ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : রোববার, ১৭ আগস্ট ২০২৫

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি অপসারণ নিয়ে কোনো প্রকার লিখিত নির্দেশনা জারি হয়নি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি অপসারণ নিয়ে কোনো প্রকার লিখিত নির্দেশনা জারি হয়নি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি অপসারণ নিয়ে কোনো প্রকার লিখিত নির্দেশনা জারি হয়নি। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের দপ্তর ও বাসভবনে ধীরে ধীরে ‘জিরো পোর্ট্রেট নীতি’ কার্যকর হয়েছে—অর্থাৎ কোনো রাষ্ট্রনেতার ছবি রাখা হচ্ছে না। রোববার (১৭ আগস্ট) একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বিদেশে দায়িত্ব পালনরত একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, সদর দপ্তর থেকে সরাসরি কোনো চিঠি বা নির্দেশনা পাঠানো হয়নি। তবে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বোঝা গিয়েছিল। তিনি বলেন, “৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরপরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরানো হয়। এরপর মন্ত্রণালয় মিশনপ্রধানদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করে। আমরা লক্ষ্য করি, মন্ত্রণালয়ের ভেতরেও কোনো ছবি নেই। সেই বার্তাই আসলে মূল সংকেত দেয়। তাই রাষ্ট্রপতির ছবিও অনেক আগেই সরানো হয়েছিল।” তার মতে, বিদেশি বেশিরভাগ মিশন কয়েক মাস ধরেই একই নিয়ম— অর্থাৎ কোনো ছবি না রাখার নীতি— অনুসরণ করে আসছে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের দপ্তর ও বাসভবনে ধীরে ধীরে ‘জিরো পোর্ট্রেট নীতি’ কার্যকর হয়েছে—অর্থাৎ কোনো রাষ্ট্রনেতার ছবি রাখা হচ্ছে না। রোববার (১৭ আগস্ট) একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বিদেশে দায়িত্ব পালনরত একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, সদর দপ্তর থেকে সরাসরি কোনো চিঠি বা নির্দেশনা পাঠানো হয়নি। তবে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বোঝা গিয়েছিল। তিনি বলেন, “৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরপরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরানো হয়। এরপর মন্ত্রণালয় মিশনপ্রধানদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করে। আমরা লক্ষ্য করি, মন্ত্রণালয়ের ভেতরেও কোনো ছবি নেই। সেই বার্তাই আসলে মূল সংকেত দেয়। তাই রাষ্ট্রপতির ছবিও অনেক আগেই সরানো হয়েছিল।” তার মতে, বিদেশি বেশিরভাগ মিশন কয়েক মাস ধরেই একই নিয়ম— অর্থাৎ কোনো ছবি না রাখার নীতি— অনুসরণ করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি অপসারণ নিয়ে কোনো প্রকার লিখিত নির্দেশনা জারি হয়নি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৫

featured Image
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি অপসারণ নিয়ে কোনো প্রকার লিখিত নির্দেশনা জারি হয়নি। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের দপ্তর ও বাসভবনে ধীরে ধীরে ‘জিরো পোর্ট্রেট নীতি’ কার্যকর হয়েছে—অর্থাৎ কোনো রাষ্ট্রনেতার ছবি রাখা হচ্ছে না। রোববার (১৭ আগস্ট) একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বিদেশে দায়িত্ব পালনরত একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, সদর দপ্তর থেকে সরাসরি কোনো চিঠি বা নির্দেশনা পাঠানো হয়নি। তবে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বোঝা গিয়েছিল। তিনি বলেন, “৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরপরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরানো হয়। এরপর মন্ত্রণালয় মিশনপ্রধানদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করে। আমরা লক্ষ্য করি, মন্ত্রণালয়ের ভেতরেও কোনো ছবি নেই। সেই বার্তাই আসলে মূল সংকেত দেয়। তাই রাষ্ট্রপতির ছবিও অনেক আগেই সরানো হয়েছিল।” তার মতে, বিদেশি বেশিরভাগ মিশন কয়েক মাস ধরেই একই নিয়ম— অর্থাৎ কোনো ছবি না রাখার নীতি— অনুসরণ করে আসছে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, কনস্যুলেট, কূটনীতিকদের দপ্তর ও বাসভবনে ধীরে ধীরে ‘জিরো পোর্ট্রেট নীতি’ কার্যকর হয়েছে—অর্থাৎ কোনো রাষ্ট্রনেতার ছবি রাখা হচ্ছে না। রোববার (১৭ আগস্ট) একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বিদেশে দায়িত্ব পালনরত একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, সদর দপ্তর থেকে সরাসরি কোনো চিঠি বা নির্দেশনা পাঠানো হয়নি। তবে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বোঝা গিয়েছিল। তিনি বলেন, “৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরপরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সরানো হয়। এরপর মন্ত্রণালয় মিশনপ্রধানদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করে। আমরা লক্ষ্য করি, মন্ত্রণালয়ের ভেতরেও কোনো ছবি নেই। সেই বার্তাই আসলে মূল সংকেত দেয়। তাই রাষ্ট্রপতির ছবিও অনেক আগেই সরানো হয়েছিল।” তার মতে, বিদেশি বেশিরভাগ মিশন কয়েক মাস ধরেই একই নিয়ম— অর্থাৎ কোনো ছবি না রাখার নীতি— অনুসরণ করে আসছে।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল