথই নাজাতের একমাত্র উপায়।"* **ভ্রান্তি দূরীকরণ:** বিশেষ একটি বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করে তিনি বলেন, "আমি কখনোই গরুর গোশতকে হারাম বলিনি। একটি বিশেষ চক্র আমার বক্তব্যের খণ্ডিতাংশ ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ফায়দা লুটতে চাইছে। আমার কথায় কোনো মুসলিম ভাই কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"* **সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি:** তিনি সকল ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, পৃথিবীর সব সৃষ্টি এক আল্লাহর। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সবার নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও খাবারের অধিকার রয়েছে। তিনি সবাইকে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার এবং মানুষের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান।* **আত্মসংশোধন ও মানবতা:** অন্যের সমালোচনা করার চেয়ে নিজেকে সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য। ক্ষুধার্তকে অন্ন এবং বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দেওয়া প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব। আমাদের সুন্দর আচরণ দিয়ে সমাজকে আলোকিত করতে হবে।"* **সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান:** মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য তিনি ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর জোর দেন।**রাজনৈতিক অবস্থান:**আশরাফুল ইসলাম ইসরাইল পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবনের বসবাসের কারণে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় পদে ছিলেন না। আদর্শগতভাবে ছাত্র জীবনে শিবির এবং তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ ও সমর্থন করেন, তবে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক স্বার্থের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই কোন পদবি গ্রহণ করেন নাই।তিনি নাগেশ্বরী উপজেলাবাসীকে সকল বিভেদ ভুলে শান্তিতে ও মিলেমিশে থাকার আহ্বান জানিয়ে তাঁর বক্তব্যের সমাপ্তি টানেন। তাঁর এই স্পষ্ট ও আবেগঘন ব্যাখ্যার পর স্থানীয় পর্যায়ে সৃষ্ট উত্তজনা প্রশমিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম করবেন; স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রী সাহেব প্রশংসা একটু কম করবেন; স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রশংসা একটু সংযত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, অতিরিক্ত প্রশংসা না করে কাজের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।তিনি ইঙ্গিত দেন, সরকারের সাফল্য নিজেই মানুষের কাছে দৃশ্যমান হলে আলাদা করে অতিরিক্ত প্রশংসার প্রয়োজন পড়ে না। বরং বাস্তবমুখী উদ্যোগ, সেবার মান উন্নয়ন এবং মানুষের আস্থা অর্জনই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।এই বক্তব্যকে অনেকেই প্রশাসনের ভেতরে আত্মসমালোচনা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর একটি বার্তা হিসেবে দেখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য মন্ত্রীদের কার্যক্রমে আরও দায়িত্বশীলতা ও বাস্তব ফলাফলের দিকে মনোযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।


মার্কিন অব'রোধের প্রতিবাদে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিল আইআরজিসি

মার্কিন অব'রোধের প্রতিবাদে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিল আইআরজিসি

মার্কিন অবরোধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস—Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)—হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ Strait of Hormuz প্রতিদিন বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের বড় একটি অংশ বহন করে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে ইউরোপ ও এশিয়ায় তেল পরিবহনের জন্য এই প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এখানে যেকোনো উত্তেজনা সরাসরি বিশ্ববাজারে প্রভাব ফেলে।ইরানের এই পদক্ষেপ এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার জবাবে। United States-এর আরোপিত অবরোধের ফলে ইরানের তেল রপ্তানি ও অর্থনীতি ব্যাপক চাপে রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে তেহরান বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে, প্রয়োজনে তারা হরমুজ প্রণালি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ বা সীমিত করতে পারে।বিশ্লেষকরা বলছেন, আইআরজিসির এই সক্রিয় উপস্থিতি আসলে শক্তির প্রদর্শন এবং কৌশলগত বার্তা—যা শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, পুরো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশেই দেওয়া। এতে করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এদিকে, Iran সরকার বলছে, তাদের এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক এবং নিজেদের সার্বভৌম স্বার্থ রক্ষার অংশ। তবে পশ্চিমা বিশ্ব এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে।সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে এই নতুন পরিস্থিতি শুধু ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


সময় মত হামের টিকা না দিয়ে বিগত সরকার ক্ষমাহীন অপ'রাধ করেছেন: প্রধানমন্ত্রী

সময় মত হামের টিকা না দিয়ে বিগত সরকার ক্ষমাহীন অপ'রাধ করেছেন: প্রধানমন্ত্রী

সময়মতো হাম প্রতিরোধে টিকা কার্যক্রম জোরদার না করা ছিল বিগত সরকারের একটি “ক্ষমাহীন অপরাধ”। তার এই মন্তব্যে দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।তিনি উল্লেখ করেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ—যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ যথাসময়ে কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা গেলে এই রোগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব ছিল। কিন্তু আগের সরকারের অবহেলা, পরিকল্পনার ঘাটতি এবং স্বাস্থ্যখাতে যথাযথ নজরদারির অভাবে বহু শিশু অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকিতে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার টিকাদান কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও যেন প্রতিটি শিশু প্রয়োজনীয় টিকা পায়, সে জন্য নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থার জবাবদিহিতা বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।তার এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে জনস্বাস্থ্যের গুরুত্ব তুলে ধরার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন—এটি অতীত সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে বর্তমান অবস্থানকে শক্তিশালী করার কৌশল।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাম প্রতিরোধে নিয়মিত ও সময়মতো টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তাই রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে গিয়ে বাস্তবিকভাবে টিকাদান কর্মসূচি শক্তিশালী করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।


বড়াইবাড়ি দিবস আজ: মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষার ২৫ বছর

বড়াইবাড়ি দিবস আজ: মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষার ২৫ বছর

বড়াইবাড়ি দিবস আজ: মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষার ২৫ বছরসীমান্তে বিএসএফ-এর আগ্রাসন রুখে দেওয়ার সেই বীরত্বগাথানিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম:আজ ১৮ এপ্রিল, ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস। ২০০১ সালের এই দিনে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর আগ্রাসন ও অতর্কিত আক্রমণ রুখে দিয়েছিল তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) ও স্থানীয় বীর জনতা। মাতৃভূমির অখণ্ডতা রক্ষায় বিডিআর জওয়ানদের সেই অদম্য সাহস ও আত্মত্যাগের স্মৃতি আজও প্রতিটি বাংলাদেশির হৃদয়ে প্রেরণা জোগায়।সেদিন যা ঘটেছিল২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ভোর ৫টা। কুড়িগ্রামের রৌমারীর বড়াইবাড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) হঠাৎ করেই বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বিডিআর ক্যাম্প দখলের উদ্দেশ্যে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অনুপ্রবেশ করে। বিএসএফ-এর এই আকস্মিক পদযাত্রার প্রথম সাক্ষী হন স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক লাল মিয়া। নিজের কাজে বের হওয়া লাল মিয়াকে আটকে বিএসএফ কমান্ডার বিডিআর ক্যাম্পের অবস্থান জানতে চায়।চরম বিপদের মুখেও অসীম বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন লাল মিয়া। তিনি বিএসএফ বাহিনীকে কৌশলে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির দিকে দেখিয়ে দিয়ে বলেন সেটিই ক্যাম্প। বিএসএফ সেখানে গুলিবর্ষণ শুরু করার সুযোগে লাল মিয়া দ্রুত দৌড়ে প্রকৃত বিডিআর ক্যাম্পে খবর পৌঁছে দেন। তার এই সাহসিকতায় অপ্রস্তুত আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পায় বিডিআর।জনতা ও জওয়ানদের সম্মিলিত প্রতিরোধখবর পাওয়ার সাথে সাথেই তৎকালীন বিডিআর জওয়ানরা পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। এদিকে লাল মিয়ার মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় গ্রামবাসীরা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জওয়ানদের পাশে এসে দাঁড়ান। সংখ্যায় এবং ভারী অস্ত্রে বিএসএফ বহুগুণ শক্তিশালী হলেও বিডিআর ও স্থানীয় জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করে পিছু হটতে বাধ্য হয় হানাদার বাহিনী।শহীদ ও ক্ষয়ক্ষতিদেশের মাটি রক্ষা করতে গিয়ে এই যুদ্ধে ৩৩ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ল্যান্স নায়েক ওয়াহিদ মিয়া, সিপাহী মাহফুজ এবং ২৬ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সিপাহী আব্দুল কাদের শাহাদাত বরণ করেন। এছাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে ৮০ বছর বয়সী ছবিরন বেওয়া ও মোস্তফা মুন্সিসহ আরও অনেকে আহত হন। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অকুতোভয় জওয়ানদের গুলিতে বিএসএফ-এর একজন অফিসারসহ প্রায় ১৩৭ জন সদস্য নিহত হন। বিএসএফ সদস্যরা তাদের নিহত সঙ্গীদের মরদেহ ফেলে রেখেই পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।স্মৃতিস্তম্ভ ও আজকের দিনবড়াইবাড়ির সেই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে এবং শহীদ তিন বীরের সম্মানে ২০০৪ সালে বড়াইবাড়ি বিডিআর ক্যাম্পে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। প্রতি বছর বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করেন। তবে সীমান্তবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, এই বীরত্বগাথাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও গুরুত্বের সাথে উদযাপন করা হোক এবং শহীদ পরিবারগুলোর সম্মাননা নিশ্চিত করা হোক।বড়াইবাড়ি যুদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে এক অনন্য নজির। এই দিনে কুড়িগ্রামসহ সারা দেশের মানুষ গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে সেই বীরদের, যারা জীবন দিয়ে রক্ষা করেছিলেন বাংলার এক ইঞ্চি মাটি।


ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করছে জামায়াতে ইসলামী

ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করছে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন একটি আলোচনা তৈরি করেছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা শ্যাডো কেবিনেট গঠনের উদ্যোগকে ঘিরে। দলটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে সামনে রেখে তারা একটি বিকল্প নীতি-পরামর্শক কাঠামো তৈরি করছে, যেখানে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে সম্ভাব্য নীতিনির্ধারণী প্রস্তুতি রাখা হবে।দলীয় সূত্র অনুযায়ী, এই ছায়া মন্ত্রিসভায় থাকবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্য, দলের সিনিয়র নেতা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্রনীতি, কৃষি ও প্রশাসনসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোকে ভিত্তি করে আলাদা আলাদা টিম কাজ করবে। মূল উদ্দেশ্য হলো সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী ধরনের নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, তার একটি পূর্বপ্রস্তুত কাঠামো তৈরি রাখা।দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়াটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং আরও এক থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। তার মতে, ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন হলে তা দলের নীতি প্রণয়ন, জনমুখী পরিকল্পনা তৈরি এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক প্রস্তুতিকে আরও সুসংগঠিত করবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে এই ধরনের ‘শ্যাডো কেবিনেট’ ধারণা তুলনামূলকভাবে নতুন এবং এটি মূলত সংসদীয় গণতন্ত্রে বিকল্প নীতিনির্ধারণী চর্চা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে বিরোধী দলগুলো সরকারের নীতির সমালোচনা করার পাশাপাশি বিকল্প প্রস্তাবও তুলে ধরতে পারে। তবে বাংলাদেশে এর কার্যকারিতা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা সময়ের ওপর নির্ভর করবে বলে তারা মনে করছেন।সব মিলিয়ে, জামায়াতে ইসলামীর এই উদ্যোগ দেশের রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই ছায়া মন্ত্রিসভা কেবল দলীয় কৌশল হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি ভবিষ্যতে বাস্তব নীতিনির্ধারণী ভূমিকায় প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।


  দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম পাঠাবে না তেহরান, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি প্রত্যা'খ্যান

দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম পাঠাবে না তেহরান, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি প্রত্যা'খ্যান

তেহরান থেকে ঘোষণা এসেছে যে দেশের বাইরে ইউরেনিয়াম সরবরাহ বা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে এই অবস্থান জানানো হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের মতে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর নজরদারির মধ্যেই সব কার্যক্রম চলছে।যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কিছু অংশ গোপনে বিদেশে স্থানান্তর করতে পারে, যা সম্ভাব্যভাবে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। তবে ইরান এই অভিযোগকে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যা দিয়েছে। তেহরানের দাবি, বারবার এমন অভিযোগ তুলে দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যার বাস্তব ভিত্তি নেই।ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী ইরানের যে অধিকার রয়েছে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণার, তা কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। তারা আরও জানায়, ইউরেনিয়াম দেশের ভেতরেই সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা হস্তান্তরের প্রশ্নই ওঠে না।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের বক্তব্য নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আস্থাহীনতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।বর্তমান অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আবারও দুই পক্ষকে সংলাপে ফেরার আহ্বান জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য এই ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


তিলাই ইউনিয়নে মেম্বার পদে আব্দুর রাজ্জাক সরকারের প্রার্থিতা ঘোষণা: ব্যাপক গণসংযোগ শুরু

তিলাই ইউনিয়নে মেম্বার পদে আব্দুর রাজ্জাক সরকারের প্রার্থিতা ঘোষণা: ব্যাপক গণসংযোগ শুরু

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি তারিখ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬স্থান: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।তিলাই ইউনিয়নে মেম্বার পদে আব্দুর রাজ্জাক সরকারের প্রার্থিতা ঘোষণা: ব্যাপক গণসংযোগ শুরুভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ৩ নং তিলাই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সরকার। সৎ নেতৃত্ব, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং জনসেবার অঙ্গীকার নিয়ে তিনি ইতোমধ্যেই ওয়ার্ডজুড়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময় শুরু করেছেন।মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সরকার ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম মুনছুর আলী সরকারের দ্বিতীয় পুত্র। পারিবারিকভাবে জনসেবার যে ধারাবাহিকতা রয়েছে, তা বজায় রাখতেই তিনি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন বলে জানান। স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তার পিতা দীর্ঘকাল অত্র এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। পিতার সেই আদর্শকে ধারণ করে এবং এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়নমূলক কাজগুলো সম্পন্ন করাই তার মূল লক্ষ্য।প্রার্থী হিসেবে নিজেকে সাধারণ মানুষের বন্ধু ও সেবক হিসেবে উল্লেখ করে আব্দুর রাজ্জাক সরকার বলেন, "আমি নির্বাচিত হলে ৬ নং ওয়ার্ডকে একটি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ সমাজ হিসেবে গড়ে তুলব। শিক্ষা বিস্তার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচন হবে আমার প্রধান অগ্রাধিকার। বিশেষ করে অবহেলিত রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত হকদাররা পান, তা নিশ্চিত করতে আমি বদ্ধপরিকর।"তিনি আরও জানান, তিলাই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ও 'মডেল ওয়ার্ড' হিসেবে রূপান্তর করতে চান তিনি, যেখানে থাকবে বৈষম্যহীন পরিবেশ এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি প্রতিদিন গ্রাম-গঞ্জের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও হাট-বাজারে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এবং দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করছেন।আব্দুর রাজ্জাক সরকার বলেন, "আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং এলাকার মুরুব্বি ও তরুণ সমাজের অনুরোধে এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। আমি আমার ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসা কামনা করছি।"স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পারিবারিক পরিচিতি এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে আব্দুর রাজ্জাক সরকারের প্রার্থিতা নিয়ে এলাকায় বেশ ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। উন্নয়নের এই অঙ্গীকার এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আসন্ন নির্বাচনে তাকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


কুড়িগ্রাম জেলা বারে সদস্যপদ ফি ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত: নবাগত আইনজীবীদের মাঝে ক্ষোভ

কুড়িগ্রাম জেলা বারে সদস্যপদ ফি ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত: নবাগত আইনজীবীদের মাঝে ক্ষোভ

আপনার সংগৃহীত তথ্যগুলো ব্যবহার করে নিউজের জন্য একটি মার্জিত এবং বস্তুনিষ্ঠ খসড়া নিচে দেওয়া হলো:কুড়িগ্রাম জেলা বারে সদস্যপদ ফি ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত: নবাগত আইনজীবীদের মাঝে ক্ষোভনিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন সদস্যভুক্তির ফি নজিরবিহীনভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০২৬ সালে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আইনজীবীদের জন্য বয়স ও পেশাগত প্রেক্ষাপট ভেদে এই ফি আড়াই লাখ থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে সমিতি। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম বার হিসেবে পরিচিত ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে যেখানে এই ফি সর্বোচ্চ সাড়ে ২৯ হাজার টাকা, সেখানে কুড়িগ্রামের মতো একটি জেলা বারে এমন চড়া ফি নির্ধারণকে ‘অন্যায্য’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী’ বলছেন নবাগতরা।গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সরদার তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন ফি’র বিষয়ে জানানো হয়।ফির নতুন বিন্যাস:বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ফির হার নিম্নরূপ:৪০ বছরের নিচে: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।৪০ বছরের ঊর্ধ্বে: ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।বেসরকারি চাকরি থেকে আসা ব্যক্তি: ৪ লাখ টাকা।সরকারি চাকরি থেকে আসা ব্যক্তি: ৫ লাখ টাকা।১৩ বছরে ফি বেড়েছে কয়েক গুণ:অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৩ সালে এই সমিতিতে ভর্তি ফি ছিল মাত্র ২৯ হাজার টাকা। গত বছরও এটি ছিল এক লাখ টাকার সামান্য বেশি। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সেই ফি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে প্রতিটি ওকালতনামার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ টাকা।নবাগতদের আর্তনাদ:নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নবাগত আইনজীবী জানান, আইন পেশার শুরুতে এই বিশাল অঙ্কের টাকা জোগাড় করা অনেকের জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেককে জমি বন্ধক রেখে বা চড়া সুদে ঋণ নিয়ে সদস্যপদের টাকা জমা দিতে হচ্ছে। তাদের দাবি, এটি মেধাবী নবাগতদের আইন পেশায় আসার পথ রুদ্ধ করার শামিল। এই ফি কমানোর বিষয়ে তারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।সমিতির ব্যাখ্যা:ফি বৃদ্ধির বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সরদার তাজুল ইসলাম বলেন, "এটি সমিতির সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত। কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি তার সদস্যদের অন্যান্য বারের তুলনায় অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে।"তিনি আরও জানান, সমিতির সদস্যরা বর্তমানে বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উৎসব ভাতা, প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং ডিপিএস বাবদ আরও ২ হাজার টাকা সুবিধা পেয়ে থাকেন। নতুন সদস্যরাও যোগদানের পর থেকে এসব সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন বলেই এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩০০ জন। চলতি বছর আরও প্রায় অর্ধশতাধিক নতুন সদস্য এই সমিতিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে উচ্চহারের এই ফি নিয়ে আইনজীবী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।


২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

পদ্মায় বাসডুবিতে রানা প্লাজার সেই নাসিমার মৃ/ত্যু

ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শো'ক ঘোষণা

১০ দফা দাবি মেনে নিলেন ট্রাম্প, চুক্তিতে বিজয় ইরান

হা'দীকে হ"ত্যার জন্য খু"নি ফয়সালকে মীর্জা আব্বাস ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন

দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করল বিআরটিএ

সংসদ নির্বাচন: ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষে'ধাজ্ঞা জারি

জুমার নামাজের সময় মসজিদে ভ'য়াবহ হামলা: নি'হত ৫, আ'হত বহু

প্রতিমন্ত্রীর গানম্যানের বে'পরো'য়া তা'ণ্ডব: সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হু'মকি।

১০

পরাজিত হয়েছেন আলোচিত যেসব প্রার্থী

জনপ্রিয় সব খবর
সর্বশেষ সব খবর

আর্কাইভ