ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে — মির্জা ফখরুল

নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে — মির্জা ফখরুল
নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে — মির্জা ফখরুল নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে — মির্জা ফখরুলফখরুল বলেন, “নিশ্চয়ই নির্বাচন হবে — ফেব্রুয়ারিতেই। তবে জনগণের মধ্যে যে আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে, সেটা ফিরিয়ে আনতেই সবাইকে কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, আস্থাহীনতা দূর করা না হলে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে নির্বাচন আয়োজন এবং তার স্বচ্ছতায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও দৃঢ়ভাবে সহায়তা করছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পরেও, দর্শকরা এটা নিশ্চিত মনে করতে পারবেন বলে তিনি জানান। তাঁর ভাষ্য—প্রাতিষ্ঠানিক স্টেকহোল্ডাররা, যেমন সেনাবাহিনী ও প্রশাসন,ও নির্বাচনের ব্যাপারে সচেতন। তবে ফখরুল এ কথাও সতর্ক করে বলেন যে, “বাংলাদেশে সাধারণ বিষয়গুলোও সহজভাবে হয় না — সবকিছুই জটিলতায় পড়ে। কোনোকোনো অর্থে আমাদের শত্রুরা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইতে পারে।” এজন্য তিনি বলে দেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত রেখে কাজ করাই এখন সময়ের দাবি। এনসিপি এবং জামায়াতে ইসলামি নির্বাচনে নেমে অভিযোগ-দাবি গ্রহণ করে ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে — এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, “দলগুলোর ছলচাতুরি কিংবা দরকষাকষি রাজনৈতিক স্বভাব। দলগুলো নিজেদের স্বার্থে দরকারি দাবি তুলবে, এবং আলোচনার মাধ্যমে এসব সমাধান করা সম্ভব।” তিনি মনে করেন, আলোচনার সুযোগ এবং জায়গা ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং তাদের কার্যকলাপ নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেছেন মির্জুল ফখরুল। বলেন, “যদিও তারা দেশের পুরনো রাজনৈতিক দল, তবুও দুর্ভাগ্যজনকভাবে নিজেদের স্বরূপ ধ্বংস করেছে — কিছু অংশ ফ্যাসিস্ট রূপ নিয়েছে। যারা গণহত্যা, প্রতিষ্ঠান ধ্বংস বা তন্ত্র নষ্টে জড়িত তাদের বিচার হওয়া উচিত এবং দণ্ড প্রাপ্য।” এরপরও তিনি পুনরাবৃত্তি করেন যে বিএনপি সাধারণত কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয়; তবে যদি কোনো দল জনগণের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করে বা গণহত্যায় জড়িত থাকে, তাহলে বিচার ও শাস্তির যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া উচিত। এক ভারতীয় পত্রিকার দেওয়া সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে ফখরুল জানান, “আমি কখনও কাউকে মিডিয়ার মাধ্যমে ফাঁসানোর চেষ্টা নেই — আমার সঙ্গে ওই পত্রিকার আলাপচারিতার ব্যাপারে এমন কোনো বিশেষ কথা হয়নি। যা প্রকাশ হয়েছে তা আমি পড়েছি।” তিনি আবারো উল্লেখ করেন যে আওয়ামী লীগের নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করেছেন তিনি, এবং জাতীয় পার্টিকেও যদি অপরাধে জড়িত পাওয়া যায় তাদের বিচার হওয়া উচিত — তবে কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধের কথা বলেননি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, “যখন সব আইনি জটিলতা সমাধান হবে এবং রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি উপযুক্ত মনে হবে তখনই তারেক দেশে ফিরবেন। তাঁর নিরাপত্তা বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করব; তবে দল যখনই মনে করবে তিনি নিরাপদে আসতে পারবেন তখনই তিনি বেদেশে ফিরবেন।” উল্লেখ্য, বর্তমানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি সংশ্লিষ্ট নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে — মির্জা ফখরুল

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে — মির্জা ফখরুল নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে — মির্জা ফখরুলফখরুল বলেন, “নিশ্চয়ই নির্বাচন হবে — ফেব্রুয়ারিতেই। তবে জনগণের মধ্যে যে আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে, সেটা ফিরিয়ে আনতেই সবাইকে কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, আস্থাহীনতা দূর করা না হলে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে নির্বাচন আয়োজন এবং তার স্বচ্ছতায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও দৃঢ়ভাবে সহায়তা করছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পরেও, দর্শকরা এটা নিশ্চিত মনে করতে পারবেন বলে তিনি জানান। তাঁর ভাষ্য—প্রাতিষ্ঠানিক স্টেকহোল্ডাররা, যেমন সেনাবাহিনী ও প্রশাসন,ও নির্বাচনের ব্যাপারে সচেতন। তবে ফখরুল এ কথাও সতর্ক করে বলেন যে, “বাংলাদেশে সাধারণ বিষয়গুলোও সহজভাবে হয় না — সবকিছুই জটিলতায় পড়ে। কোনোকোনো অর্থে আমাদের শত্রুরা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইতে পারে।” এজন্য তিনি বলে দেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত রেখে কাজ করাই এখন সময়ের দাবি। এনসিপি এবং জামায়াতে ইসলামি নির্বাচনে নেমে অভিযোগ-দাবি গ্রহণ করে ভিন্ন কৌশল নিচ্ছে — এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, “দলগুলোর ছলচাতুরি কিংবা দরকষাকষি রাজনৈতিক স্বভাব। দলগুলো নিজেদের স্বার্থে দরকারি দাবি তুলবে, এবং আলোচনার মাধ্যমে এসব সমাধান করা সম্ভব।” তিনি মনে করেন, আলোচনার সুযোগ এবং জায়গা ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং তাদের কার্যকলাপ নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেছেন মির্জুল ফখরুল। বলেন, “যদিও তারা দেশের পুরনো রাজনৈতিক দল, তবুও দুর্ভাগ্যজনকভাবে নিজেদের স্বরূপ ধ্বংস করেছে — কিছু অংশ ফ্যাসিস্ট রূপ নিয়েছে। যারা গণহত্যা, প্রতিষ্ঠান ধ্বংস বা তন্ত্র নষ্টে জড়িত তাদের বিচার হওয়া উচিত এবং দণ্ড প্রাপ্য।” এরপরও তিনি পুনরাবৃত্তি করেন যে বিএনপি সাধারণত কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয়; তবে যদি কোনো দল জনগণের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করে বা গণহত্যায় জড়িত থাকে, তাহলে বিচার ও শাস্তির যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া উচিত। এক ভারতীয় পত্রিকার দেওয়া সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে ফখরুল জানান, “আমি কখনও কাউকে মিডিয়ার মাধ্যমে ফাঁসানোর চেষ্টা নেই — আমার সঙ্গে ওই পত্রিকার আলাপচারিতার ব্যাপারে এমন কোনো বিশেষ কথা হয়নি। যা প্রকাশ হয়েছে তা আমি পড়েছি।” তিনি আবারো উল্লেখ করেন যে আওয়ামী লীগের নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করেছেন তিনি, এবং জাতীয় পার্টিকেও যদি অপরাধে জড়িত পাওয়া যায় তাদের বিচার হওয়া উচিত — তবে কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধের কথা বলেননি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, “যখন সব আইনি জটিলতা সমাধান হবে এবং রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি উপযুক্ত মনে হবে তখনই তারেক দেশে ফিরবেন। তাঁর নিরাপত্তা বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করব; তবে দল যখনই মনে করবে তিনি নিরাপদে আসতে পারবেন তখনই তিনি বেদেশে ফিরবেন।” উল্লেখ্য, বর্তমানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি সংশ্লিষ্ট নেতারা।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল