প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগত ইচ্ছায় নয়, বরং জনগণের আহ্বানে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৫
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগত ইচ্ছায় নয়, বরং জনগণের আহ্বানে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তাঁর ভাষায়, পরিবর্তনের যে দাবি আজ দৃশ্যমান, সেটি তাঁর নিজস্ব নয়—এটি এসেছে জনগণের পক্ষ থেকে। তিনি কেবল তাদের নির্ধারিত পথে সহযাত্রী ও পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করছেন।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে ১১ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত তিনি দেশটিতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর করেন। সফরের শেষ দিন মালয়েশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রধান সম্পাদক আরুল রাজু দুরার রাজের সঙ্গে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এসময় ইন্টারন্যাশনাল নিউজ সার্ভিসের সম্পাদক ভুন মিয়াও পিং এবং বারনামার অর্থনৈতিক সংবাদ বিভাগের সহকারী সম্পাদক কিশো কুমারী সুশেদারামও উপস্থিত ছিলেন।
ড. ইউনূস সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি নিজের কোনো সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর চাপিয়ে দেন না; বরং জনগণের অভিমত ও প্রত্যাশা পর্যালোচনা করেই তা বাস্তবায়নে উদ্যোগী হন। তাঁর মতে, বর্তমান অবস্থানে তিনি রাজনৈতিক নেতা নন, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে, সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের ভেতরে নানা বাধা রয়েছে এবং কিছু রাজনৈতিক শক্তি ইচ্ছে করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে গত দেড় দশকে একটি বড় অংশ নতুন ভোটার হিসেবে যুক্ত হলেও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ হয়নি। কেউ দশ বছর ধরে অপেক্ষা করছেন, কেউ বা পনেরো বছর ধরে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন—“ভাবুন, আপনার বয়স ১৮ হলো, আপনি ভোট দিতে প্রস্তুত, অথচ কোনোদিন সুযোগ পেলেন না। কারণ দেশে প্রকৃত অর্থে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি।” এবার সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে; ১৫ বছর পর নাগরিকরা প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন