ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট ২০২৫

মাই টিভি’ দখলের ঘটনায় গ্রেফতার: নুরের অভিযোগ

মাই টিভি’ দখলের ঘটনায় গ্রেফতার: নুরের অভিযোগ
মাই টিভি’ দখলের ঘটনায় গ্রেফতার: নুরের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর অভিযোগ করেছেন, সুপরিকল্পিত যোগসাজশের মাধ্যমে ‘মাই টিভি’র চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী ও তার ছেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করানো হয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) রাত ১টা ৬ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। নুর লিখেছেন, “যেভাবে ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ঘটনা ঘটানো হয়েছিল, একইভাবে কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে ‘মাই টিভি’ও দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। নগদ অর্থ বা শেয়ার নিয়ে আপসের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় অবশেষে ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল মবের মাধ্যমে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ী থানার ছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার করানো হলো।” তিনি প্রশ্ন তোলেন—এক বছর পর এই মামলায় হঠাৎ তাদের নাম যুক্ত করে গ্রেফতার করার যৌক্তিকতা কোথায়? প্রকৃতপক্ষে তৌহিদ আফ্রিদি কিংবা তার বাবা ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, এমন প্রমাণ দেখাতে পারবে কি মামলার বাদী? ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, যদি আফ্রিদির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, তবে সে অনুযায়ী মামলা করা যেত। অথচ তাকে ও তার বাবাকে ভিন্ন মামলায় ‘ভিত্তিহীনভাবে’ আসামি করা হয়েছে। তার মতে, প্রশাসন মাঝে মাঝে দুর্বৃত্তচালিত চাপে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অন্যায় গ্রেফতারের উদাহরণ হিসেবে দেশি-বিদেশি মহলে উল্লেখ করা হবে। তিনি আরও জানান, এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে। তার মতে, এসব সিদ্ধান্ত কার্যত ফ্যাসিবাদী প্রবণতাকে উসকে দিচ্ছে। স্ট্যাটাসে নুর দাবি করেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের মতোই ‘মাই টিভি’ দখলের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। মামলার প্রেক্ষাপট ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনের সময় মো. আসাদুল হক বাবু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন গত বছরের ৩০ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়। তালিকায় নাসির উদ্দীন সাথী ২২ নম্বর এবং তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখিত। ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে সিআইডি গ্রেফতার করে এবং পরদিন আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


মাই টিভি’ দখলের ঘটনায় গ্রেফতার: নুরের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৫

featured Image
মাই টিভি’ দখলের ঘটনায় গ্রেফতার: নুরের অভিযোগ গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর অভিযোগ করেছেন, সুপরিকল্পিত যোগসাজশের মাধ্যমে ‘মাই টিভি’র চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী ও তার ছেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করানো হয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) রাত ১টা ৬ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। নুর লিখেছেন, “যেভাবে ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ঘটনা ঘটানো হয়েছিল, একইভাবে কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে ‘মাই টিভি’ও দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। নগদ অর্থ বা শেয়ার নিয়ে আপসের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় অবশেষে ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল মবের মাধ্যমে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ী থানার ছাত্র হত্যা মামলায় গ্রেফতার করানো হলো।” তিনি প্রশ্ন তোলেন—এক বছর পর এই মামলায় হঠাৎ তাদের নাম যুক্ত করে গ্রেফতার করার যৌক্তিকতা কোথায়? প্রকৃতপক্ষে তৌহিদ আফ্রিদি কিংবা তার বাবা ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, এমন প্রমাণ দেখাতে পারবে কি মামলার বাদী? ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, যদি আফ্রিদির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, তবে সে অনুযায়ী মামলা করা যেত। অথচ তাকে ও তার বাবাকে ভিন্ন মামলায় ‘ভিত্তিহীনভাবে’ আসামি করা হয়েছে। তার মতে, প্রশাসন মাঝে মাঝে দুর্বৃত্তচালিত চাপে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অন্যায় গ্রেফতারের উদাহরণ হিসেবে দেশি-বিদেশি মহলে উল্লেখ করা হবে। তিনি আরও জানান, এ ধরনের পদক্ষেপ সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে। তার মতে, এসব সিদ্ধান্ত কার্যত ফ্যাসিবাদী প্রবণতাকে উসকে দিচ্ছে। স্ট্যাটাসে নুর দাবি করেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের মতোই ‘মাই টিভি’ দখলের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। মামলার প্রেক্ষাপট ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনের সময় মো. আসাদুল হক বাবু গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন গত বছরের ৩০ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়। তালিকায় নাসির উদ্দীন সাথী ২২ নম্বর এবং তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখিত। ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে সিআইডি গ্রেফতার করে এবং পরদিন আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল