গাজাবাসী উচ্ছেদের পরিকল্পনায় নেতানিয়াহু, প্রতিবাদে মিশর ও কাতার
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গাজাবাসী উচ্ছেদের পরিকল্পনায় নেতানিয়াহু, প্রতিবাদে মিশর ও কাতার
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক মন্তব্যে গাজার জনগণকে জোরপূর্বক স্থানান্তরের ইঙ্গিত দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মিশর ও কাতার। দুটি দেশই এ ধরনের পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধের সামিল বলে অভিহিত করেছে।
গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) গাজা শহরের আল-শিফা হাসপাতালে ইসরাইলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের জানাজায় স্বজনদের কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। এদিনই মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, নেতানিয়াহুর মন্তব্য এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল ছাড়া কিছু নয়। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করে, এসব বক্তব্যের মাধ্যমে ইসরাইল নিজেদের দায় এড়িয়ে যেতে চাইছে।
ইসরাইলি টেলিগ্রাম চ্যানেল আবু আলি এক্সপ্রেস-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, গাজার পুনর্গঠনে বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে এবং স্থানীয় অনেকেই এলাকা ছাড়তে আগ্রহী। যদিও তিনি একে ‘গণউচ্ছেদ’ নয় বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, “আমি চাইলে রাফাহ ক্রসিং খুলে দিতে পারি, কিন্তু মিশর সেটি সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেবে।”
মিশর অবশ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফিলিস্তিনিদের জোর করে উচ্ছেদের যেকোনো উদ্যোগ তারা পূর্বের মতোই প্রত্যাখ্যান করবে। কায়রোর বার্তায় বলা হয়, এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ভঙ্গের শামিল এবং মিশর কখনো এ ধরনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে না বা করিডর হিসেবেও কাজ করবে না। তারা একে ‘লাল রেখা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে, কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেতানিয়াহুর মন্তব্যকে সরাসরি ফিলিস্তিনি অধিকার খর্ব করার নীতির সম্প্রসারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। কাতার মনে করে, দখলদার ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের সমষ্টিগত শাস্তির নীতি কখনোই সফল হবে না এবং এতে ফিলিস্তিনিরা তাদের ভূমি ও অধিকার ছাড়তে বাধ্য হবে না।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাতারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরাইলের উসকানিমূলক দখলনীতি বন্ধ করতে না পারলে সহিংসতার এই চক্র শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, সমগ্র বিশ্বেই অস্থিরতা তৈরি করবে
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন